Wednesday, November 26, 2025

17>|| अपने भीतर श्री राम // हनुमान ||

    17>||. अपने भीतर श्री राम // हनुमान ||


हमें अपने भीतर भगवान श्री राम/भगवान श्रीकृष्ण /पवनपुत्र हनुमान जी को गढ़ना है । 

ऐसे देवता के दिव्य गुणों से हम अपने हृदय में स्थित राक्षसों का नाश कर सकते हैं एवं शुभ शक्ति की प्रकाश की उपलब्धि करसकते है।

तभी अंदर में शुद्ध चेतना की जागृत होंगे और मनचाहे फल प्राप्त होंगे।

कुछ पानेके लिए कुछ कर्म करना होंगे।

यदि आप तालाब में स्नान करना चाहते हैं, तो आपको तालाब में उतरना होगा। 

ईश्वर से कुछ पानेके लिए ईश्वर को हृदय में गढ़ना/स्थापित किया जाना चाहिए।


अतः जबतक हृदयमे ईश्वर को स्थापना नहीं करसकते है, तब तक जीवन कठिन है । 

मनुष्य जबतक ईश्वर को हृदय में स्थान नहीं देते है तब तक जीवन मूल्य हीन।

अतः आपने को पहचानो, अपनेको जानो,

मनकों स्थिर करो और हृदय में देखो।

अपने आपको पूछो कि आप कौन है!


एक स्निग्ध स्पंदन अनुभ करो।

हर  साँस  में ध्यान दे " ॐ " की स्पंदन नाभि मूल से उत्पन्न होकर अनंत में मिलकर फिर वापस नाभि मूल में ही लय होते रहते है।

ए एक बृहत पक्रिया ।

उसमें ध्यान देना अभी जरूरी नहीं ।अभी सिर्फ मनकों एकाग्र करते हुएं मंत्र की जप करो।



Wednesday, May 21, 2025

16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---

 16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---


ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছিল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। গড়ের মাঠের জেলখানা সরিয়ে তৈরি হয় এই স্মৃতিসৌধ। একটু জোরে হাওয়া দিলেই বিভিন্ন দিকে ঘুরে যায় ভিক্টোরিয়া পরী। জর্জ অরওয়েলের ১৯৩৯ সালে লেখা ‘1984’ উপন্যাসের সেই বিখ্যাত ‘বিগ ব্রাদার ইস ওয়াচিং ইউ’ স্লোগানটার কথা মনে পড়ে? ওই উপন্যাস লেখারও অন্তত আঠারো বছর আগে প্রায় সেই রকমই একটা স্লোগান উঠেছিল গত শতকের বিশের দশকের গোড়ায় কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির পর। কিন্তু কেন? কারণ হল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভবনের মূল গম্বুজের উপরে বসানো সেই বিখ্যাত ‘পরী’!

বিশাল আকার সৌধের প্রধান হলের ঠিক মাথায় রয়েছে একটা গম্বুজ আর গম্বুজের বাইরের দিকে একটা পারা বা মার্কারি দিয়ে ভরা ব্রোঞ্জের গ্লোব। গ্লোবের উপর দাঁড়িয়ে আছে প্রায় সাড়ে ছয় টন ওজনের ব্রোঞ্জের তৈরি এক নারীমূর্তি, বাঁ হাতে একটি লম্বা শিঙা ফুঁকছে। ডান হাতে একগুচ্ছ ফুল, পেছনে দুটো পাখা। মূর্তির বৈশিষ্ট হল, একটু জোরে হাওয়া দিলেই সে ঘুরে যায় বিভিন্ন দিকে। আর তাই নিয়েই সে যুগে তৈরি হয়েছিল নানা গুজব। শোনা যায়, কেউ কেউ রটিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এঞ্জেল ইস ওয়াচিং ইউ’। অর্থাৎ ওই পরী নাকি ব্রিটিশদের চর। ২০০ ফুট উঁটু থেকে চারিদিক ঘুরে কলকাতাবাসীদের উপর নজর রাখছে।

১৯০১ সাধারণাব্দের জানুয়ারি মাসে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয়। লন্ডন থেকে মৃত্যু সংবাদের টেলিগ্রাম তৎকালীন ভারতের রাজধানী কলকাতার লাটভবনের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল। পরের দিন থেকেই দেশের অভিজাত সম্প্রদায় রানির মৃত্যুতে শোক পালনের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল। বাঙালিও অংশ নিল সেই শোক পালনের প্রতিযোগিতায়। পাথুরিয়াঘাটার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উদ্যোগে হিন্দু পারলৌকিক বিধি অনুসারে মৃত্যুর তারিখ থেকে বারো দিনের দিন সঙ্গীত সমাজের ব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মানুষ মাতৃবিয়োগের সমান শোকচিহ্ন অর্থাৎ সাদা ধুতি ও সাদা উত্তরীয় পরে খালিপায়ে গড়ের মাঠে কীর্তন অনুষ্ঠানে যোগদান করল। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে কর্নওয়ালিশ স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান বিধান সরণির উপর বিডন স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে মেছুয়াবাজার স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তার উপর ফুটপাথ ধরে চারটি সারিতে কাঙালি ভোজন বা দরিদ্রনারায়ণ সেবা করানো হল। মেনু ছিল— খিচুড়ি, কপির তরকারি, দই, বোঁদে এবং ভীমনাগের দেওয়া সন্দেশ। খিচুড়ি তৈরি করতে লেগেছিল, সাড়ে চার টাকা মণ দামের দেড় শো মণ বালাম চাল, সেই পরীমাণ ডাল, ১২ মণ ঘি, হলুদ, লঙ্কা প্রভৃতি মশলা। সেই সময়ে ভারতের গর্ভনর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তাঁর প্রস্তাব অনুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নানা শিল্পবস্তু দিয়ে সাজানো এক স্মৃতিসৌধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, নাম হবে ‘ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল’। ময়দানের দক্ষিণ অংশে ক্যাথিড্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর যেখানে আগে একটা জেলখানা ছিল, সেই জায়গা পছন্দ হল কার্জন সাহেবের। সৌধ তৈরির জন্য সেই জেলখানাকে সরিয়ে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হল আলিপুরে। সেটাই এখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল নামে পরীচিত, যা আবার এখন স্বদেশি মিউজিয়ামে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫৪ একর জমির উপর সেই সৌধ তৈরির কাজ শুরু হল। ১৯০৬-এর ৪ জানুয়ারি, রানির নাতি জর্জ প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স, বা পরবর্তীকালের রাজা পঞ্চম জর্জ, কলকাতায় এসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেলেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের। স্যর উইলিয়ম এমারসনের নকশায় বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে সাদা মার্বেলের এই সৌধ তৈরি হতে সময় লেগেছিল প্রায় পনেরো বছর। খরচ হয়েছিল এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা, যার সবটাই এসেছিল রাজা-মহারাজা ও সাধারণ মানুষের দেওয়া দান থেকে। মাটি থেকে ৮ ফুট উঁচু, ৩৯৬ ফুট লম্বা এবং ২২৮ ফুট চওড়া মূল সৌধের চারদিকে চারটে টাওয়ার। ভিতরের দুটো তলা মিলিয়ে অনেকগুলো ঘর সাজানো হল বিভিন্ন শিল্পবস্তু দিয়ে। ১৯২১ সাধারণাব্দের ২৮ ডিসেম্বর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দ্বার উদ্ঘাটন করেন প্রিন্স ওফ ওয়েলস এডোয়ার্ড অ্যালবার্ট। 


সংগৃহীত

Wednesday, May 14, 2025

15/5/25 Number of Zeros ::---

15/5/25 Number of Zeros ::---

Ten =------------------------=1 Zero

Hundred=--------------------=2 Zeros

Thousand---------------------=3 Zeros

Ten thousand=--------------=4 zeros

Lakh-----------------------------= 5 Zeros

Million= -------------------------=6 Zeros

Billion=--------------------------=9 Zeros

Trillion=------------------------=12 Zeros

Quadrillion =----------------=15 Zeros

Quintillion=-------------------=18 Zeros

Sextillion=--------------------= 21 Zeros

Septillion=-------------------=24 Zeros

Octillion=--------------------=27 Zeros

Nonillion=--------------------=30 Zeros

Decillion=--------------------=33 Zeros

Undecillion=----------------=36 Zeros

Duodecillion=---------------=39 Zeros

Tredecillion=-----------------=42 Zeros

Quatttuor-decillion=--------=45 Zeros

Quindecillion=-----------------=48 Zeros

Sexdecillion=--------------------=51 Zeros

Septen-decillion=--------------=54 Zeros

Octodecillion=-------------------=57 Zeros

Novemdecillion=---------------=60 Zeros

Vigintillion=-----------------------=63 Zeros 

Centillion=--------------------------=303 Zeros

===========================


14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

 14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

বাঁকুড়ার উপকণ্ঠে অবস্থিত এক্তেশ্বরের মন্দির।

এক্তেশ্বর বা একতেশ্বর হল পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সদর বাঁকুড়া শহরের উপকণ্ঠে দ্বারকেশ্বর নদের তীরে অবস্থিত একটি অঞ্চল। পূর্বে এটি ছিল একটি গ্রাম।


এক্তেশ্বর মন্দির নামে একটি শিব মন্দিরের নামানুসারে "এক্তেশ্বর " নামটির উৎপত্তি ঘটেছে। বিষ্ণুপুরের রাজা এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। ল্যাটেরাইটে নির্মিত এই মন্দিরটিতে পরবর্তীকালে বেলেপাথর ও ইঁটের কাজ যুক্ত হয়। প্রতি বছর চৈত্র মাসে চরক পূজা এই মন্দিরে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।


এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবের একটি একপদ মূর্তি পূজিত হয়। এই ধরনের শিবমূর্তি অন্য কোনও শিব মন্দিরে দেখা যায় না।


মন্দিরটিরও স্বকীয় একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটির কাঠামো অত্যন্ত দৃঢ়, যা বাংলার অন্যান্য মন্দিরে সাধারণত দেখা যায় না। মন্দিরটি বাংলার নিজস্ব শৈলীতেও নির্মিত হয়নি। চূড়াটি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাই এটিকে দেখলে অসম্পূর্ণ মনে হয়।


অনেকে মনে করেন, এক্তেশ্বর মন্দিরে পূজিত দেবতা হলেন একপদেশ্বর। তবে বর্তমান বিগ্রহটি একপদেশ্বরের নয়। পূর্বে একপদেশ্বরের মূর্তি ছিল কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, বিষ্ণুপুর ও সামন্তভূম রাজ্যের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তি করার জন্য স্বয়ং শিব ধ্যানে বসেছিলেন এবং এক্তেশ্বরের মূর্তিতে দুই রাজ্যের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দণ্ডায়মান হন।

======================


শাস্ত্রে বলে, ইন্দ্রিয়বৃত্তিই অসুর। এই অসুরই বন্ধনের কারণ। আর এই বন্ধন হতে মুক্তি অর্থাৎ, মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষাতেই একেশ্বরের আরাধনা।


একতার প্রতীক শৈবতীর্থ এক্তেশ্বর

‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। 


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি।




লোকশ্রুতি রয়েছে, ‘অন্ধ গ্রাম’ অর্থাৎ, আজকের ওন্দা, ভাদুল, বীরসিংহপুর, ভীমপুর, তপোবনের অধিবাসীরা হিন্দু জীবনশৈলি সমন্বিত অসুর সম্প্রদায়ের অথবা জনগোষ্ঠীর অংশ ছিলেন। প্রাচীন যুগে সমস্ত কোল গোষ্ঠীর মানুষ ‘অসুর’ অর্থাৎ শক্তি-সম্পন্ন নেতা নামে অভিহিত হতেন। তাঁরা নিজেদের সূর্যের সন্তান বলে প্রচার করতেন। এই আদিবাসীরা ছিলেন একেশ্বরবাদী।


হয়তো এই একেশ্বর বাদ থেকেই  এক্তেশ্বর শব্দের উৎপত্তি! 


বাঁকুড়া শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে দ্বারকেশ্বর নদের বাম তীরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন মন্দিরগুলির অন্যতম এই এক্তেশ্বর শিবমন্দির। 


এই প্রাচীন শৈবতীর্থে এক্তেশ্বর শিব স্বয়ম্ভু। বাঁকুড়ায় শতাধিক শিবমন্দির রয়েছে। মল্লেশ্বর, বহুলাড়াতে সিদ্ধেশ্বর, জয়পুরে গন্ধেশ্বর, ভুবনেশ্বর, পাত্রসায়রে কালঞ্জয় শিব বিখ্যাত। শৈবতীর্থ এক্তেশ্বরে প্রতিদিনই পুজো হয়। ফাল্গুন মাসে, শিব চতুর্দশী তিথিতে এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে কয়েক হাজার নরনারীর সমাগম হয়।


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন ও আগের দিন নখ কেটে নিরামিষ আহার করেন। রাতে মহাসমারোহে এক্তেশ্বরে ব্রতীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। রাত্রে ব্রতীরা মন্দিরের আটচালায় সারারাত জেগে কাটান। শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে মেলাও বসে। আগত দর্শকমণ্ডলীর সমাগমে একই সঙ্গে বাউল গান, রামায়ণ গান শোনা যায়।


আচার্য যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি 

বলেছেন ‘বেদে এক পাদেশ্বরের উল্লেখ আছে। যে নামটি অপভ্রংশ এক্তেশ্বরে এসে দাঁড়িয়েছে’।


মন্দিরের কুণ্ডের মধ্যে যে শিবলিঙ্গটি রয়েছে, সেটি নাকি দেখতে অনেকটা মানুষের পায়ের মতো। জনশ্রুতি রয়েছে, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজার সঙ্গে ছাতনার সামন্তভূমের রাজার রাজ্য সীমানা নিয়ে বিবাদ হলে, তার মীমাংসা করেন স্বয়ং শিব। দুই সীমানার সংযোগস্থলে একতার প্রতীক হিসেবে এই এক্তেশ্বর মন্দির স্থাপিত হয়। বিদ্যানিধি মহাশয়ের মতে, এক্তেশ্বর মন্দিরের শায়িত শিবলিঙ্গ বাঁকা ভাবে অবস্থিত হওয়ায় এই স্থানের নাম হয়ে থাকতে পারে বাঁকুড়া। বিদ্যানিধি মহাশয়েরই অন্য মতে ‘বাম কুণ্ড’ (বাম দিকের ঝর্না জলধারা) শব্দের অপভ্রংশ হয়ে এই ভূমের নাম ‘বাঁকুড়া’ হয়েছে। তবে বর্তমানে বাঁকুড়া মৌজায় এমন কোনও ঝর্না বা জলধারার বর্তমানে অস্তিত্বই নেই। কিন্তু ক্ষেত্রনুসন্ধান করে জানা যায়, প্রাচীন কালে জলধারার নিদর্শন ছিল।


এক্তেশ্বরে পাথরের শিব মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট। এটি পশ্চিমমুখী। ল্যাটেরাইট (মাকড়া) প্রস্তর দ্বারা সুন্দর ও সুগঠিত। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের রিপোর্টের অষ্টম খণ্ডে জে.ডি. বেগলার লিখেছেন, এক্তেশ্বরের মন্দিরটি অন্তত তিন বার সংস্কার হয়েছে। মন্দিরের শিখর এক সময় ভেঙে পড়েছিল। তার পুনর্নির্মাণের সময় উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মন্দিরটি একাধিক বার সংস্কারের ফলে সাবেক রেখদেউলটি বর্তমানে ‘পীঢ়া’ বা ভদ্রদেউলের আকার নিয়েছে। প্রাঙ্গণে ছোট ছোট উপমন্দিরের মধ্যে, এক ভগ্ন বাসুদেব মূর্তির নিম্নাংশ রয়েছে। চার ফুট উচ্চতা ও আড়াই ফুট প্রস্থের এক দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তি। সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা এবং পৌনে দু’ফুট প্রস্থের এক গণেশ মূর্তি ও একটি নন্দী-বৃষের মূর্তি আছে। উপমন্দির প্রাঙ্গণে একটি দু’ফুটের চণ্ডী নামে পূজিত মূর্তি দেখা যায়। সব কটি প্রাচীন মূর্তিই পাথরের এবং সুন্দর। অনুমান হয় আদিতে এ বিগ্রহগুলি সাবেক মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে (অধুনা শূন্য) কুলঙ্গিগুলিতে রক্ষিত ছিল।


এক্তেশ্বরে দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তিটি লৌকিক দেবী মনসা ও খাঁদা রানি নামে পূজা পাচ্ছেন। তাঁর ডান পায়ে সামান্য ফাটল লক্ষ্য করা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নীচে, অশ্বত্থ বৃক্ষমূলে মাটির বেদিতে মাটির হাতি-ঘোড়ার সঙ্গে দু’টি পাথরের পা ও প্রত্নবস্তুগুলি অবহেলায় পড়ে আছে। এই প্রত্নমূর্তিগুলি গৌরবের স্মারক। এগুলি যত্ন সহকারে রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।


শিবমন্দির চত্বরে পিছনের পূর্ব কোণে সামান্য দূরে সূর্য মন্দির (‌সোনাতপলের দেউলটি) অবস্থিত ছিল। বন্যার ফলে দ্বারকেশ্বর নদের গতি পরিবর্তন এক্তেশ্বর শিব মন্দির ও সোনাতপলের সূর্য মন্দিরকে আলাদা করেছে।

°==================





Tuesday, May 13, 2025

13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1 to 0)

 13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1  to  0)



1>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের---

    ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমার-এর বিখ্যাত উক্তিটি মনে পড়ে ৷


 “যদি শাস্ত্র বুঝিয়া থাকি, তবে তীর্থদর্শনে যেরূপ পরকালের কর্ম হয়, বাটী বসিয়াও সেরূপ হইতে পারে।”


 বৃদ্ধ কহিলেন, “তবে তুমি এলে কেন?”


 যুবা উত্তর করিলেন, “আমি ত আগেই বলিয়াছি যে, সমুদ্র দেখিব বড় সাধ ছিল, সেইজন্যই আসিয়াছি।” পরে অপেক্ষাকৃত মৃদু স্বরে কহিতে লাগিলেন, “আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না।


“দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী

তমালতালীবনরাজিনীলা।

আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশে-

র্দ্ধারানিবদ্ধেব কলঙ্করেখা॥”

===========================

          ( 2 )

"The mind is its own place, and in itself can make a heaven of hell, a hell of heaven.."

John Milton, Paradise Lost


মানুষের মন নিজেথেকেই  স্বর্গকে নরক ও নরক কে স্বর্গ বানিয়ে দিতে পারে।

======================

       ( 3 )

 चोर को खाँसी और संत को दासी

मुसीबत में डाल देती है सही।


अति प्यार देने से बेटा बिगड़े

भेद देने से नारी

लोभ देने से नोकर बिगड़े

धोखा देने से यारी।


गुण मिले तो गुरु बनाओ, 

चित्त मिले तो चेला,

मन मिले तो मित्र बनाओं, 

वर्ना रहो अकेला ।


হিন্দিতে একটি প্রবাদ

তার একটু অংশ বাংলায়--


চোরের যদি হয় কাশি, 

সাধুর যদি মিলে যায় দাসী,

উভয় কেই হতে হবে সংকটে দোষী।

অতি আদরে ছেলে নষ্ঠ,

লোভ দিলে চাকর নষ্ঠ,--------

,-----------

==========================


13/5/25Pearl for Sabita and jhuma.

 13/5/25Pearl for Sabita and jhuma.


Sunki র থেকে দুটো মুক্ত নিলাম 

সবিতা ও ঝুমার জন্য= ₹ 7000/-

On dt 16/12/2023.

Paid on dt 17/12/2023 


Gold Museum মানিকের থেকে 

দুটি আংটি বানালাম::--

  Bill of Gold Museum

  2p pearl settings

  And Ring 13.790 g total weight

 (-)2p Stone    3.410g  weight

----------------------------------------------

       Net gold--10.380 gm

  (-)old Gold----- 6.430 gm

----------------------------------------------

  Net New gold---3.950 GM

    Rs of gold   ₹ 24,614.42

  Making charge

  Of two Rings---₹ 8791.86

Total Amount ₹ 33,406.28

25/12/23 paid

  In cash ---------₹ 20,000.00

---------------------------------------------

Net due-----₹ 13,406.28 মানিকদা পাবে।

=========================

22/03/2024

আজ পোস্ট অফিস থেকে ₹ 10,000/- টাকা তুলে মানিকের দোকানে মানিককে

দিলাম দশ হাজার টাকা.।

আমার স্লিপ টি আনতে ভুলে গেছি।

মানিকদা বললো আর ₹3406/- টাকা পাবে। আমি বললাম হালখাতায় দিয়ে দেবো।


হালখাতার দিন::---

Paid in full

সম্পুর্ন টাকা পরিশোধ করে দিলাম।

==========================

13/5/25 বই ==শঙ্কু মহারাজ


13/5/25 বই ==শঙ্কু মহারাজ


শঙ্কু মহারাজ তথা জ্যোতির্ময় ঘোষদস্তিদার।

জন্ম ৭ মার্চ ১৯৩১ বরিশাল, বাংলাদেশ।

মৃত্যু ১৮ অক্টোবর ২০০৪ (বয়স ৭৩)

কলকাতা।

পেশা ভ্রমণ সাহিত্যিক।

পিতা- হরিপদ ঘোষদস্তিদার।


কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে 

স্নাতক । 

এরপর কলকাতার এক সওদাগিরি অফিসে চাকরি নেন। তারপরে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সরকারি অফিসে কাজ করেন। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত জীবনে পর্বতারোহী ছিলেন।বহুবার হিমালয় অভিযানে গেছেন। ট্রেকিংএ বেরিয়ে পড়তেন। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ হতে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ ভ্রমণ উন্নয়ন নিগমের মনোনীত সদস্য ছিলেন।


শঙ্কু মহারাজের প্রকাশিত 

গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল 


1>'বিগলিত করুণা জাহ্নবী যমুনা'

2>'হিমালয়' (৫ টি খণ্ড) বা 

       হিমালয় (অমনিবাস ১-৫ )

★3>'শঙ্কু মহারাজের শ্রেষ্ঠ গল্প' কিনলাম।

4>'ত্রিপুরা-তীর্থে '

5>'ভ্রমণে ভারত' (উত্তর-পূর্ব পর্ব)

6>'দখিন-দেশে'

7>'দেশের মাটি'

8>'গজমোতি গোয়া'

9>'এক ফরাশী নগরে'

10>'মায়াময় মেঘালয় '(অখণ্ড)

11>'মধুবৃন্দাবনে'(অখণ্ড)

12>'বৈষ্ণোদেবীর দরবারে'

13>'বেলজিয়াম থেকে বাভেরিয়া'

14>'উর্বশী এথেন্স'

15>'যদি গ্রহণ না হ'ত'

16>'কুম্ভমেলায়'

17>'অমরতীর্থ অমরনাথ '

18>'হিমতীর্থ হিমাচল'

19>'রাজভূমি রাজস্থান'

20>'পুণ্যতীর্থ প্রভাস'

21>'বেলাভূমি লাহূল'

22>'গঙ্গাযমুনার দেশে'

23>'ভাঙা দেউলের দেবতা'

24>'দ্বারকা ও প্রভাসে'

★25>'অলকাপুরী আসাম' =কিনলাম 

         2024 ।

26>'অমরাবতী আসাম'

27>'চতুরঙ্গীর অঙ্গনে'

28>'ব্রহ্মলোকে'

29>'সংহতি : পথে পথে'

30>'চরণরেখা'

31>'গঙ্গাসাগর'

32>'নীল দুর্গম'

33>'তমসার তীরে তীরে'

34>'সোনা সুরা ও সাকী'

35>'পঞ্চপ্রয়াগ'

36>'যুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'



========================


BOOK=বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী

প্রকাশক—দ্য কাফে টেবল

দে বুক স্টোর এবং কলেজ স্ট্রীটে পাওয়া যাচ্ছে।

========================


শঙ্কু মহারাজের'হিমালয়'(৫ টি খণ্ড) মূল্য কত?

=======================

লা-জবাব দেহলি অপরূপা আগ্রা 

     By নারায়ণ সান্যাল।

রহস্যের তাজমহল

      By প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত।

=========================

গজমুক্তা' =by   নারায়ণ সান্যাল

========================


দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের  কিছু বই।

যেগুলি পড়িনি:--

  গ্লানির্ভবতী ভারত, নরক সংকেত,

বাবু বারবিনিতা,দিওতিমা,

=================

অন্ধকরে আলোররেখা

লেখক:--সমরেশ বসু।

বিশ্ববানী প্রকাশনী,

79/1B, মহাত্মা গান্ধী রোড,

কলিকাতা ;-9,

=====================

ভবানী প্রসাদ মজুমদারের কবিতার বই

=========================

ভারত সেবা আশ্রম -ভ্রমন। ₹150/-

=========================

★প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত ও সৌম্যেন পাল: মহাবলীপুরম/ ইতিহাস ও ঐতিহ্য (সিগনেট প্রেস/ একটি আনন্দ প্রকাশনা, ৩০০.০০)। কিনলাম 2024 বই মেলায়।

========================


আঠেরো বছরে চার বার দেশের নানা প্রান্তে ভ্রমণের পর ★দুর্গাচরণ রক্ষিত তাঁর ভারত-প্রদক্ষিণ বইটি প্রকাশ করেন ১৩১০ বঙ্গাব্দে।


 শ্যামপদ মণ্ডলের সম্পাদনায় দুষ্প্রাপ্য বইটি নতুন করে প্রকাশ করল ‘বলাকা’ (৩০০.০০)। 

সফল ব্যাবসায়ী দুর্গাচরণের দেখার চোখটি খেয়াল করার মতো, যেখানেই বেড়াতে গেছেন প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, অনেক খুঁটিনাটি তথ্য সহজ ভাবে বর্ণনার অনুষঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। উনিশ শতকের শেষ পর্বের এই ভারত ভ্রমণবৃত্তান্ত আজও আমাদের আকৃষ্ট করে।

,==================


★1>শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ || Sri Sri Ramakrishna Upadesh

₹15.00

By Brahmanand.


★2>The Eternal Companion: Brahmananda: His Life and Teachings: A Guidebook for Spiritual Practice.


★★3>The Eternal Companion.

By Prabhavananda Mharaj


(The Eternal Companion:=(চির সঙ্গী)

    Eternal=  (চিরন্তন)

    Companion=  (সহচর)

চিরন্তন সহচর  বা চির সঙ্গী)      

       কিনলাম


=======================

সমরেশ বসু  তাঁর "শাম্ব" লেখার জন্য

পুরস্কার পেয়েছেন। 

===================

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের পুরস্কার পেলেন "শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন" লেখার জন্য

=========================


 স্বামী গম্ভীরানন্দজীর বই::--

স্তব কুসুমাঞ্জলি'

'উপনিষদ গ্রন্থাবলী (৩ ভাগ)

'সিদ্ধান্তলেশ সংগ্রহ'

'শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তিমালিকা'

'কঃ পন্থা'

'এইট উপনিষদস্ : উইথ শঙ্করস্ কমেন্টরি'

'আপস্টলস্ অফ শ্রীরামকৃষ্ণ '

'হোলি মাদার শ্রীসারদা দেবী'

'হিস্ট্রি অফ দি রামকৃষ্ণ মঠ অ্যান্ড মিশন' ইত্যাদি ।

========================

হমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্তের

1>খাজুরাহ সুন্দরী

2>জলঙ্গীর তীরে

3>বিষ্ণু লোকে দ্বন্ধ্যা।

==============================


13/5/25SBI--ATM কার্ড হারালে-----

 


13/5/25SBI--ATM কার্ড হারালে-----


কার্ড হারিয়েছেন?

 

SBI দিচ্ছে সহজে মুক্তির উপায়। এক ফোনেই পাওয়া যাবে হারানো কার্ডের ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি।

    

ফোন করতে হবে ১৮০০১১২২১১/১৮০০৪২৫৩৮০০ এই দুই নম্বরে।

অথবা করতেহবে একটা SMS 567676

 নম্বরে।


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি State Bank of India বা SBI এর গ্রাহক? সম্প্রতি কি কার্ড হারিয়েছেন? আপনার জন্য সুখবর। কার্ড হারালে আর চিন্তা নয়, বরং দরকার একটা এসেমএস (SMS)। অথবা একটা ফোন কল। আর তাতেই সমস্যার সমাধান। এক ফোনেই এবার থেকে ব্লক হবে হারিয়ে যাওয়া ATM কার্ড। গ্রাহক সুরক্ষা এখন তাই হাতের মুঠোয়।

★★

SBI এর তরফ থেকে সম্প্রতি শুরু হয়েছে এই অভিনব উদ্যোগ। 

567676 এই নম্বরে নিজের রেজিস্টার মোবাইল নম্বর থেকে একটি মেসেজ পাঠালেই ATM কার্ড সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধান হবে। এই নম্বরে নিজের ATM card এর শেষের চারটে নম্বর দিয়ে তার আগে ব্লক লিখলেই, ব্যাঙ্কের তরফ থেকে ওই কার্ড বন্ধ করে দেওয়া হবে। কার্ড বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন অনুমোদিত হলেই, ব্যাঙ্কের তরফ থেকে টিকিট নম্বর, তারিখ ও কার্ড বন্ধের সময়, রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।


SMS ছাড়াও কার্ড বন্ধের ক্ষেত্রে অন্য রাস্তাও রয়েছে। SBI এর কাস্টোমার কেয়ারে ( Customer Care) ফোন করে ATM কার্ড বন্ধের জন্য আবেদন করলেই SBI ওই কার্ড বন্ধ করে দেবে। এছাড়া, দুটি নয়া নম্বরও চালু করা হয়েছে৷ 

1800112211 অথবা 18004253800

 এই দুটি নম্বরের যে কোনও একটিতে ফোন করে 2 ডায়াল করতে হবে। তারপর কার্ডের শেষ পাঁচটি নম্বর লিখলেই কেল্লাফতে! হারানো কার্ড নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না গ্রাহকদের।


তবে এই দুটি পদ্ধতি ছাড়াও কার্ড বন্ধের অন্য পদ্ধতিও রয়েছে।


১. SBI এর ওয়েবসাইট SbIcard.com এ গিয়ে, রিপ্লেস/রিইস্যু কার্ড ( Replace/Reissue) অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের কার্ড নম্বর দিয়ে রিকোয়েস্ট সাবমিট করলেই, নতুন কার্ডের জন্য আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ।


২. ফোন নম্বর দিয়ে Sbicard.in এ ঢুকে বাঁদিকের সার্ভিস রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে Replace/Reissue কার্ড এ ক্লিক করে, কার্ড নম্বর দিলেই কাজ হাসিল।


৩. Sbicard.com/email এ অফিসিয়াল মেইল আইডি থেকে মেইল করলেই অন্য কার্ডের আবেদন করা যাবে।


৪. ১৮০০৪২৫৩৮০০ এই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলেও কার্ডের সমস্যা থেকে মিলবে মুক্তি।

=====================

Sabita= আগের কার্ডটি ব্লক করে 

নুতন কার্ডের জন্য এপ্লাই করে 

নুতন কার্ড পেলাম 13/03/2021 তারিখে

=========================

Adyanath= ATM এর এপ্লাই করে 

কার্ড পেলাম 18/02/2022

01/03/2022 কার্ডটা আজকের Active

 করলাম।

==========================


BODMAS – যে নিয়মটা প্রায়ই ভুলভাবে শেখানো হয় আমাদের

 BODMAS – যে নিয়মটা প্রায়ই ভুলভাবে শেখানো হয় আমাদের

-------------------------------------------------------


পাটীগণিত বা বীজগণিতের সরল অঙ্কে যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ এমন অপারেশনগুলো কোনটার পরে কোনটা করতে হবে (Order of Operation), সেটা প্রায়ই আমাদেরকে শেখানো হয় একটা ছোট্ট স্মরণসূত্র (mnemonic) দিয়ে: BODMAS। সাধারণত এটা শেখানো হয় এভাবে: B=Bracket, O=Of, D=Division, M=Multiply, A=Addition, S=Subtraction। এবং শেখানো হয় আগে ব্রাকেটের কাজ , তারপর ‘Of’,  তারপর Division, তারপর Multiplication, এরপর Addition এরপর Subtraction। এখানে বেশকিছু সমস্যা আছে। এক এক করে সমসাগুলো বলি।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ১: জেনে রাখুন আগে 'ভাগ', পরে 'গুণ' এমন কোনো নিয়ম আসলে নাই

------------------------------------------------------------------- 


এটা অনেকেরই বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে আমি জানি। সারা জীবনের শিক্ষা কি তবে ভুল হয়ে গেল? হ্যাঁ। BODMAS এর ভেতরে আগে D আছে, তাই Division বা ভাগের কাজ আগে হবে, এটাই সবাইকে শেখানো হয়, যেটা অপ্রয়োজনীয়। আসলে গুণ ও ভাগের অগ্রাধিকার একই। যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকারও একই। তবে গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার যোগ-বিয়োগের থেকে বেশি।


অগ্রাধিকারের ক্রমটা এই রকম:

1) বন্ধনী বা Bracket(B)

2) সূচক বা Order (O) [এটাকে Of শেখানো হয়, সেটা নিয়ে শেষে লিখেছি]

৩) গুণ-ভাগ, Division/Multiplication (D/M)

৪) যোগ-বিয়োগ, (Addition/Subtraction)


দেখুন, ৩ আর ৪ এ কায়দা করে আমি দুটো দুটো করে একসাথে লিখেছি। এই ব্যাপারটা আমিও জানতাম না অনেকদিন। এটা নিয়ে খটকা লাগল যখন দেখলাম আমেরিকাতে BODMAS এর মতো আরও একটা মনে রাখার কৌশল আছে: PEMDAS [Parenthesis, Exponent, Multiplication, Division, Addition, Subtraction ]। PEMDAS এর ভিতরে গুণ (M) আছে ভাগের (D) আগে। তাহলে তো দুই রকম নিয়ম হয়ে গেল। পরে যখন জানলাম গুণ আর ভাগের অগ্রাধিকার একই, তখন বুঝলাম দুটো নিয়ম আসলে একই কথা বলে।


তাহলে যদি এমন একটা অঙ্ক থাকে  2×8÷2÷2 কীভাবে করব? যারা জানেন যে ভাগ আগে করতে হয়, তারা এবারে একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে যাবেন কেননা এখানে দুইটা ভাগের অপারেশন আছে। আগে 8÷2 হিসেব করতে হবে, নাকি আগে 2÷2? করে দেখুন, দুইবার দুইরকম ফল পাবেন। তবে মূল নিয়মটা জানলে চিন্তার কিছু নেই। মূল নিয়মটা দুটো-


------------------------------------------------------------------- 

১. যে অপারেশনের অগ্রাধিকার বেশি, তাকে আগে হিসেব করতে হবে।

২. যদি একই অগ্রাধিকারের অনেকগুলো অপারেশন থাকে তাহলে ‘বাম থেকে ডানে’ হিসেব করতে হবে

------------------------------------------------------------------- 


যেমন এখানে আছে শুধু গুণ আর ভাগ, যাদের অগ্রাধিকার একই। ২ নম্বর নিয়মটা এখানে খাটবে। তাহলে বাম থেকে ডানে হিসেব করে যেতে হবে। 

2×8÷2÷2 

= 16÷2÷2 

= 8÷2 

= 4


এটা জানলে কোন ভাগটা আগে করব, তা নিয়ে সন্দেহ থাকবে না। এমনকি এখানে ভাগের আগে গুণ করা হয়েছে সেটাও খেয়াল রাখতে পারেন। আর উত্তর বিশ্বাস না হলে পৃথিবীর যেকোনো ক্যালকুলেটরে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। 


আরেকটু চিন্তাশীল মানুষদের জন্য বলতে পারি, গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার আলাদা হবার যে কারণ নেই সেটা আপনারা অনুভব করতে পারবেন ভাগ কী সেটা বুঝলে। আদতে field theory তে ভাগ বলে কিছু নাই, ভাগকে ভাবা যায় বিপরীতকের গুণ হিসাবে। 8÷2=8×½ । যত জায়গায় ÷2 আছে, সব জায়গায় ×½ বসিয়ে ভাবতে পারেন। আর সব যদি গুণ হয়ে যায়, তখন তো আর আগে-পরের ব্যাপার থাকবে না।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ২: যোগ আগে, বিয়োগ পরে এমন কোনো কথা নাই

------------------------------------------------------------------- 


গুণভাগের কথাটা যোগ আর বিয়োগের জন্যেও সত্যি। একটা অঙ্কের কথা ভাবুন। 

13-5+3-2+2 

এমন অঙ্ক দেখলে আমি ছোটবেলায় প্রায়ই দ্বিধান্বিত হয়ে যেতাম। যেহেতু আমি জানতাম যোগ আগে, তাই মাঝে 5 আর 3 কিংবা শেষের 2 আর 2 আগে যোগ করে ফেলতাম। পরে অবশ্য স্যারেরা শিখিয়েছিলেন আগে যোগগুলো একসাথে করে নিতে 

13-5+3-2+2 

= 13+3+2-5-2 

= 18-7 

= 11


এটাতে ঠিক উত্তর পাওয়া যায়, সন্দেহ নেই। কিন্তু কম্পিউটার যখন হিসেব করে সে কিন্তু এমন সাজিয়ে নেয় না। কারণ পদ্ধতিটা আরও সহজ। যেহেতু যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকার একই, আপনি স্রেফ বাম থেকে ডানে হিসেব করে যান।

13-5+3-2+2 

= 8+3-2+2 

= 11-2+2 

= 9+2 

= 11 


লক্ষ করুন, এখানে শুরুতেই আমি বিয়োগ করে ফেলেছি, তাতে উত্তর ভুল কিছুই আসেনি।

এখানেও চিন্তাশীল মানুষদের জন্য বলতে পারি, যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকার আলাদা হবার কারণ নেই। বিয়োগকে ভাবা যায় ঋণাত্মকের যোগ হিসাবে 13-5=13+(-5) । যত জায়গায় -2 আছে, সব জায়গায় +(-2) বসিয়ে ভাবতে পারেন। 13-5+3-2+2=13+(-5)+3+(-2)+2। সবাই এখন যোগ।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ৩: যোগ-বিয়োগ আর গুণ-ভাগ দুটোই থাকলে?  

------------------------------------------------------------------- 


চিন্তা কী? উপরের ১ নম্বর নিয়মটা ভাবুন। যার অগ্রাধিকার বেশ সে আগে। গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার বেশি তাই গুণ-ভাগ আগে করবেন। তারপর যোগ-বিয়োগ। বাম থেকে ডানে যাওয়ার নিয়মটা শুধুমাত্র তাদের জন্য সত্যি যেখানে অগ্রাধিকার একই। একটা উদাহরণ দেখা যাক।

12÷2÷3×4-6+5×7 


এখানে গুণভাগ-ওয়ালা অংশগুলোকে যেমন (12÷2÷3×4) এবং (5×7) কে আগে আলাদা করে নিন। প্রয়োজনে ব্র্যাকেট দিয়ে নিতে পারেন। সেগুলোর ভিতরে যদি গুণভাগ দুই-ই থাকে তাহলে বাম থেকে ডানে যেতে পারেন। 

12÷2÷3×4-6+5×7 

= (12÷2÷3×4)-6+(5×7)

= (6÷3×4)-6+35  

= (2×4)-6+35 

= 8-6+35


খেয়াল করুন গুণ-ভাগের কাজ শেষ হলে, পড়ে থাকবে যোগ-বিয়োগ। যাদের অগ্রাধিকার একই। সুতরাং বাম থেকে ডানে যেতে পারেন।  

8-6+35 

= 2+35 

= 37


এটা জানলে আর খুব একটা দ্বিধায় পড়তে হবে না কাউকে।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ৪: O তে Of নাকি Order 

------------------------------------------------------------------- 


সত্যি হলো Of বলে কোনো অপারেশন গণিতের কোনো তত্ত্বে নেই। এই উপমহাদেশীয় গণিতের বইগুলোতে ‘এর’ বলে একটা কথা আছে, যেটা আদতে ‘গুণ’ অপারেশন। যেমন (১২ এর ১/ ৩)=১২ x ১/৩ = ৪। এই ‘এর’ এর ইংরেজি ‘of’ । 


‘10 এর ½’ এটা মানে যে 10 × ½, এমন করে বাচ্চাদের শেখানোর চিন্তাটা আসলে খারাপ না। এর দিয়ে গুণ বোঝানো হয় এটা তারা জানল। একইভাবে ‘10 আর 6’ মানে হলো 10+6,  ‘10 থেকে বাদ 6’ এটার মানে হলো 10-6 । তাহলে ‘এর’, ‘আর’, ‘থেকে বাদ’ এগুলো হচ্ছে কথা বলার বা লেখার ভাষা, যেটাকে গণিতে আমরা গুণ, যোগ, বা বিয়োগ অপারেশনগুলো দিয়ে ভাবছি। 


আলাদা করে একটা ‘এর’ অপারেশন রাখা অর্থহীন। অনেকে যুক্তি দিতে পারেন ‘এর’ একটা গুণ যেটা সাধারণ গুণের থেকে বেশি ক্ষমতার অধিকারী (অগ্রাধিকার বেশি, আগে হিসেব করতে হবে)। সেটাও ধোপে টিকবে না কারণ আপনি 10 এর ½ না লিখে একটা ব্র্যাকেটসমেত (10× ½ ) লিখলেই সেটা হয়। 


আমাদের উপমহাদেশে O তে ‘Of’ যদিও প্রচলিত, বিশ্বের আর সব জায়গায় কিন্তু এমন না। অস্ট্রেলিয়া এবং পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতেও BODMAS প্রচলিত। সেখানে তারা O মানে জানে Order বা সূচক। ইংল্যান্ডে এটাকে বলে BIDMAS, সেখানে দ্বিতীয় অক্ষরটা অর্থাৎ ‘I’ এর মানে হলো Indices বা সূচক। কানাডা, নিউজিল্যান্ডে প্রচলিত হলো BEDMAS, যেখানে E এর মানে Exponent বা সূচক, যুক্ররাষ্ট্রে প্রচলিত হলো PEMDAS , সেখানেও E মানে Exponent বা সূচক। অর্থাৎ বাকি সবাই জানে ব্র্যাকেটের পর সূচকের কাজ, অর্থহীন ‘এর’কে কেউই রাখেনি। 


আমরা of জানায় সমস্যা যা হয়েছে- O দিয়ে Order-ও বোঝায় সেই ব্যাপারটা অনেকের জানা হয়নি। BODMAS এর এই Order বলছে যে গুণ/ভাগ কিংবা যোগ/বিয়োগের আগে সূচকের কাজ করতে হবে।


যেমন:

2³÷4+3 

= 8÷4+3 

= 2+3 

= 5


------------------------------------------------------------------- 

বাম থেকে ডানের ব্যতিক্রম

------------------------------------------------------------------- 


উপরে যেহেতু সূচকের ব্যপারটা এসেছে , তাই সে সংক্রান্ত একটা কথা বলে রাখি। আগে বলেছি যে যোগ-বিয়োগ বা গুণ-ভাগের বেলায় একই অগ্রাধিকার-ওয়ালা অপারেশনের ক্ষেত্রে ‘বাম থেকে ডান’ যেতে হবে। এই ব্যাপারটার একটা ছোট্ট ব্যতিক্রম আছে সূচকের ক্ষেত্রে। 


যখন পাওয়ারের উপর পাওয়ার থাকে তখন সবার উপরের পাওয়ারটা আগে হিসাব করতে হয়। আমরা যেহেতু পাওয়ারগুলোকে কোনো সংখ্যার উপরে ডানদিকে লিখি তাই এক্ষেত্রে ডান থেকে বাম আসতে হয়। যেমন 2^1^3^2  এটাকে ভাবুন ২ এর মাথায় পাওয়ার ১, সেই ১ এর মাথায় ৩, সেই ৩ এর মাথায় ২। এবারে আগে হিসেব করা হয় 3^2 কে। পুরো হিসেবটা হবে এমন: 2^1^3^2 = 2^1^9 = 2^1 = 2, এখানে বাম থেকে ডানে গেলে চৌষট্টি পেয়ে যাবেন, যেটা ঠিক না।  


------------------------------------------------------------------- 

 6÷2(1+2) = ?

------------------------------------------------------------------- 


শেষ করা যাক অনলাইন কাঁপানো একটা বিখ্যাত সমস্যা দিয়ে। 6÷2(1+2) = ?

BODMAS এর নিয়ম জানলে এটা করা খুবই সহজ।

6÷2(1+2)

= 6÷2×(1+2)

= 6÷2×3 [আগে ব্র্যাকেটের কাজ]

= 3 × 3 [গুণ-ভাগ একই অগ্রাধিকার, তাই বাম থেকে ডানে]

= 9


আমি প্রায়ই ইনবক্সে প্রশ্ন পাই- কেন Casio-র দুই মডেলের Scientific Calculator এ 6/2(1+2) এর মান দুই রকম দেখায়। 


প্রথমে বলে নিই, 2(1+2) এই 2 আর (1+2) এর মাঝে যে গুণটা আছে, সেটা যদি আমরা স্পষ্ট করে বসিয়ে দিই, তাহলে সব ক্যালকুলেটর একই মান দেয়। 6/2×(1+2) এটা লিখলে সবাই উত্তর দেবে 9। কারও তখন কোনো দ্বিধা থাকে না।


যখন 2 আর (1+2) এর ভিতরে গুণ চিহ্নটা স্পষ্ট করে দেয়া থাকে না, তখন Algorithm এ ঝামেলাটা হয়। এটাকে তখন বলে Implicit multiplication। এটার অগ্রাধিকার সাধারণ গুণ-ভাগ থেকে বেশি হবে, এমন একটা ধারণা প্রচলিত আছে। যেমন 1/2a লিখলে অধিকাংশ মানুষই বোঝে 2 আর a একসাথে আছে, এটা 1/ (2a)। এই প্রচলিত চিন্তাটা কিন্তু BODMAS এর নিয়ম মানে না। BODMAS মতে,  1/2a= (1/2) × a =  ½ a ।


Implicit multiplication কে অগ্রাধিকার দিলে উপরের অঙ্কের হিসেবটা দাঁড়ায় এমন: 6÷2(1+2)= 6÷2(3) = 6÷6 = 1। কিন্তু এমন Implicit multiplication এর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার আগে হবে, এমন কোনো নিয়ম কোথাও আসলে নেই। ফলে এটাকে সাধারণ গুণ হিসেবে বিবেচনা করে হিসেব করাই সঙ্গত। তাতে পাবেন, 6÷2(1+2)= 6÷2×3= 3×3=9। 


Google, WolframAlpha, Desmos ইত্যাদি নির্ভরযোগ্য সাইটগুলোতে 6/2(1+2)  এভাবে লিখে খোঁজ করুন, উত্তর সবসময় 9-ই পাবেন। আর যদি 6/2*(1+2) এমন গুণ-চিহ্ন সমেত লিখে খোঁজ করেন, তাহলে তো কথাই নেই। সব সাইট, সব ক্যালকুলেটর, MATLAB, Python সব Programming Language উত্তর দেবে 9। 


তাই 6/2(1+2) এর সঠিক উত্তর 9 , এটাই জেনে রাখুন। :)

============================

2÷2÷2÷2=?

   1÷1=1 Rong Ansar


Correct is

     2/2×2×2=1/4 ok


In multiple number division

 1st digit divider by multiple of other digits

(2÷2=1)/2×2= 1/4

========================



13/5/25 কিছু লেখা---

 13/5/25 কিছু লেখা---


জানিও  প্রণামের পরিণাম আশীর্বাদ।

আমরা অনেক শক্তি মান কিন্তু আসল সত্যকে যেন কখনই ভুলি না,

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অস্ত্র হোল করুণা,

করুণাস্ত্রের সমান কোন অস্ত্রই হয়না।

অনেকেই বলেন ভগবান মানেন না,

আসলে ভগবান কে ছেড়ে কেউ বাঁচতে পারে না। তারা ভগবান অর্থই জানেনা,

 ভগবান::---

★ভ::--অর্থ::--ভুমি--মাটি,

★গ::--অর্থ::--গগণ--আকাশ,

★বা::-অর্থ::--বায়ু--বাতাস,

★আ::--অর্থ::--আগুন--অগ্নি,

★ন::----অর্থ::--নীর--জল,

এই পঞ্চতত্ত্বেই আমাদের দেহ গড়া,

 মানুষ বাঁচেনা এইপঞ্চ তত্ত্ব ছাড়া।

দেহ/শরীর মানেই পঞ্চতত্ত্বে গড়া।

=========================


13/5/25 হাঁটু ব্যথা::---

   13/5/25 হাঁটু ব্যথা::---



ব্যাথা, হাটু ব্যথার জন্য বায়কেমিক

RHEUMALIN Forte ₹160/- Bio 

========================

রাম বান:-হাঠু ব্যথার ++ সর্দি, জ্বর, গাব্যথা



★1>শ্রেষ্ঠ ব্যথার ঔষধ::---(ইউনানী)

  সিরিষার তেল2tsp + জায়ফল 1tsp+ হলুদ গুঁড়ো 1tsp।

প্রথমে জায়ফলকে ভালো করে গুঁড়ো করে নিতে হবে (ব্লেন্ডারে)।

হাকলা আঁচে সিরিষার তেল গরম করতে হবে, তেল গরম হলে তাতে জায়ফল দিয়ে ভালোকরে হালকা আঁচে গরম করতে হবে। সম্পূর্ণটা ভালোকরে গরম হলে তাতে গলুদের গুঁড়ো মেশাতে হবে।

এবার আঁচ থেকে নাবিয়ে হালকা গরম গরম ব্যথার জায়গাতে হালকা হাতে বেশ কিছুক্ষণ মালিশ করতে হবে।

★{সম্পুর্ন প্রক্রিয়া হালকা আঁচে করতে হবে, বেশি আঁচ দিলে খারাব হবে}

=========================

★2> সর্দি, কাশি, জ্বর,গাব্যাথা, ম্যাজ ম্যাজ ভাব----রাম বান----


গোলমরিচ--15/20 টি

লবঙ্গ------15/20 টি

দারুচিনি--1.5" ইঞ্চি

এবার হাকলা আঁচে এগুলি গরম করে

একটু দানাদার গুঁড়ো করতে হবে।


এবার 2"কাঁচা আদা একটু হালকা গরম করে , গ্রেড করে রস বেরকরে নিতে হবে।

 1 চামচ আদর রসে + 1চামচ মধু+ এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো+এক চিমটি পিঙ্কসল্ট মিশিয়ে, গুঁড়ো করে রাখা মশলার সাথে মিশিয়ে নিলেই হয়ে যাবে রামাবান ঔষধ।


খেতে হবে 1 চামচ::---

সকালে খালিপেটে ব্রেকফাস্টের আধাঘন্টা আগে।

এবং রাত্রে শোবার আগে একচামচ খেয়ে একটু উষ্ণ গরম জল খেতে হবে।

==========================


আধা চামচ মেথি দানা এককাপ জলে রাত ভর ভিজিয়ে সকালে খালিপেটে খেতে হবে 

মেথি দানা চিবিয়ে খেয়ে ,ভেজান জল টুকুও খেয়ে নিতে হবে।


 হাঁটু ব্যাথা, কোমর ব্যথা এবং নানা রোভার6 মহৌষধ।

°=======================

13/5/25 शुभ शनिवार ++

       13/5/25  शुभ शनिवार ++


    शुभ शनिवार।।

 जय हनुमान।।    जय शनिदेव।।


आपकी सभी मनोरथ हनुमान जी पूर्ण करे।

एवं शनिदेव महाराज आपकी एवं आपके परिवार की सारे कष्टों को दूर करें।।

इसी मङ्गल कामना के साथ शनिवार शुबह की   आप सभी को हार्दिक शुभकामनाएं।।


  ।। हार्दिक शुभ मङ्गल कामनाएं।।

=====================


पोता= নাতি= grandson

जनेऊ=यज्ञोपवीत संस्कार की समारोह।


On the next April three will be

Sacred thread occasion of my grand son. 

At my own premises.

I am waiting for your arrival and I will be very happy in your  

presence.

So I desire your persence



यह समाचार आपकी जानकारी के लिए,

 अगले अप्रैल (April 2025) को  संभवतः,

मेरे पोते का यज्ञोपवीत संस्कार (जनेऊ) की समारोह होने की सम्भवना (तथा जनेऊ समारोह) होनेकी सम्भवना है मेरा अपने ही परिसर में।

मेरा इच्छा हैं कि आप जरूर उपस्थित होकर 

समारोह की शोभा बर्धन करे।

मैं आपके आगमन की प्रतीक्षा कर रहा हूँ एबं

आपकी उपस्थिति से बहुत प्रसन्न होंगे.

इसलिए मैं आपकी उपस्थिति चाहता हूं।

(समय एबं तारीख की जानकारी बादमे दिए जाएंगे )

================++++====



13/5/25 “আমি কে?”

     13/5/25  “আমি কে?”


প্রশ্ন কেবল একটাই -- 

জানতে চাই এই টুকু – “আমি কে?”

রাতদিন এই প্রশ্ন করি। 

নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করি।

তবুও ভাবি--কে --এই নিজে টা-- কে

কে  এই নিজে, কাকে প্রশ্ন করি????

এই ভাবনার পাইনা কুলকিনারা।


যে কাজ, যে চিন্তা, যে অনুভব – যার মধ্যে দিয়েই যাই, 

মন বলে সেই মুহূর্তকে ভেসে যেতে দিও না, নিজেও ভেসে যেও না। প্রশ্ন করো – “কে চিন্তা করছে?”

কে অনুভব করছে?”

কে দুশ্চিন্তা করছে?”

কে সংশয়ে ভুগছে?”

কে প্রশ্ন করছে?”


করো সর্বদা কিছু করো। চেষ্টা করো।

থেমে থাকছি না।

অবশ্য থেমে থাকা যায়না।

কর্ম না করে কেউ এক মুহূর্ত ও থাকতে পারে না।

মন বলছিলো, তাই মনের কথা 

শুনেছিলাম।


  দীক্ষা নিয়েছিলাম, গুরুও করেছিলাম 

অনেক বার । যাকে যখন ভালো লেগেছিলো তাকেই গুরু করেছিলাম।

জপ ধ্যান, মন্ত্র তন্ত্র অনেক শিখেছিলাম।

অনেক অভ্যাসও করেছিলাম।

অনেক মানুষের অনেক উপকার করতে চেষ্টা করেছিলাম। বেশ কিছু মানুষ উপকৃত হয়েছে। দুইএকজনের বেলায় অকৃতকার্য ও হয়েছি।

অকৃত কার্যতার কারণও বুঝতে পেরেছি।

যাদের মনে ছিল সামান্য তমও সংশয় তারাই রইলো অসহায়।

তাদের মনে ছিলনা বিশ্বাস তাই তারা আজও ভুগছে হতাশায়।

বহু বৎসর পরে শ্রেদ্ধেয় এক মহান গুরুর নির্দেশে  সকল কিছুই  বিসর্জন দিয়ে মুক্ত হয়ে ছিলাম।

আবার নুতন করে দীক্ষা নিলাম।

খানিক মন শান্ত হোল।

পার্থিব যা চাইলাম সবই পেলাম।

আনন্দ ফুর্তি সাংসারিক সকল কিছুই পেলাম।

কিন্তু মনের শান্তি কোথাও পেলাম না।

তাই আজ প্রশ্ন করছি ।

এই শরীর কে প্রশ্ন করছি , মনকে প্রশ্ন করছি। কে আমি? কে আমি?

এই জগতে কি কাজ আমার।

কেন আমি জন্মালাম।

জন্ম জখন  হয়েছে , উদ্যেশ্য নিশ্চিত কিছু আছে।

উদ্যেশ্য ছাড়া কিছুই উদ্ভব হয় না।

তবে আমি কে?

কি আমার উদ্যেশ্য?

কেন আমাকে আনা হয়েছে?

জন্ম থেকে আজ 74 বৎসর, কিছুইতো কিরিনি। শুধু নিজের চিন্তাই কিরেছি।

নিজের চাওয়াই চেয়েছি।

যখন চেয়ে ছিলাম, তখন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। আজ বুঝতে পারছি সেদিনের সে চাওয়া আর পাওয়া সকলি বৃথা।

সকলি সামহিক সুখ। সেই সামহিক সুখই আজ দুঃখের কারণ।

অতএব বুঝিনা সুখ কি কেন , সুখের জন্য এতো পরিশ্রম ?

আসলে এখন বুঝতে পারছি, যে

"আমি"-- বলে কিছুই নাই এই ধরিত্রীর মাঝে।

"আমি"--শুধুই এক অহঙ্কার।

"আমি"--অহঙ্কারেই জীবনের ব্যর্থতা।

তাইতো ভাবনা এই আমি যদি অহঙ্কার হয় তবে এই আমি কে?

এই শরীর টা, কি মন টা, কি  বোধটা, কি চিন্তা টা,-- আমি কোনটা???

আজ আমি, আমাকে-- "আমি"-কে খুঁজতেই ব্যর্থ আমি।

ব্যর্থতাই বুঝি আষ্টে পিষ্টে ঘিরে আছে।

শরীর, মন, বুদ্ধি, সকল কে, জর্জরিত করছে দিবা-রাত্র।

ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই পাইনি জীবনে।

যাকে একদিন সুখ বলে ভাবতাম 

সেও নিতান্ত ব্যর্থতা।

ব্যর্থতায় পূর্ন জীবনে,

সবকিছু হারিয়ে-- খুঁজে মরি নিজেকে,

আর--কিছু খুঁজলেই দেখি অন্ধকার,

অন্ধকারের পরেই আছে আলোর ঝলক।

কিন্তু এই অন্ধকার পার করতে পারলেই হয়তো আলোর দেখা পাবো, এমনিই সকলে বলে।

কে জানে আর কতদিন ঘুরবো আমি 'চোখ বাঁধা কলুর বলদের মতন।'

এখন তো দেখি চারিদিকে অন্ধকার,

জপ ধ্যান বাড়িয়ে ছিলাম,

তবে এখন আর করিনা---- কি হবে ওসব করে।

অন্ধকার পার হবে কি করে,

সে-ই ভাবনাতেই দিন কাটে।










13/5/25 || মুখরা ||

    13/5/25 ||  মুখরা  ||


মুখরা শব্দটির অর্থ হলো বাচাল /কটুভাষী/ অতিভাষী।


কিছু মানুষ, স্ত্রী পুরুষ উভয়ই আছেন

যারা অতিভাষী।

তারা নিজেকে  নিজে সত্যবাচক ভাবে,

আসলে তারা নিজেকে ভুল ভাবে চেনে।

তারা একটি কার্যে অতিশয় পটু,

সদাই অন্যকে অপমান করতে পটু।


যেই হোক না কেন,সম্মুখের মানুষটি,

কথার জালে অপমান করবে ঝটিতি।

ভাববেনা একবার কি বলছে ভাষা তার,

তিনি স্বগর্ভে বলবে কুকথা বার বার।


সম্মুখের মানুষটি হয়তো স্বজ্জন, 

তথাপি তিনি তার করেন অপমান।

আসলে তিন বুঝতে চাননা মান অপমান,

তাই অবহেলায় করেন অপমান।


দোষ তার নয়, দোষ স্বভাবের কারণ,

সে বুঝবে না নিজের আহঙ্কাকের কারণ




13/5/25|| ভুঁড়ি কমাতে::--

   13/5/25||  ভুঁড়ি কমাতে::--


এতদিনে ভুঁড়ি কমাবার উপায় বুঝলাম,

যে কোন উপায়ে খাওয়া কমাতে হবে।

বিশেষ করে ভাত খাওয়া কমাতে হবে।

একটু বেশি পিরিশ্রম করতে হবে।

হাটতে হবে, পাগলের মতন হাটতে হবে।

কারণ বুঝেছি::---

আমি যা খাচ্ছি সবটাই চর্বি হয়ে জমা হয়েছে, পরিশ্রম করছিনা তাই ক্যালোরি বার্ন হচ্ছে না। সেই কারণে পেটে চর্বি জমছে, ভুঁড়ি বাড়ছে।

একে কমাতেই হবে। যে কোন মূল্যে খাওয়া কমিয়ে বেশি করে হেঁটে চর্বি তথা ক্যালোরি বার্ন করতেই হবে।

13/5/25 MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।

 13/5/25 MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।


Dance=Miha=সুপ্রিয়া ম্যাম

সোম--মঙ্গল--শুক্র।


Sunday-- শ্রেয়া ম্যাম at 11.30 am যেতে হয়।  সাম্য বা অন্তরা নিয়ে যায়।


সুপ্রিয়া ম্যাম== সোম--মঙ্গল--শুক্র।

Monday,-যেতে হবে, Time----??

Tuesday--on line Time----??

Friday--যেতে হবে।Time----??


MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।


অনুপমা  near HALDIRAM

ANUPAMA HOUSING COMPLEX

  28D/2

BHASKAR  DATTA  GUPTA

SUPRIYA  DTTAGUPTA


 UTTARAN  HOUSIMG SOCIETY Ltd


    5 pm

 Class start 6.45 pm to 7.55 pm

===================

অরিন্দম---

Shelli=WB 26S 1648

======================

◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆



13/5/25 বাংলা == English

 13/5/25 বাংলা == English 


    সংগৃহীত ==সঙ্কলিত= সংগ্রহ করা হইয়াছে এমন।


সংগ্রহ, সংগ্রহণ= একত্রীকরণ, আরহণ,

সংগৃহীত শব্দের সমার্থক শব্দ: আহৃত,


সঙ্কলন= সংগ্ৰহ (রচনা- সঙ্কলন), মিলন,

একত্রীকরণ, (কবিতাসংগ্রহ), চয়ন,সঞ্চয়,

আদায়,


সঙ্কলক, সঙ্কলয়িতা=সঙ্কলনকারী।


সঙ্কলিত= সঙ্কলন করা  হইয়াছে এমন

সংগ্রহ শব্দের অর্থ: আহরণ, সঙ্কলন, একত্রীকরণ, চয়ন, সঞ্চয়. 



দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang

Mosha=मोक्षा

-----ত্--------ম্---তন্----ন্---

কিছু লিখতে == অ্যা

চার Four

চল্লিশ Forty

rupees


Rs Eighty thousand only


Rs Forty thousand only


Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.


But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)

_________________________


Dh=ধ, ড ,ডঃ, ঢ,ঢে, ধ ধ,ধরে, ধ্বংস, ধ্,, দ্য, দ্রঃ, ধ


সুপ্রযুক্ত== বাংলা অর্থ


যথাযথভাবে বা সঠিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করা হয়েছে এমন।


সংগৃহীত /বিশেষণ পদ/ সংগ্রহ করা হয়েছে এমন, আহৃত, সঙ্কলিত।


প্রণিপাত= প্রনাম, সাষ্টাঙ্গ প্রণাম


 উদ্‌ঘাটন / উদ্ঘাটন


----------  দ্‌


 =------- ক্ ---

 "দুর্গা'= দয়ে রশুকার =বানান এটিই সঠিক বানান। এটিই সঠিক বানান।


পূজা::---ঠিক।


দূর্বা= দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দূর=দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দুর্গা=


দুর্গ -শব্দের স্ত্রীলিগে- দুর্গা,


দূর-গম্ +অ =দুর্গ,F


দূর-গম্ +অ+আ =দুর্গা।


গিরীশ  এবং গিরিশ::---


গিরিশ=গিরৌ শেতে যঃ সঃ= গিরিশঃ (শিবঃ)


গিরীশ=গিরীণাম্ ঈশঃ= সমগ্রপর্বতের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ তিনি গিরীশ অর্থাৎ হিমালয়


======================

পরা’ আর ‘পড়া’=


 কিন্তু ‘পরা’ আর ‘পড়া’ এক নয়।


কোনো কিছু পরিধান করা অর্থে ‘পরা’ এবং বাকি সব ক্ষেত্রে ‘পড়া’। 

■■■■■■■■■■■■■■■■■■

কলকাতা =লিখিত রূপ


কোলকাটা= উচ্চারণ রূপ।

===================


That---->ঐ, উহা।


Their---->তাদের


Theirs---->তাদেরই


Thence---->সেইথেকে, সেই সময় থেকে।


Thenceforth---->সেই সময় থেকে,


Thenceforward--->তার পর থেকে,


                                    অতঃ পর।


There---->সেখানে, ওখানে।


Thereafter---->তারপর, তদনুযায়ী।


Thereby---->তারফলে, তদ্দারা।


Therefore---->সেইজন্য,  অতএব।


Therefrom---->সেখানথেকে।সেই থেকে।


Therein---->তাতে, তার মধ্যে।


There upon---->তাতে, তদুপরি।


Us---->আমাদিগকে।


Usual---->সাধারণ, প্রথগত।


Utter---->উচ্চারণ করা, প্রকাশ করা।


Our---->আমাদের।


========================


বাংলা লেখার জন্য 


Play store ( google indic )


দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang


Mosha=मोक्षा


 ------ত্--------ম্---


কিছু লিখতে == অ্যা


চার Four


চল্লিশ Forty


rupees


Rs Eighty thousand only


Rs Forty thousand only


Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.


But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)


===================

পশুর অধম ; পশুর চেয়েও নীচ, বা অপকৃষ্ট ;   পশ্বাধম


অপকৃষ্ট   /বিশেষণ পদ/ নিকৃষ্ট, হীন, জঘণ্য, অবনতিপ্রাপ্ত। /অপ+কৃষ+ত/।


======================

কৃতজ্ঞতা Gratitude


কৃতজ্ঞতা


gratitude, thanks, thankfulness, gratefulness


কৃতজ্ঞতাবোধ


gratitude


ভগবদ্গীতায় উল্লিখিত মনের বিকার বা

ষড়রিপু গুলি::--

কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মৎসার্য


হিন্দু ধর্মতত্ত্বে, অরিষদবর্গা বা ষড্রিপু 

( সংস্কৃত : षड्रिपु ; অর্থ ছয় শত্রু) হল মনের ছয়টি শত্রু, যা হল: কাম (কামনা/লালসা),ক্রোধ (ক্রোধ), লোভ (লোভ), মদ (অহং), মোহ (সংযুক্তি), এবং মতসার্য (ঈর্ষা) অতিরিক্ত আলস্য (অলস)।


ষড়রিপু বা ষড়্ রিপু বা অরিশদবর্গ হল হিন্দুধর্ম মতে মানব মনের ছয়টি শত্রু। এগুলো হল - কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। শব্দটি সংস্কৃত “ষট্”-এর সাথে ‘রিপু’ যুক্ত হয়ে গঠিত। ষড়রিপুর নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য মানুষকে মোক্ষ লাভে বাধা প্রদান করে। ষড় রিপু যিনি নিগ্ৰহ বা দমন করেন তিনি হলেন ষন্নিগ্রহী।


কাম=অর্থ (কামনা), 


ক্রোধ=অর্থ (রাগ), 


লোভা=অর্থ (লিপ্সা), 


মোহ=অর্থ (গভীর মানসিক সংযুক্তি, মূর্খতা), 


মদ=অর্থ (অহংকার, উন্মাদনা) 


এবং


মতসার্য=অর্থ (হিংসা) এবং 


=======================

বানান   ন  কার//  ণ  কার।


ঠিক--------ভুল


মুণ্ড ok-------মুন্ড ×-ভুল


দন্ত ok---- মুর্ধ্যন হবে না


পণ্ডিত ok---পন্ডিত× (ন ভুল)


চিন্তা ok------ন ok হবে  (ণ ভুল)


ট--ঠ--ড---ঢ----ণ এদের মাথায়(ণ ) হবে।

ত--থ---দ---ধ---ন এদের মাথায়(ন) হবে।


==========================

খোঁজা===সন্ধান করা, অন্বেষণ করা।


খোজা===নপুংসক, পুরুষত্বহীন।

==========================

বাংলা  == English


সুপ্রযুক্ত== বাংলা অর্থ

যথাযথভাবে বা সঠিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করা হয়েছে এমন।


সংগৃহীত /বিশেষণ পদ/ সংগ্রহ করা হয়েছে এমন, আহৃত, সঙ্কলিত।


প্রণিপাত= প্রনাম, সাষ্টাঙ্গ প্রণাম


উদ্‌ঘাটন / উদ্ঘাটন

----------  দ্‌

=------- ক্ ---

মদ্যং মাংসং তথা মৎস্যং


ত্বং

হেতুঃ

"দুর্গা'= দয়ে রশুকার =বানান এটিই সঠিক বানান। এটিই সঠিক বানান।

পূজা::---ঠিক।

দূর্বা= দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।

দূর=দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দুর্গা=

দুর্গ -শব্দের স্ত্রীলিগে- দুর্গা,

দূর-গম্ +অ =দুর্গ,

দূর-গম্ +অ+আ =দুর্গা।


গিরীশ  এবং গিরিশ::---

গিরিশ=গিরৌ শেতে যঃ সঃ= গিরিশঃ (শিবঃ)


গিরীশ=গিরীণাম্ ঈশঃ= সমগ্রপর্বতের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ তিনি গিরীশ অর্থাৎ হিমালয়

======================


পরা’ আর ‘পড়া’=

কিন্তু ‘পরা’ আর ‘পড়া’ এক নয়।

কোনো কিছু পরিধান করা অর্থে ‘পরা’ এবং বাকি সব ক্ষেত্রে ‘পড়া’।


■■■■■■■■■■■■■■■■■■

কলকাতা =লিখিত রূপ

কোলকাটা= উচ্চারণ রূপ।

===================


That---->ঐ, উহা।

Their---->তাদের

Theirs---->তাদেরই

Thence---->সেইথেকে, সেই সময় থেকে।

Thenceforth---->সেই সময় থেকে,

Thenceforward--->তার পর থেকে,

                                    অতঃ পর।


There---->সেখানে, ওখানে।

Thereafter---->তারপর, তদনুযায়ী।

Thereby---->তারফলে, তদ্দারা।

Therefore---->সেইজন্য,  অতএব।

Therefrom---->সেখানথেকে। সেই

                            থেকে।

Therein---->তাতে, তার মধ্যে।

There upon---->তাতে, তদুপরি।


Us---->আমাদিগকে।

Usual---->সাধারণ, প্রথগত।

Utter---->উচ্চারণ করা, প্রকাশ করা।

Our---->আমাদের।

========================


বাংলা লেখার জন্য

Play store ( google indic )


দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang

Mosha=मोक्षा

------ত্--------ম্---

কিছু লিখতে == অ্যা


চার Four

চল্লিশ Forty

rupees

Rs Eighty thousand only

Rs Forty thousand only

Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.

But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)

===================

পশুর অধম ; পশুর চেয়েও নীচ, বা অপকৃষ্ট ;   পশ্বাধম


অপকৃষ্ট   /বিশেষণ পদ/ নিকৃষ্ট, হীন, জঘণ্য, অবনতিপ্রাপ্ত। /অপ+কৃষ+ত/।

======================


কৃতজ্ঞতা Gratitude


কৃতজ্ঞতা

gratitude, thanks, thankfulness, gratefulness

কৃতজ্ঞতাবোধ

gratitude

=======================


বানান   ন  কার//  ণ  কার।


ঠিক--------ভুল

মুণ্ড ok-------মুন্ড ×-ভুল

দন্ত ok---- মুর্ধ্যন হবে না

পণ্ডিত ok---পন্ডিত× (ন ভুল)

চিন্তা ok------ন ok হবে  (ণ ভুল)


ট--ঠ--ড---ঢ----ণ এদের মাথায়(ণ ) হবে।


ত--থ---দ---ধ---ন এদের মাথায়(ন) হবে।

==========================

খোঁজো===সন্ধান করা, অন্বেষণ করা।

খোজা===নপুংসক, পুরুষত্বহীন।

=========================

◆◆◆◆◆●●●●●●●●●●●●●●

पोता= নাতি= grandson

जनेऊ=यज्ञोपवीत संस्कार की समारोह।


পান্তা ভাত:-->Fermented rice

চিড়া---------->Flattened rice

খৈ---------:-->Popped rice

ভাত---------->Boiled rice

মুড়ি----------->Puffed rice.

11/5/25 jhum+sabita

 11/5/25 jhum+sabita


Jhum= 11/5/25=200×28=5600pk to an org. For ◆◆


【সবিতা 5 X 83==200×16】

13/5/25সৎ পুদিনা+সৎ আজোয়াইন+ সৎ কপ্পুর

 সৎ পুদিনা+সৎ আজোয়াইন+ সৎ কপ্পুর

    13/05/2025


অমৃতধারা তৈরি করতে ভোজ্য কর্পূর (দেশি কর্পূর), মেন্থল স্ফটিক (পুদিনা ফুলের এক রূপ) এবং থাইমল স্ফটিক (জোয়ান ফুলের এক রূপ) ব্যবহার করা হয়। এই উপাদানগুলি সমান পরিমাণে নিয়ে একটি ছোট কাঁচের  বোতলে মিশিয়ে রাখতে হয়। মিশ্রণটি তৈরি করার পরে, বোতলটি দ্রুত বন্ধ করে দিতে হবে, নাহলে বাষ্পীভূত হয়ে যেতে পারে। 

অমৃতধারার ব্যবহার:

সর্দি ও কাশির জন্য: একটি পরিষ্কার রুমাল বা কাপড়ে ২-৩ ফোঁটা অমৃতধারা ঢেলে নিন। 

মাথাব্যথার জন্য: অমৃতধারা ব্যবহার করে মাথাব্যথা উপশম করা যায়। 


Tuesday, April 1, 2025

আলমবাজার (খাটু শ্যাম)

 আলমবাজার  (খাটু শ্যাম)

আলমবাজার শ্যাম মন্দির (খাটু শ্যাম)
Shree Shyam Mandir Alambazar
(খাটু/খাতু শ্যাম জীর মন্দির)

113, Surya Sen Rd, Alambazar, Ashokgarh, Kolkata, Baranagar, West Bengal 700035
098311 95501

২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর পালিত হয় খাতু শ্যাম জন্মোৎসব, করুণাময় দেবতা খাতু শ্যামের সম্মানে। কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি ভীমের পৌত্র বর্বরিকের পুনর্জন্ম, যিনি কৃষ্ণের নির্দেশে অন্তহীন যুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য নিজের মাথা উৎসর্গ করেছিলেন। কৃষ্ণ বর্বরিককে অমরত্ব এবং ভক্তদের ইচ্ছা পূরণের শক্তি দিয়ে আশীর্বাদ করেছিলেন, যা তাকে বিশেষ করে কলিযুগে একজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল
হিন্দু চন্দ্র ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ১১ তম তিথিতে অর্থাৎ শুক্লএকাদশী তিথিতে খাতু শ্যাম জন্মোৎসব পালিত হয়।
এই বছর, এটি ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর।

খাতু বা খাটু শ্যাম, যাকে  ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, ভক্তদের হৃদয়ে, বিশেষ করে উত্তর ভারতে, এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন। তিনি করুণা, ত্যাগ এবং অলৌকিক আশীর্বাদের দেবতা হিসেবে সম্মানিত। তাঁর প্রধান মন্দির রাজস্থানের সিকার জেলার খাটু গ্রামে অবস্থিত এবং সারা দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এখানে আসেন।

কিংবদন্তি অনুসারে, খাতু শ্যাম হলেন পাণ্ডব ভ্রাতৃগণের একজন ভীমের পৌত্র এবং ঘটোৎকচ্চের পুত্র বর্বরিকের পুনর্জন্ম। বাবরিক ছোটবেলা থেকেই একজন ব্যতিক্রমী যোদ্ধা ছিলেন। তিনি "তিন বান ধারী" উপাধিও অর্জন করেছিলেন, যার অর্থ "তিনটি তীর বহনকারী", যা তিনি ভগবান শিবের কাছ থেকে অর্জন করেছিলেন। প্রতিটি তীরের মধ্যে ঐশ্বরিক শক্তি ছিল - একটি লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে পারত, দ্বিতীয়টি শত্রুদের থেকে মিত্রদের সনাক্ত করতে পারত এবং তৃতীয়টি সমস্ত চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করত।

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের আগে, একজন ধর্মপ্রাণ ক্ষত্রিয় হিসেবে, বর্বরিকের কাছে তার দুর্বল বলে মনে হওয়া পক্ষের পক্ষে লড়াই করার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। পাণ্ডবদের উপদেষ্টা ভগবান কৃষ্ণ,  বর্বরিকের ক্ষমতা এবং শক্তি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। তিনি
বর্বরিকের পরীক্ষা করেছিলেন এবং পরে তার আসল রূপ প্রকাশ করেছিলেন, বর্বরিকের প্রতিজ্ঞার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে। কৃষ্ণ বুঝতে পেরেছিলেন যে বর্বরিকের আনুগত্য ক্রমাগত পরিবর্তিত হবে কে হেরে যাচ্ছে তার উপর নির্ভর করে, যা বিপরীতভাবে একটি অন্তহীন চক্রের দিকে পরিচালিত করবে এবং সম্ভাব্যভাবে সমস্ত শক্তির ধ্বংসের দিকে পরিচালিত করবে।
====================

খাটু শ্যাম কলিযুগে পুজিত বিখ্যাত দেবতা। খাটূু শ্যাম মহাভারতের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।কীভাবে বর্বরিক প্রভু খাটু শ্যাম হলেন::--

বাবা খাটূু শ্যামের প্রতি ভক্তদের মধ্যে রয়েছে গভীর বিশ্বাস। তিনিই কলিযুগের অন্যতম পুজিত ঈশ্বর, যাঁর মহিমা অতুলনীয়। রাজস্থানে বাবা খাটূু শ্যামের একটি বিশাল এবং বিখ্যাত মন্দির রয়েছে। জেনে নিন বাবা খাটু শ্যামের মহিমা।

প্রতি বছর কার্তিম মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে ভগবান খাটূু শ্যামের জন্মদিন পালন করা হয়। খাটূু শ্যাম এর জন্মদিনে বিশেষ পুজো করা হয়, নৈবেদ্য দেওয়া হয় এবং তাকে ফুল দিয়ে সজ্জিত করা হয়। এদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে বাবা খাটূু শ্যামের দর্শন পেতে।

খাটূু শ্যাম ছিলেন বর্বরিক, যিনি আজ খাটূু শ্যাম নামে পরিচিত। তিনি মহাভারতের যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। বর্বরিক খুব শক্তিশালী ছিল। এতটাই যে মহাভারতের যুদ্ধও তার একটি তীর দিয়ে শেষ হয়ে যেতে পারে। ভগবান শ্রী কৃষ্ণ তাঁর শক্তি ও প্রতিভায় অত্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন এবং কৃষ্ণের কাছ থেকেই তিনি কলিযুগে পুজিত হওয়ার বর পেয়েছিলেন।

যেভাবে বর্বরিক হলেন প্রভু খাটূু শ্যাম: বর্বরিক ছিলেন ঘটোৎকচের পুত্র এবং তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিলেন। তিনি দেবী দুর্গার একজন মহান ভক্ত ছিলেন এবং দেবীর কাছ থেকে ৩ টি ঐশ্বরিক তীর পেয়েছিলেন। মহাভারতের যুদ্ধের সময়, বারবারিক প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে এই যুদ্ধে যেই পরাজিত হবে সে তার পক্ষে যুদ্ধ করবে। কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ ভালো করেই জানতেন যে বারবারিক যুদ্ধক্ষেত্রে এলে পাণ্ডবদের পরাজয় নিশ্চিত।

এমতাবস্থায় শ্রীকৃষ্ণ ব্রাহ্মণের রূপ ধারণ করে বারবারিককে থামানোর চেষ্টা করেন। ব্রাহ্মণের রূপ ধারণ করে কৃষ্ণ বারবারিক এর মস্তক উপহার হিসেবে চাইলেন। তিনি এমন দান চাইতেই বারবারিক বুঝতে পারলেন যে তিনি সাধারণ ব্রাহ্মণ নন। বারবারিক তাকে তার আসল রূপে আসতে বললেন। এরপর শ্রীকৃষ্ণ বারবারিকের কাছে দেখা দিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে বারবারিক খুশি হয়ে তার মস্তক দান করলেন। শ্রীকৃষ্ণ বারবারিকের ভক্তি ও ত্যাগে অত্যন্ত প্রসন্ন হয়ে বর দিলেন যে, কলিযুগে তুমি শ্যাম নামে পুজিত হবে। যারা তোমার পুজো অর্চনা করবে তাদের সকল ইচ্ছা পূরণ হবে।
===========================
 

Tuesday, January 28, 2025

| নাগা মহিলা, নাগা হবার প্রক্রিয়া ||

    ||  নাগা মহিলা, নাগা হবার প্রক্রিয়া  ||

           এক নাগা সন্যাশিনীর মুখথেকে শোনা কথাই লিখছি-----

2001 সালের 9 জানুয়ারি থেকে 21ফেব্রুয়ারি  প্রয়াগে কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 

এই মেলাটি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে গঙ্গা, যমুনা, এবং সরস্বতী নদীর মিলনস্থলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। 

প্রয়াগে কুম্ভ মেলা 2001-এর বিশেষত্ব: 

এই মেলাটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গ্রহের সারিবদ্ধতার সাথে মিলেছিল।

এই মেলাটি সহস্রাব্দে প্রথম ছিল।

এই মেলায় প্রায় 70 মিলিয়ন দর্শনার্থী আসে।

এই মেলায় স্বামী সত্যানন্দ মকর সংক্রান্তি এবং মৌনী অমাবস্যায় সঙ্গমে পবিত্র ডুব দেন।

এই মেলায় এক নাগা সন্যাশিনীর সাথে অনেক আলাপ আলোচনার সুযোগ হয়েছিল । 

আজ আমি সেই কথার কিছু তুলে ধরছি।

বাকি কিছু কথা বলা বা লেখার নিষেধ আছে।

যেটুকু মনে আছে সেটুকুই লিখছি:::-------


মহিলা দের নাগা সাধু হবার জন্য বড়ই কঠিন পথ ও কঠিন নিয়ম পালন করতে হয়।

অতি ভীষণ ব্রহ্মচর্য পালন  করতে হয়।

গুরুজীর নিকট নিজের যোগ্যতার প্রমান তথা ঈশ্বরের প্রতি একাত্মতা ও নিষ্ঠার পরীক্ষা দিতে হয়।

এই সকল প্রক্রিয়ায় 10- থেকে 15 বৎসর লেগে যায়।

মহিলা নাগা সাধু হবার জন্য 10 বৎসর বা তার অধিক সময় ব্রহ্মচর্য পালন করতে হয়। মহিলা নাগা সাধু হবার প্রক্রিয়া এমন কঠিন প্রক্রিয়া যে অনেক জনই মাঝ পথে সাধনা ত্যাগ দিয়ে গার্হস্থ্য জবনে ফিরে যায়। কারন এমন কঠিন সাধনা করা সকলে দ্বারা সম্ভব হয় না।

মহিলা নাগাসাধু  সাধারণত লোকচক্ষুর আড়ালে বনে জঙ্গলে বা নিজের আখড়াতেই থাকেন। কুম্ভ বা মহাকুম্ভে সময় এনদের  দেখাযায় কুম্ভ মেলায়। মহিলা নাগা সাধু হতে নিজের শ্রাদ্ধ , নিজের পিন্ড দান  ও মস্তক মুন্ডন করতে হয়। নিজেকে সম্পুর্ন রূপে ঈশ্বরের নিকট সমর্পণ  করতে হয়।

প্ৰয়াগরাজে মহাকুম্ভ শুরু হতেই মহিলা নাগা সাধুদের নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থার প্রস্তুতি ছিল। মহাকুম্ভে মহিলানাগা সাধু বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিলেন।এবার অনুমান  হাজারেরও বেশি নাগা সন্যাশিনীর দীক্ষা অনুষ্ঠান হয়েছে। তবে  জুনা আখরাতেই মহিলানাগাসাধুর সংখ্যা সর্বাধিক। মহিলা নাগা সাধু হতে বড়ই কঠিন প্রক্রিয়া পার করতে হয়।

মহিলা নাগাসাধুদের 'নাগিন', 'অবধুত', 'মাই' ইত্যাদি নামে অভিহিত করা হয়।

অবধূতনিকেই শ্রীমহান্তের পদ দেওয়া হয়।

জুনা আখড়া 2013 সালে মাইওয়ারা কে

দোষনামি সন্যাশিনীর আখড়া হিসাবে মান্যতা প্রদান করা হয়। এনদের শিবির জুনা আখড়া শিবিরের ঠিক পাশেই রাখা হয় থাকে।

মাই অথবা অবধুতনীদের আখরা' থেকেই 'শ্রীমহন্তের' পদ প্ৰদান করা হয়।

'শ্রীমহন্তের' পদে নির্বাচিত সাধ্বী মহিলা সাধু শাহী স্নানের দিন পালকি চড়েই স্নানে যান নিজের আখড়ার ধ্বজা উঁচিয়ে, ডঙ্কা

বাজিয়ে সদলবলে।এমনটাই অনুমদন করা হয়।

নাগা সন্যাশিনীর হবার জন্য ভিষিন কঠিন প্রক্রিয়া পার করতে হয়।

মহিলার ঘর-পরিবারের ভীষণ ভাবে যাচাই করা হয়। তারপরে তাকে প্রমান দিতে হবে যে তিনি সকল মোহ মায়া ত্যাগ করতে সক্ষম। এভাবে ব্রহ্মচর্য পসলনে ব্রতী হয়ে , সকল পরীক্ষা নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর গুরু নিজে সন্তুষ্টির পরে সন্যাস ব্রত পালনের আদেশ দেন।

তার পরে নিজের শ্রাদ্ধ, নিজের পিন্ড দান,  মুন্ডনের ও নদী স্নান করে নিজের সকল বস্ত্র ত্যাগ করে গুরুজীর দেওয়া ভুভুত ও গেরুয়া এক বস্ত্রেই নিজের দেহ আবরণ করতে হয় এবং এর পরে দীক্ষা দেওয়া হয়। ভুভুত সারা অঙ্গে লেপন করে এক বস্ত্রেই থাকতে হয়। স্নানাদি ওই এক বস্তের করতে হয়।

পিন্ড দানের পরে গুরুজী প্রথমে কমন্ডুল দেবেন , সেই কমন্ডুল নিয়ে সমস্ত দিন জপ ধ্যান  ও ব্রহ্মমুহূর্তে শিবের জপ মরতে হয় তারপরে আখড়ার গুরু তথা আখড়ার 

ইষ্টদেবের পূজা ও জপ ধ্যান করতে হয়।

এর পরেই গুরুজী নুতন শিষ্যার নামকরণ করে 'মাতাজী' নামে সম্মানিত করেন।


দীক্ষা দানের পূর্বে গুরুজী তিনবার জিজ্ঞাসা করেন যে তার কোন মায়া মোহ আছে কিনা এবং সে চলে এখনই নিজের গৃহে ফিরে যেতে পারেন।

এমন ভাবে তিনবার তার পরীক্ষা নেওয়া হয় যাতে করে তার মধ্যে কোন প্রকার কখন অনুশোচনার তিল মাত্র না থাকে,

এবং এই নুতন জীবন যেন দৃঢ়তার সাথে পালন করতে সক্ষম হন।

তবেই দীক্ষা দানের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

 ========================





Tuesday, January 21, 2025

27>|| जीवन मंगलमय हो,++HAPPY Anniversary--

 


जीवन मंगलमय हो,++HAPPY Anniversary--



आपके लिये भगवानसे यही मेरा प्रार्थना हैं::---


ईश्वरकी कृपासे  आपकी सभी मनोकामनाएं 

पूर्ण हों,

ईश्वर आपकी स्वास्थ, सुख और समृद्धि प्रोदान करें।

आपका हृदय सदा ही दुखोंसे मुक्त रहें,

आपका मन सदा ही चिन्ताओंसे मुक्त रहें,

आपका जीवन सदा हीं प्रसन्नताओंसे भरा रहें,

आपका जीवन सदा हीं रोग मुक्त रहें,

आपका हर पल शुभ सुंदर रहें,

परमेश्वर सदा के लीये आपका हृदय

सुख,शांति एबं खुशियोसे भरदें।

और भोलेनाथ की कृपा आप पर सदैव बनी रहें।



आपकी सपने सच हों,

सभी आशाएं पूरी हों।

सारे दुखों रहें दूर,

खुशिया रहे भरपूर।


मैं आपके लिए कामना करता हूं

आपकी जीवन मंगलमय हो,

===========================


HAPPY Anniversary--


.A happy wedding anniversary is the celebration lots of love, trust, partnership, tolerance and tenacity. ..."

"May God bless you to live as long as you wish and love as long as you live. ..."


"Sacrifice and compromise makes a family  Beauty, healthy, wealthy."

So try for Sacrifice yourself,

And Compromise in every steps of life,

Any where and every where.


Seeking something for self and

Seeking self enjoyment is most

selfishness.

Asking for others and loving others

That is true love.

  <--------Adyanath------->

            11/12/2023

=============================


26>|| আমি কোন লেখক নই। (লিখতে হবে)

 আমি কোন লেখক নই। (লিখতে হবে)

এ লেখা সবার জন্য নয় ৷  

লেখার নিয়ম কানুনও আমার জানানাই, জানতে চাইও না। কারণ আমি লিখি নিজের জন্য। নিজের সময় কাটাবার জন্য। 

তবে নিজে  বুঝি যে প্রতিটা লেখাই 

নিজের জীবনের সাথে জড়িত , কিছু সময়ের  জীবনদর্শন ৷ 

তার সাথে মিশে থাকে কিছু কথা, উত্থান, পতন, চাওয়া-পাওয়া, না পাওয়া, সুখ-দুঃখের "মাপা হাসি, চাপা কান্না ৷" 

কিছু লিখতে লিখতে হঠাৎ ঠাকুরের কথা মনে পড়লো ।

ঠাকুরের কথা বলতে গিয়ে একটা গল্প মনে পড়ে গেল,  "সেদিন ঠাকুর নিজের ঘরে একটা ঝুড়ি লুকোবার জন্য ভীষণ ব্যস্ত ৷ ঠিক সেই সময় ঠাকুরের কিছু ভক্ত সেখানে উপস্থিত হলেন ৷ ঠাকুর তাঁদের দেখে সেই ঝুড়িটি লুকোনোর জন্য ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন ৷ অনেক চেষ্টার পরও যা লুকোতে পারেননি তিনি ৷ শেষে হাসি মুখে ভক্তদের সামনে বেরকরে আনলেন ঝুড়িটি ৷ দেখা গেল  ঝুড়িটি ভর্তি সন্দেশ রয়েছে ৷ ঠাকুর হেসে তাঁদের বললেন, "দ্যাখ সারাদিন মায়ের নাম করলে এই ফল পাওয়া যায়"৷ 

আমার নিজের মনে হয়  ঠাকুর এক  সত্যকে খুব সহজে বুঝিয়ে দিলেন।

আর সেটি হলো 

"ভক্তির জগতে প্রভুর নাম করলে নিশ্চই তার ফল মেলে ৷" 


বিবেকানন্দ একবার বলেছিলেন, "নিজেকে শ্রদ্ধা না করলে কোনও কিছু অর্জন করা যায় না"৷

একথাও অতি সত্যি যে জীবনে এমন কিছু অনুভূতি থাকে যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, ছুঁয়ে দেখা যায় না, উপলদ্ধি করতে হয় ৷ 

নিজের কাছেই সেটা রেখে দিতে হয়৷

যেটা নিজের মনে মনে অনেক কথা বুনে চলে প্রতিক্ষন,প্রতিমুহূর্ত, প্রতিদিন ৷ জীবনটাকে তো শৈশবের চির বসন্তের মতো ধরে রাখা যায় না আবার যৌবনের বেগও বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

তাছাড়া জীবনের অনেক কিছুই মুছে যায় সময়ে কত ঘটনা, কত দিন, কত বছরের রোজনামচা, এমন অনেক কিছুঁই ভুলেযেতে হয়। ভুলে যেতে হয় সময়ের টানে। তবুও জীবনের কিছু কথা, কিছু স্মৃতি আজীবন মনে থেকেজায় ৷ তেমনি কিছু লেখা কোনও দিনও মোছেনা ৷ 



25>|| शिक्षा केंया हैं---লিখতে হবে

   शिक्षा केंया हैं---লিখতে হবে

सामान्य  अर्थमे स्कूल में अर्जित ज्ञान या कौशल को शिक्षा कहा जाता हैं।


शिक्षा केंया- इस प्रश्न का सरल उत्तर दिया हैं

प्रेमेश महाराज::---

जो शिक्षा से पूरे जीवन को सुखमय बना दे यह शिक्षा हैं।

वह शिक्षा बचपन का आनन्द जुवावस्था में दुःख मे न बदल जाए , जबानी की खुशी वयस्कता में  या   बूढ़ापे में उदासी के कारण न बने, वह सठीक शिक्षा हैं।


जो दुःख को दूर करता हैं, ख़ुशी बढ़ती है तथा

सुख को बनाये रखने में समर्थ हैं, उसे शिक्षा कहता हैं।

स्वामी विवेकानंद ने कहा---

जिससे मानव हृदय की पूर्णताका बिकाश हों वही शिक्षा हैं।

उन्होंने आत्म बिकाश की परिभाषा बताते हुए कहा---

शरीर,आत्मा,मन,और बुद्धि की समान 

अभिव्यक्ति ही सच्ची शिक्षा हैं, एक शब्दमें कहे तो यही मनुष्य का आत्म-विकास हैं।


जिसे ऐसी शिक्षा प्राप्त करने का अवसर मिला हो, अर्थात् वह व्यक्ति जिसका स्वास्थ्य अच्छा हो, जो ठीक से जीवित तथा प्राणवान हो।

 जागरूक और बुद्धिमान वही है जिसे हम उचित रूप से शिक्षित और सभ्य कहते हैं।


 एक और ध्यान देने योग्य बात यह है कि ऐसे शिक्षित व्यक्ति में सुख-दुःख की प्रबल भावना और सौन्दर्य की भावना होती है। जिस समाज में ऐसे संवेदनशील और संवेदनशील लोगों की संख्या जितनी अधिक होती है, वह समाज उतना ही अधिक सभ्य होता है।”


==================


2,--कोई शिक्षा को व्यक्ति की पूर्ण क्षमता को विकसित करने के लिए ज्ञान अर्जन और निरंतर अभ्यास की एक व्यवस्थित प्रक्रिया मानता है। शिक्षा प्रक्रिया किसी व्यक्ति के अंतर्निहित गुणों के पूर्ण विकास को प्रोत्साहित करती है और उसे समाज के उत्पादक सदस्य के रूप में स्थापित करने के लिए आवश्यक कौशल हासिल करने में मदद करती है। सामान्य अर्थ में शिक्षा कौशल या ज्ञान का अधिग्रहण है।


3---सदियों से, विभिन्न विचारकों ने शिक्षा को अलग-अलग तरीकों से परिभाषित किया है। फिर, समय के साथ-साथ शिक्षा की परिभाषा या अवधारणा और पद्धति में भी बदलाव आया है।



■4--शिक्षा शब्द की उत्पत्ति 'शस्' धातु से हुई है जिसका अर्थ है शासन करना या सलाह देना।

सामान्यतः यह कहा जा सकता है कि शिक्षा मानव व्यवहार में वांछित, अभीष्ट एवं सकारात्मक परिवर्तन है।


■5--फिर, अंग्रेजी में एजुकेशन शब्द लैटिन शब्द एजुकेयर या एजुकेटम से आया है, जिसका अर्थ है आंतरिक क्षमता को बाहर लाना या विकसित करना।



■6 – सुकरात के शब्दों में “शिक्षा असत्य का विनाश और सत्य का विकास है।

अरस्तू ने कहा था, "शिक्षा स्वस्थ शरीर में स्वस्थ मस्तिष्क का निर्माण है।"

 रवीन्द्रनाथ टैगोर के शब्दों में “शिक्षा वह है जो न केवल हमें जानकारी प्रदान करती है; यह हमारे जीवन को सार्वभौमिकता के अनुरूप भी बनाता है।


■7 - ब्रह्मचारी या विद्यार्थी एक चौथाई ज्ञान आचार्य या शिक्षक से और एक चौथाई अपनी बुद्धि से प्राप्त करता है। अन्य छात्रों के साथ बातचीत करने से एक चौथाई लाभ प्राप्त होता है। शेष राशि उसके पूरे जीवन के दौरान अर्जित की जाती है। मानव जीवन इस विश्व प्रकृति के प्राकृतिक वातावरण में लिपटा हुआ है। मानव जीवन और गतिविधियाँ काफी हद तक प्रकृति पर निर्भर हैं। वर्तमान समय में चार दीवारों से घिरी व्यवस्था को छोड़कर भी प्रकृति ने शिक्षा प्राप्ति की भूमिका में बड़ी भूमिका निभायी है। प्रकृति एक महान शिक्षक है. जन्म से लेकर मृत्यु तक प्रकृति प्रत्येक मनुष्य को प्रतिरोध से आच्छादित रखती है। प्रकृति लोगों को सक्रिय बनाती है। प्रकृति में दो तरह की चीजें हैं. चेतन और निर्जीव. मानव जीवन के प्रवाह में सजीव और निर्जीव प्रभाव सदैव प्रवाहित होते रहते हैं। अत: प्रकृति कोई निष्क्रिय इकाई नहीं है, उसमें भी जीवन शक्ति है! शिक्षक रूसो ने कहा, "प्रकृति के रचयिता के हाथ से निकलते ही सब कुछ अच्छा है, मनुष्य के हाथों में सब कुछ ख़राब हो जाता है"[उद्धरण वांछित] सब कुछ अच्छा है जो प्रकृति करती है। सब कुछ मानव हाथों से नष्ट हो जाए। वास्तविक शिक्षा वह शिक्षा है जो प्रकृति की गतिविधियों और प्राकृतिक सुंदरता की सराहना के माध्यम से होती है।


24>|| ইতিহাসনিষ্ঠ অমৃতকুম্ভ || লিখতে হবে

   

 || ইতিহাসনিষ্ঠ  অমৃতকুম্ভ  ||লিখতে হবে।

        <------আদ্যনাথ---->

কুম্ভ ও মহাকুম্ভের ইতিহাস কিছু জানতে চোখের পলক চায়না পড়তে।

অনের নথি, পুঁথি, গ্রন্থ  খুঁজে যেটুকু পাই,

জিজ্ঞাসু চিত্তে সেই টুকুই লিখে যাই।

কিছু ত্রুটি থাকলেও থাকতে পারে।

লিখতেবসে অনেক চিন্তাই মনে ভিড় করে।

তবে নিজের কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এ-হেন প্রচেষ্টা। 

হয়তো কারুর ভালো নাও লাগতে পারে

লেখাটা।


কুম্ভ (12) বারো বছরে একবার,

মহাকুম্ভ 12×12=144 বৎসরে একবার।

এই কুম্ভ ও মহাকুম্ভের মাঝে 

আরো বিশেষ কটি কুম্ভ আছে।

একটি মেলা অর্ধকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয় যেটি প্রতি 6(ছয়) বৎসর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।


কুর্ম পূরাণ অনুযায়ী মোট (12) বারটি কুম্ভের উল্লেখ পাওয়া যায়। 4(চার) টি কুম্ভ মর্ত্যে আয়োজিত হয়। আর শেষ 8(আট )টি কুম্ভ স্বর্গে আয়োজিত হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে প্রতি 144 বছরে আসে মহাকুম্ভ। 3 বছরে হয় কুম্ভ, 6 বছরে হয় অর্ধকুম্ভ, 12 বছরে পূর্ণ কুম্ভ, আর 144 বছরে মহাকুম্ভ। এই 144 বছরের মহাকুম্ভ অতি বিরল সংযোগে হয়। আর 2025 সালের মহাকুম্ভ সেই মহাকুম্ভ ঘিরেই এক ধার্মিক বিশাল মেলার আয়োজন। 

 

 ★★মহাকুম্ভ হল সমস্ত কুম্ভ মেলার মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র। এটি মূলত প্রয়াগরাজে উদযাপিত হয়, যেখানে গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতী নদী মিলিত হয়। আজ এই মহাকুম্ভ মেলা 13 জানুয়ারি থেকে 26 ফেব্রুয়ারি, 2025-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


মহাকুম্ভ একটি বিশাল ধর্মীয় মেলা যেটি প্রতি 144 বছরে একবার ঘটে । 

কুম্ভমেলা হলো হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ মেলা ও তীর্থযাত্রা এবং উৎসবও বটে। 

মহাকুম্ভ মেলা (পবিত্র কলসের উৎসব)  এটি বিশ্বের বৃহত্তম জনসমাবেশ এবং ধর্ম বিশ্বাসের সম্মিলিত উৎসব। এই মণ্ডলীতে প্রাথমিকভাবে তপস্বী, সাধু, সাধ্বী, কল্পবাসী এবং জীবনের সর্বস্তরের তীর্থযাত্রীরা অন্তর্ভুক্ত।

কুম্ভ হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র যোগ সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। কুম্ভ মেলা হল এমন একটি অনুষ্ঠান যা অভ্যন্তরীণভাবে জ্যোতির্বিদ্যা, জ্যোতিষশাস্ত্র, আধ্যাত্মিকতা, আচার-অনুষ্ঠান ঐতিহ্য এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক রীতিনীতি এবং অনুশীলনের বিজ্ঞানকে অন্তর্ভুক্ত করে, এটি সকল সমাজ কে সকল বিষয়ে জ্ঞানে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করে তোলে। মহাকুম্ভ

মেলার সাথে পৃথিবীর অন্য কোন মেলার তুলনা হয়  না। 


কুম্ভমেলা::-- ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

 হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থযাত্রা, যা প্রতি 3,6,12 এবং144

 বছরে একবার পালিত হয়। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হিসেবে পরিচিত।

মেলাটি চারটি  তীর্থস্থানে অনুষ্ঠিত হয়:----

★প্রয়াগরাজ (যেখানে গঙ্গা, যমুনা এবং 

     সরস্বতী নদীর মিলন), 

★হরিদ্বার (গঙ্গা নদী), 

★নাসিক (গোদাবরী নদী) এবং 

★উজ্জয়িনী (শিপ্রা নদী)।

যদিও পরবর্তী সময়ে 

★2022 সালে, 700 বছরের বিরতির পর হুগলির বাঁশবেড়িয়া (হুগলি, সরস্বতী ও যমুনা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমেআবার কুম্ভ মেলার আয়োজন করে।)


●প্রতি তিন বছর অন্তর (কুম্ভ মেলা)

●প্রতি ছয় বছর অন্তর (অর্ধ কুম্ভ মেলা)

●প্রতি বারো বছর (পূর্ণ কুম্ভ মেলা)

●প্রতি ১৪৪ বছর পর (মহা কুম্ভ মেলা)

এই কুম্ভ পর্যায়ক্রমে প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, নাশিক, উজ্জয়িনীতে অনুষ্ঠিত হয়।

পশ্চিম বঙ্গের বাঁশবেড়িয়া তেও শুরু হয়েছে।


কুম্ভ মেলায় তীর্থযাত্রীর মধ্যে নাগা সাধু থেকে শুরু করে ধর্মের সমস্ত বিভাগ থেকে আসেন যারা 'সাধনা' অনুশীলন করেন এবং গভীরভাবে আধ্যাত্মিক অনুশাসনের একটি কঠোর পথ অনুসরণ করেন, এমন

গৃহত্যাগী তথা হারমিটরা যারা তাদের নির্জনতা ছেড়ে শুধুমাত্র সভ্যতা পরিদর্শন করতে এখানে আসেন। কুম্ভ মেলা, আধ্যাত্মিকতার সন্ধানকারীদের এবং হিন্দু ধর্মের অনুশীলনকারী সাধারণ মানুষের তথা সর্ব স্তরের মানুষের জন্য।


কুম্ভ মেলায় বেশ কিছু অনুষ্ঠান হয়;---

  হাতির পিঠে, ঘোড়ায় সওয়ার সাধু সন্ত  এবং ঘোড়ার রথের উপর 'পেশওয়াই' নামক আখড়ার ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা, 'শাহী স্নান'-এর সময় নাগা সাধুদের উজ্জ্বল তলোয়ার এবং আচার-অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য অনেক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যা লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীকে কুম্ভ মেলায় যোগ দিতে আকৃষ্ট করে।

কত রকমের বিচিত্র সব সাধনা রত নিচিত্র সকল সাধু।

কেউ বৎসরের পর বৎসর এক হাত তুলে সাধনার রত। কেউ বায়া হাত তুলে তো কেউ ডান হাত তুলে আছেন বৎসরের পর বৎসর।

কেউ ভয়ঙ্কর সব বিষাক্ত সাপ পুষেন তার মাথার জটর মধ্যে।



মহাকুম্ভ মেলা প্রয়াগরাজ 2025 ইং

প্রতি 12 বছর অন্তর পূর্ণকুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। আ বার 12 টি পূর্ণকুম্ভের পর আয়োজিত হয় মহাকুম্ভ মেলা। অর্থাৎ 144 বছরে একবার মহাকুম্ভ হয়। 



মহাকুম্ভ মেলার ঐতিহাসিক গুরুত্ব

বিশ্বাস অনুসারে, মহা কুম্ভ মেলাকে সমুদ্র মন্থনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়। কাহিনি অনুসারে, একবার ঋষি দূর্বাসার অভিশাপে ইন্দ্র ও অন্যান্য দেবতারা দুর্বল হয়ে পড়েন। এর সুযোগ নিয়ে অসুররা দেবতাদের আক্রমণ করে এবং এই যুদ্ধে দেবতারা পরাজিত হন। তখন সমস্ত দেবতা একত্রে ভগবান বিষ্ণুর কাছে সাহায্যের জন্য গেলেন এবং তাঁকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললেন। ভগবান বিষ্ণু রাক্ষসদের সঙ্গে তাদের সমুদ্র মন্থন করে সেখান থেকে অমৃত আহরণের পরামর্শ দেন। সমুদ্র মন্থন থেকে অমৃতের পাত্র বের হলে ভগবান ইন্দ্রের পুত্র জয়ন্ত তা নিয়ে আকাশে উড়ে গেলেন। এই সব দেখে অসুররাও অমৃত পাত্র নিতে জয়ন্তের পিছনে ছুটে গেল এবং অনেক চেষ্টার পর অসুররা অমৃত পাত্রটি হাতে পেল। এরপর অমৃত কলশের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য 12 দিন ধরে দেবতা ও অসুরদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। সমুদ্র মন্থনের সময়, অমৃত কলশের কিছু ফোঁটা হরিদ্বার, উজ্জয়িন, প্রয়াগরাজ এবং নাসিকে পড়েছিল, তাই এই চারটি স্থানে মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয়।


কুম্ভমেলা প্রতি 3 বছরে একবার ঘটে। চারটি অবস্থানের মধ্যে মেলা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে হয়, সেগুলি হল, হরিদ্বার, প্রয়াগরাজ, উজ্জয়িনী এবং নাসিক। 

●●●●●

কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয় চারটি পবিত্র স্থান: হরিদ্বার, উজ্জয়িন, নাসিক এবং প্রয়াগরাজ-এ প্রতি তিন বছর অন্তর অনুষ্ঠিত ধর্মীয় উৎসবের একটি সেটের নাম। এই আচার-অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে পবিত্র নদীগুলিতে পবিত্র স্নান জড়িত, যা প্রতিটি ভক্ত বিশ্বাস করে যে এটি তাদের পাপ থেকে মুক্ত দিতে ও দেহ মনকে শুদ্ধ করে এবং তাদের আধ্যাত্মিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করে।


যাইহোক, কুম্ভ মেলে প্রতি বারো বছরে একবার হয়, আর মহাকুম্ভ মেলা প্রতি12×12=144 বৎসরে একবার হয়।

আর এবং মহাকুম্ভ হল সমস্ত কুম্ভ মেলার মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র। এটি মূলত প্রয়াগরাজে উদযাপিত হয়, যেখানে গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতী নদী মিলিত হয়। আসন্ন মহাকুম্ভ মেলা 13 জানুয়ারি থেকে 26 ফেব্রুয়ারি, 2025-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।-


প্রয়াগ ও হরিদ্বারের মেলার মধ্যে সময়ের পার্থক্য প্রায় 6 বছর, যেখানে মহা (অর্থাৎ বৃহৎ) এবং অর্ধ (অর্থাৎ অর্ধেক) কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে উজ্জয়িন ও নাসিকের কুম্ভ মেলার সঠিক বছর নিয়ে 20 শ ( বিশ )শতকে প্রবর্তক হয়েছে। নাসিক ও উজ্জয়িনের মেলা একই বছরে বা এক বছর ব্যবধানে অনুষ্ঠিত হয়,  সাধারণত প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলার ৩ বছর পর। 


ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোট আকারের তীর্থযাত্রা ও স্নান উৎসবগুলোকে মাঘ মেলা, মকর মেলা বা অনুরূপ নামে ডাকা হয়। 

●কুম্বশ্বর বা কুম্বকোনম, তামিলনাড়ুর থাঞ্জাভুর জেলা  (একটি শহর। এটি থাঞ্জাভুর জেলার কুম্বাকোনাম তালুকের সদর দফতর। কুম্বকোনম শহরটি দুটি নদী দ্বারা বেষ্টিত, উত্তরে কাবেরী নদী এবং দক্ষিণে আরাসালার নদী )।


তামিলনাড়ুতে কুম্বকোনমের মহামহম ট্যাঙ্কে প্রতি ১২ বছর পর অনুষ্ঠিত মাঘ মেলাকে তামিল কুম্ভ মেলা বলা হয় ।যেখানে লক্ষ লক্ষ দক্ষিণ ভারতীয় হিন্দু অংশ নেন।  

●কুরুক্ষেত্র,  ●সোনিপত এবং ●নেপালের পানাউটি অঞ্চলে এই ধরনের স্নান মেলাগুলোকেও কুম্ভ মেলা বলা হয়।


কুম্ভ মেলার তিনটি প্রধান তারিখে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক তীর্থযাত্রী অংশগ্রহণ করেন, যদিও পুরো উৎসবটি এই তারিখগুলোর আশেপাশে এক থেকে তিন মাস ধরে চলে। প্রতিটি মেলায় লক্ষ লক্ষ ভক্ত অংশ নেন, যার মধ্যে প্রয়াগ কুম্ভ মেলায় সবচেয়ে বড় সমাবেশ হয় এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ হয় হরিদ্বারে। 


এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে,  2019 সালের কুম্ভ মেলায় 200 মিলিয়নেরও বেশি হিন্দু একত্রিত হয়েছিলেন, যার মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ত দিনে প্রায় 5 কোটি মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। এটি বিশ্বের বৃহত্তম শান্তিপূর্ণ জনসমাগমগুলোর একটি এবং "বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের সমাবেশ" হিসেবে বিবেচিত হয়।  এই মেলাটি ইউনেস্কোর "মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকা"-তে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।  মেলার বিভিন্ন দিনে তীর্থযাত্রীরা অংশ নেন।●●●





কুম্ভমেলা বহু ধরনের হয়। কুম্ভ, অর্ধকুম্ভ, পূর্ণ কুম্ভ, মহাকুম্ভ। 

চলতি বছরে ১৪৪ বছর পর মহাকুম্ভ আয়োজিত হতে চলেছে।


যতদূর জানাজায় কুম্ভ মেলার প্রচলন ঐতিহ্যগতভাবে 8ম (অষ্টম)শতাব্দীর হিন্দু দার্শনিক ও সাধু শ্রী আদি শঙ্করাচার্যের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ভারতজুড়ে বিভিন্ন মঠ ও ধর্মীয় সমাবেশে দার্শনিক আলোচনা ও বিতর্ক চালু করার প্রচেষ্টা করেছিলেন। 

তবে, 19শ (উনিশ) শতকের আগে "কুম্ভ মেলা" নামে এই বিশাল তীর্থযাত্রার কোনও ঐতিহাসিক  প্রমাণ নেই। 

কিন্তু প্রাচীন পাণ্ডুলিপি ও শিলালিপিতে বার্ষিক মাঘ মেলার উল্লেখ পাওয়া যায়, যেখানে প্রতি 6 বা 12 বছর পর পর বৃহৎ সমাবেশ হত এবং একটি পবিত্র নদী বা কুণ্ডে স্নান ছিল এর মূল আচার।


বিশিষ্ট গবেষক কামা ম্যাকলিনের মতে, ঔপনিবেশিক যুগেরসামাজিক---

রাজনৈতিক পরিবর্তন  এবং নানা বিবর্তনের  হিসাবে প্রাচীন মাঘ মেলাকে আধুনিক কুম্ভ মেলা হিসেবে পুনরায় নামাঙ্কিত করা হয়, বিশেষ করে  1857 সালের বিদ্রোহের পর।

এই উৎসবটি প্রায় প্রতি ১২ বছর অন্তর একবার পালিত হয়,  যা হিন্দু চান্দ্র-পঞ্জিকা ও সূর্য পঞ্জিকা এবং 

বৃহস্পতি গ্রহের যোগের অথবা

বৃহস্পতি, সূর্য ও চন্দ্রের জ্যোতিষীয় অবস্থানের উপর নির্ভর করে। 


জ্যোতির্বিদ্যা অনুসারে কুম্ভ::---

( বৃহস্পতি , সূর্য এবং চন্দ্রের রাশিচক্রের অবস্থানের একটি বিশেষ সমন্বয় অনুসারে উল্লেখিত চারটি স্থানের উৎসবের তারিখগুলি অগ্রিম গণনা করা হয়। 

চারটি স্থানের মধ্যে আপেক্ষিক বছর পরিবর্তিত হয়, তবে চক্রটি প্রতি 12 বছরে পুনরাবৃত্তি হয়। যেহেতু বৃহস্পতির কক্ষপথ

11.86 বছরে সম্পূর্ণ হয়, তাই একটি ক্যালেন্ডার বছরের সমন্বয় প্রায় 8টি (আট টি) চক্রের মধ্যে দেখা যায়। অতএব, প্রায় শতাব্দীতে একবার, কুম্ভ মেলা 11 বছর পর একটি স্থানে ফিরে আসে।)


কুম্ভ ও মহাকুম্ভ মেলার সময় সূর্য, চন্দ্র এবং বৃহস্পতির অবস্থান দ্বারা নির্ধারিত হয়। 


যখন বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করে এবং সূর্য এবং চাঁদ একটি নির্দিষ্ট উপায়ে সারিবদ্ধ হয়, তখন পবিত্র উৎসবের জন্য উপযুক্ত লগ্ন ও মুহুর্তের সংকেত দেয়।

এবং এই প্রান্তিককরণ প্রতি 12 বছরে একবার ঘটে।

এমন লগ্ন ও মুহূর্ত ও দর্শনীয় সংযোগের সময় শুধুমাত্র ক্যালেন্ডারের হিসাবের দ্বারা নির্ধারিত হয় না - এটি বিশেষ সংযোগ যা নক্ষত্র এবং গ্রহের সাথে সংযুক্ত!  কুম্ভ মেলা গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক সরস্বতী নদীর পবিত্র সঙ্গমস্থলে অনুষ্ঠিত হয়। 

এ-হেন হিসাবের মূল জ্যোতির্বিদ্যা সংস্থার অবস্থান দ্বারা এর সময় নির্ধারণ করা হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল সূর্য, চন্দ্র এবং বৃহস্পতির প্রান্তিককরণ। 


কুম্ভের রাশিচক্র::---

যখন বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করে , এবং সূর্য ও চন্দ্র সারিবদ্ধ হয়, তখন মহাকুম্ভের সময়। 

এই বিরল স্বর্গীয় প্রান্তিককরণ পবিত্র স্নানের জন্য বিশেষ মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।বিশ্বাস করা হয় যে এমন মুহূর্তে বিশেষ সঙ্গম স্থানে স্নান করলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায়।


ভারতের উত্তরপ্রদেশের মহাকুম্ভ মেলা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ। মহাকুম্ভ মেলাকে ইউনেস্কো বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য  হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। মহাকুম্ভ মেলা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব নয়। এটি ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনুপম প্রকাশ। 

মহাকুম্ভ শুরু পৌষ পূর্ণিমায় 

(13 জানুয়ারি) এবং মহাস্নান সমাপ্ত হবে মহা শিবরাত্রিতে (26 ফেব্রুয়ারি)

এই বছর 6 সপ্তাহের মহাকুম্ভ মেলায় 50 কোটি তীর্থযাত্রীর আগমন ঘটবে বলে 

অনুমান  করা হয়েছে। 


 শাস্ত্রেও উল্লেখ আছে যে প্রয়াগরাজকে তীর্থরাজ  বলা হয়। কারণ এমনও একটি বিশ্বাস আছে যে ব্রহ্মা নিজে এখানে প্রথম যজ্ঞ করেছিলেন, 

 শুধু তাই নয়,অমৃত পাওয়ার জন্য দেবতা ও অসুরদের মধ্যে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়েছিল 12 দিনধরে এই 12 দিন একজন মানুষের কাছে ১২ বছরের সমান। এই কারণেই প্রতি ১২ বছরে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয় এবং জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, একটি কারণ হল যখন বৃহস্পতি গ্রহ বৃষ রাশিতে থাকে এবং সেই সময় সূর্য মকর রাশিতে আসেন। তখন প্রয়াগরাজে কুম্ভমেলার আয়োজন করা হয়। একইভাবে, যখন বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে এবং সূর্য  মেষ রাশিতে গমন করেন, তখন হরিদ্বারে কুম্ভের আয়োজন করা হয়। যখন সূর্য এবং বৃহস্পতি উভয় গ্রহই সিংহ রাশিতে থাকে, তখন নাসিকে মহাকুম্ভ অনুষ্ঠিত হয়। 

আবার বৃহস্পতি যখন সিংহ রাশিতে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকে, তখন উজ্জয়নে কুম্ভের আয়োজন করা হয়।


 2019 সালের 4 ফেব্রুয়ারি কুম্ভ মেলায় ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ জনসমাগম হয়েছিল। 

এমন মেলা প্রায় ১২ বছর অন্তর বৃহস্পতি তার কক্ষপথে  একটি পূর্ণ প্রদক্ষিণের সময় অনুষ্ঠিত হয়। 


এই মেলা ভারতের চারটি নদীতীরবর্তী তীর্থস্থানে পালিত হয়: 

★প্রয়াগরাজ,(গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতী নদীর মিলনস্থল), 


★হরিদ্বার (গঙ্গা নদীতীরবর্তী তীর্থস্থান), 

★নাসিক (গোদাবরী নদীতীরবর্তী তীর্থস্থান) এবং 

★উজ্জয়িনী (শিপ্রা নদীতীরবর্তী তীর্থস্থান)। 

তবে 2022 খ্রিস্টাব্দ থেকে পঞ্চম স্থানে এই মেলা পুনরারম্ভ করা হয়েছে, আর সেই পঞ্চম কুম্ভ মেলাটি হল বাঁশবেড়িয়া ত্রিবেণী সঙ্গম কুম্ভ মেলা। 700 বছর বন্ধ থাকার পর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়ার কাছে হুগলি, সরস্বতী ও যমুনা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে এই মেলার পুনরুদ্ধার করা হয়। প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, নাসিক ও উজ্জয়িনীর কুম্ভ মেলা ইউনেস্কো অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু বাঁশবেড়িয়ার কুম্ভমেলা এখনো এই তালিকায় স্থান পায়নি।


তবে নিশ্চিত রূপে প্রতি তিন বছর পর পর এলাহাবাদ, হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জয়িনীতে অনুষ্ঠিত হয় কুম্ভ।


উৎসবের মূল আচার হল নির্দিষ্ট তিথি ও সংযোগ সময়ে নদীতে ডুব দেওয়া বা স্নান করা। যা কিনা পাপ মোচনের উপায় বলে মনে করা হয়। 

এছাড়াও, মেলায় বিভিন্ন দোকান পাট, শিক্ষা কার্যক্রম, সাধুদের ধর্মীয় বক্তৃতা, সন্ন্যাসীদের সমাগম এবং বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে। হিন্দুধর্মে বিশ্বাসী মানুষ বিশ্বাস করেন যে , এই নদীগুলিতে স্নান করলে অতীতের ভুলের বা সকল পাপকর্মের  প্রায়শ্চিত্ত হয় এবং পাপথেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 


কুম্ভ এবং মহাকুম্ভ মেলার মধ্যে পার্থক্য: তাৎপর্য এবং পরিমাপক স্কেলে কুম্ভমেলা এবং মহাকুম্ভ মেলা হল হিন্দু ধর্মের দুটি বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। যদিও উভয়ই আধ্যাত্মিক শুদ্ধির জন্য লক্ষ লক্ষ ভক্তকে আকৃষ্ট করে, প্রতি 12 বছরে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভকে সবচেয়ে পবিত্র বলে মনে করা হয়। তাদের অনন্য তাৎপর্য, আচার -অনুষ্ঠান এবং বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ অনুসারীদের মনের গভীর প্রভাব লক্ষণীয়।


কুম্ভ ও মহাকুম্ভ এমন মেলা যে মেলা

সারা বিশ্ব থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে আকৃষ্ট করে, এক অদ্ভুত একক বিশ্বাসে আবদ্ধ, আধ্যাত্মিক পুনর্জন্ম কামনা করে এবং তাদের নিজের নিজের ও সমাজের পাপ শুদ্ধ করেনের তাগিদে । 

এটা কোনো দূরের স্বপ্নের কল্পনা নয় ,

এটিই কুম্ভমেলা এবং মহাকুম্ভ মেলার বাস্তবতা - হিন্দুধর্মের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ধর্মীয় মণ্ডলীগুলির মধ্যে দুটি। 

কিছু নির্দিষ্ট সময় ও কয়েক বছর অন্তর, এই পবিত্র উৎসবগুলি ভারতের পবিত্র নদীতীরে অনুষ্ঠিত হয় যেখানে ভক্ত, আচার-অনুষ্ঠান ও ভক্ত নিজ ভক্তির জোয়ারে সম্পুর্ন নদীতটকে  ভক্তিসমুদ্রে রূপান্তরিত করে। 

সে যাইহোক, কুম্ভমেলা এবং মহাকুম্ভ মেলা বাহ্যিক রূপে একই প্রকার হলেও

একই থেকে একে অন্য থেকে অনেক দূরে। যদিও তারা আধ্যাত্মিক তাত্পর্য এবং বিপুল অংশগ্রহণের সাধারণ বিভাগ গুলি ভাগ করে নেয় ফলে তাদের পার্থক্যগুলি কোন পরিমাপক স্কেল বা সময়সীমার বাইরে চলে যায়। 


এই দুটি উৎসব বা মেলা  হিন্দু সংস্কৃতিতে অনন্য, প্রতিটির নিজস্ব আলাদা গভীর ও গম্ভীর পরিচয়ের আলাদা ইতিহাস এবং উদ্দেশ্য রয়েছে। 

কুম্ভ মেলা এবং মহাকুম্ভ মেলার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এবং প্রতিটিকে বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের একটি স্মারক উদযাপন করে তোলে।

শাস্ত্র, তিথি,অনুসারে স্নানের বিশেষ দিন গুলি::--

পৌষ পূর্ণিমা,,-- মকর সংক্রান্তি; -- 

মৌনী অমাবস্যা::---বসন্ত পঞ্চমী;;---

মাঘী পূর্ণিমা;;--মহাশিবরাত্রি।


কুম্ভ মেলাকে নানা ভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় যেমন::---

●পূর্ণ কুম্ভ  (কখনও কখনও শুধু কুম্ভ বা "পূর্ণ কুম্ভ" বলা হয়), একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রতি 12 বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।


●অর্ধ কুম্ভ মেলা ("অর্ধ কুম্ভ") প্রায় প্রতি 6 বছর অন্তর প্রয়াগরাজ এবং হরিদ্বারে দুটি পূর্ণ কুম্ভ মেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। 


●মহাকুম্ভ, যা প্রতি 12টি পূর্ণকুম্ভমেলায় অর্থাৎ প্রতি 144 বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।


★★2019 সালের প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলায়, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঘোষণা করেন যে অর্ধ কুম্ভ মেলা (প্রতি 6 বছর অন্তর আয়োজিত) কেবল "কুম্ভ মেলা" নামে পরিচিত হবে এবং কুম্ভ মেলা (প্রতি 12 বছর পরপর আয়োজিত) "মহা কুম্ভ মেলা" হিসেবে পরিচিত হবে। 


এছাড়াও ভারতের অসংখ্য জায়গা এবং মেলাকে স্থানীয়ভাবে তাদের কুম্ভ মেলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি স্থান ব্যাপকভাবে কুম্ভ মেলা হিসেবে স্বীকৃত: প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, ত্রিম্বক-নাসিক এবং উজ্জয়িনী। অন্যান্য স্থানগুলিকে কখনও কখনও কুম্ভ মেলা বলা হয় - স্নানপর্ব এবং তীর্থযাত্রীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ সহ - কুরুক্ষেত্র, এবং সোনিপাত অন্তর্ভুক্ত।

                 (সঙ্কলিত)

   <-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

=========================


প্রয়াগরাজ ::--13/01/2025


উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আজ থেকে শুরু হয়েছে মহাকুম্ভ মেলা। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতীর সঙ্গমে ভারত-সহ বিদেশের কোটি কোটি ভক্ত তাদের বিশ্বাস নিয়ে এসেছেন এই পুণ্য নদী সঙ্গমের মহান পুণ্য ভূমিতে। 

১৪৪ বছর পর আজ মহাকুম্ভের শুভ যোগ  ঘটছে এই সঙ্গমে।

মহাকুম্ভের মূল ধার্মিক আকর্ষণ স্নান।

সেখানে শাহী স্নানেই বিশেষ মহত্ব।


বিশেষ করে  মহত্বপূর্ন 6 টি শাহী স্নানের    মহত্বই  বেশি, সেই কারনেই এই শাহী স্নানের সংযোগ ও শুভ সময় ও তার নিয়ম মহাকুম্ভ 2025 ::--

প্রথম রাজকীয় স্নান, শাহী স্নান

পূর্ণিমা তিথি শুরু হয়েছে 13 জানুয়ারি অর্থাৎ আজ ভোর  5:03 মিনিটে এবং 14 জানুয়ারি  3:56 মিনিটে  তিথি শেষ হবে।


(এবার মহাকুম্ভে 40 কোটিরও বেশি ভক্ত অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ করে তুলতে মহাকুম্ভ মেলা এলাকায় ভক্তদের গায়ে গোলাপ ফুল বর্ষণ করা হচ্ছে। উদ্যানপালন বিভাগের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সঙ্গম এলাকায় অর্থাৎ পুরো 4000 হেক্টর মেলা এলাকায় ভক্তদের ওপর গোলাপের পাপড়ি বর্ষণের  করা হয়েছে। প্রতিটি স্নান উৎসবে প্রায়

 20 কুইন্টাল গোলাপের পাপড়ি বর্ষণ করতে হয়েছে।)


এই সময়ে অমৃতস্নানের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে, যেখানে প্রথমে ঋষি-সাধুরা এবং তারপর সাধারণ মানুষ স্নান করবেন।

মহাকুম্ভ মেলায় 1100 জন পুরোহিত একত্রে  মহাযজ্ঞ করবেন। এছাড়া কত রকমের সাধু আছেন 

'ই-রিকশা বাবা

মাথায় ধান চাষ, প্রয়াগের মহাকুম্ভে Viral 'ধানওয়ালে বাবা' 

প্রতি 12 বছর অন্তর হরিদ্বার, প্রয়াগরাজ, উজ্জয়িনী এবং নাসিকে পূর্নকুম্ভ মেলার আয়োজন করা হয় এবং এর মধ্যে প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত মহাকুম্ভ সবচেয়ে জমকালো। মহাকুম্ভ, যা 30-45 দিন ধরে চলে, হিন্দুদের কাছে অনেক তাৎপর্য রয়েছে।


মহাকুম্ভের নিয়ম

1>. মহাকুম্ভ মেলায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের শুদ্ধ ভাবে থাকা উচিত।

2> মহাকুম্ভে, প্রথমে স্নান করবেন ঋষি ও সাধুরা এবং তার পরেই সাধারণ মানুষ স্নান করতে পারবেন।

3>মহা কুম্ভ মেলায় স্নানের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, যা অনুসরণ করা আবশ্যক।

4> মহা কুম্ভ মেলায় অহিংসা ও করুণার নীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

5> মহাকুম্ভ মেলায় মাদকদ্রব্য সেবন নিষিদ্ধ। এছাড়াও, হিংসা ও ক্রোধ প্রদর্শন নিষিদ্ধ।


শাহী স্নানের অন্যান্য তারিখ 

●প্রয়াগরাজে আয়োজিত মহাকুম্ভে 13 জানুয়ারি 2025 প্রথম রাজকীয় স্নান হবে। এর পরে, অন্যান্য শাহী স্নানের তারিখগুলি নিম্নরূপ:


●দ্বিতীয় শাহী স্নান হবে মকর সংক্রান্তিতে, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫।

●তৃতীয় শাহী স্নান অনুষ্ঠিত হবে মৌনী অমাবস্যা ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে।

●চতুর্থ শাহী স্নান অনুষ্ঠিত হবে বসন্ত পঞ্চমীতে, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।

●পঞ্চম শাহী স্নান অনুষ্ঠিত হবে মাঘ পূর্ণিমা, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে।

২০২৫ সালের ২৬  ফেব্রুয়ারি ●মহাশিবরাত্রিতে শেষ শাহী  স্নান অনুষ্ঠিত হবে।

শাহী স্নানের নিয়ম

মহাকুম্ভে শাহী স্নানের কিছু বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হয়। মহাকুম্ভে প্রথমে স্নান করেন নাগা সাধুরা। নাগা সাধুদের স্নানের প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। এর পেছনে রয়েছে ধর্মীয় বিশ্বাস। এছাড়া পারিবারিক জীবন যাপনকারী মানুষের জন্য মহাকুম্ভে স্নানের নিয়ম কিছুটা আলাদা। নাগা সাধুদের পরেই গৃহস্থদের সঙ্গমে স্নান করা উচিত। স্নান করার সময়, 5(পাঁচ) টি ডুব দিতে হয় , তবেই স্নান সম্পূর্ণরূপে বিবেচিত হবে। স্নানের সময় সাবান বা শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। কারণ এটি পবিত্র জলকে দূষিত বলে মনে করা হয়।

মহাকুম্ভে শাহী স্নান ও দানের পর অবশ্যই  হনুমান ও নাগবাসুকির দর্শন করতে হবে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে মহাকুম্ভের ধর্মীয় যাত্রা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয় যদি আপনি শাহী  স্নানের পরে এই দুটি মন্দিরের যে কোনও একটিতে না যান।


  

■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■


 কুম্ভ স্নানের পরেই নাগভাসুকির সহ আরও চারটি মন্দির দর্শন একান্ত জরুরি

নয়তো কুম্ভ স্নানের পুণ্য লাভ হয় না।

আর পুণ্য লাভ না  হলে কুম্ভ স্নানেই বৃথা হয়ে যায় ।

অতঃ কুম্ভ স্নানের পরেই পাঁচ টি মন্দির দর্শন অতি জরুরি।

সেই মন্দির গুলি 

1>নাগভাসুকি মন্দির,

2>হনুমান মন্দির(এখানে হনুমানজী শুয়ে 

      আছেন.)

3>সরস্বতী মন্দির।

4>অক্ষয় বট ।

5>পাতালপুরীর অর্ধ নারীশ্বর।

6>অলোক শঙ্করী মন্দির( এখানেG



■■1>নাগভাসুকি মন্দির ::--দারাগঞ্জ ঘাট, রামেশার মন্দিরের কাছে, দারাগঞ্জ উত্তরপ্রদেশ।

মন্দিরে 30-40টি ধাপ সিঁড়ি চড়েই নাগাভাসুকির দর্শন মেলে

★প্রত্যেক ভক্ত ও তীর্থযাত্রীর প্রয়াগরাজ যাত্রা সম্পূর্ণ হয় না যতক্ষণ না তিনি নাগবাসুকির দর্শন পান।

★নাগবাসুকি মন্দিরটি সাপের রাজা বাসুকিকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

★এটিই একমাত্র স্থান যেখানে আপনি ভীষ্ম পিতামহ মূর্তি পূজা দেখতে পারেন।

★প্রতি বছর নাগ পঞ্চমী উপলক্ষে মন্দিরের কাছে মেলার আয়োজন করা হয়।


নাগবাসুকি মন্দিরটি উত্তর প্রদেশের দারাগঞ্জ এলাকার উত্তর প্রান্তে গঙ্গার তীরে অবস্থিত।

মন্দিরটিতে ভগবান শিব, ভগবান গণেশ, দেবী পার্বতী এবং ভীষ্ম পিতামহ সহ অন্যান্য দেবতাদের উত্সর্গীকৃত বেশ কয়েকটি ছোট মন্দির রয়েছে। এই মন্দিরটি আশি মাধব নামেও পরিচিত এবং এটি শহরের এবং এর আশেপাশে অবস্থিত 12টি মাধব মন্দিরের মধ্যে একটি। এই একমাত্র স্থান যেখানে আপনি ভীষ্ম পিতামহ মূর্তি পূজা দেখতে পারেন।


নাগবাসুকি মন্দিরের পৌরাণিক কাহিনিকে

নাগবাসুকিও বলা হয়েছে অবশিষ্টরাজ, সর্পনাথ, অনন্ত এবং সর্বাধ্যক্ষ। এই মন্দির সম্পর্কে বিখ্যাত যে আওরঙ্গজেব যখন ভারতে মন্দিরগুলি ভেঙে ফেলছিলেন, তখন তিনি নিজেই বহুল আলোচিত নাগবাসুকি মন্দির ভেঙে ফেলতে এসেছিলেন। কিন্তু, তিনি মূর্তির দিকে তরবারি চালাতে গিয়ে তলোয়ারটি মূর্তির মধ্যে আটকে যায় এবং হঠাৎ ভগবান নাগবাসুকির দিব্য রূপ দেখা দেয়। তার দানবীয় রূপ দেখে আওরঙ্গজেব ভয়ে কাঁপতে থাকেন এবং অজ্ঞান হয়ে পড়েন।


এই মন্দির সম্পর্কে একটি পৌরাণিক বিশ্বাস রয়েছে যে নাগা রাজবংশের রাজা বাসুকি সমুদ্র মন্থনে অংশ নিয়ে এখানে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। বিশ্বাস করা হয় এখানে এসে পূজা করলে কাল সর্প দোষ চিরতরে দূর হয়। জনশ্রুতি আছে যে সে সময় তৎকালীন মারাঠা রাজা কুষ্ঠ রোগে ভুগছিলেন। তাই রাজ পণ্ডিত রাজি হয়েছিলেন যে রাজা যদি অসুস্থতা থেকে মুক্তি পান তবে তিনি মন্দিরটি সংস্কার করবেন। বিপজ্জনক রোগ থেকে মুক্তি পেলেন রাজা। কৃতজ্ঞ রাজ পণ্ডিত মন্দিরের সাথে একটি পাকা ঘাট নির্মাণ করেন।


নাগাবাসুকি মন্দির দর্শনের সময়

মন্দিরটি সপ্তাহজুড়ে খোলা থাকে এবং দর্শনের সময় সকাল 5:30 থেকে রাত 10:30 পর্যন্ত। 


প্রতি বছর নাগ পঞ্চমী উপলক্ষে মন্দিরের কাছে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। এ সময় মন্দিরে প্রচুর ভক্তের সমাগম হয়। কুম্ভ, অর্ধ কুম্ভ, মাঘ মেলা এবং নাগপঞ্চমীর দিনে লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী মন্দিরে যান। পুরাণেও এই মন্দিরের বর্ণনা পাওয়া যায়। শ্রাবণ মাসে এই মন্দিরে শান্তি আচার করা হয়। নাগবাসুকি মন্দিরে রুদ্রাভিষেক, মহাভিষেক এবং কাল সর্পদোষ অনুষ্ঠান করা হয়।

নাগাবাসুকি মন্দিরটি এলাহাবাদ জংশন রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রায় 7.4 কিলোমিটার দূরে প্রয়াগরাজের নাগাবাসুকি এলাকায় অবস্থিত। রেলস্টেশন থেকে  সহজেই অটোরিকশা, ট্যাক্সি বা লোকাল বাসে করে মন্দিরে পৌঁছন যায়। সিভিল লাইন বাস স্ট্যান্ড থেকে নাগাভাসুকি পর্যন্ত নিয়মিত বাস চলাচল করে।

===========================

23>|| পিকনিকের কথা || লিখতে হবে

     || পিকনিকের কথা  ||লিখতে হবে।

      <-------আদ্যনাথ----->


কিছুদিন হল মনে ভীষণ হাঁসফাঁস,

খুঁজতে চাইছিলাম পিকনিকের ইতিহাস।

নানান ভাবনা চিন্তা মনকে করছে তাড়া,

শুধু লেজ খুঁজতেই আমি হলাম ছন্নছাড়া।


পিকনিকের ইতিহাস খুঁজতেই আমি জব্দ, জানলাম পিকনিক একটি ফ্রেঞ্চ শব্দ।    

এ শব্দের তাৎপর্য, প্রকৃতির মাঝে বসে, খাওয়া-দাওয়া আর হৈ হুল্লোড় করা। 


নদীতীরে,পার্কে,বন-বাদারে বা গ্রামের শেষে,

একটু আনন্দ করে খাওয়া সকলে মিলে মিশে। 

মাঠ ময়দান অথবা সবুজে ঘেরা খেত খানি, 

চড়ুইভাতি অথবা বনভোজনের আদর্শ 

স্থান জানি।


চড়ুইভাতির আছে অনেক নাম,

নানা দেশে নানা স্থানে ভিন্য ভিন্য নাম।

ভুলকা ভাত,উত্তরাঞ্চলের এক উৎসবের মতো,

ঠিক যেন আমাদের বনভোজের মতো।


ফসল কাটার পরে খালি মাঠে,

গ্রামবাসী মাতে ভুলকা ভাতে।

মাঠে উনুন বানিয়ে রান্নার করা,

ঠিক যেন আমাদের ছোট বেলা।


মাঠেই নানান রকমের খেলা ধুলা,

কেউ আনছে তরকারি, কেউ তেল, মশলা

সকলে মিলে রান্নার, সে এক মহাভোজের জটলা।

কলাপাতা নিয়ে সারি সারি বসে পড়া

সকলে মিলে একসাথে বসে খাওয়া।


সেদিন ছিল কত রকমারি সব খেলা

গোল্লাছুট, দাড়িয়াবান্ধা, হাডুডু,বউচি,

আরও কত খেলা যা প্রায় ভুলেই গেছি।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সব খেলা

রান্না শেষ হতেই কলাপাতা নিয়ে খেতে বসা।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই "চড়–ইভাতি"

বোধ হয় হারিয়ে যাচ্ছে, পিকনিক আর 

আধুনিকতার ভারে।

সেদিনের গ্রাম বাংলার সেই চড়ুইভাতি 

আজ আর পাইনা খুঁজে।


আমরা প্রতিবৎসর পিকনিকে মাতী

এ-যেন আমাদের এক আনন্দের রীতি,

একদিনের এ-হেন আনন্দ রীতি,

আমাদের হৃদয়ে বৎসর ভরের প্রীতি।


চড়ুইভাতি শব্দের উৎপত্তি এক মজার দৃষ্টি ভঙ্গি,

বন বাদাড়ে চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির

মিলে দুই সঙ্গী,

ওদের ডাকের ছন্দ ও সংগৃহীত খাবার একসঙ্গে খাওয়া,

এভাবেই হয়তো চড়ুইভাতি শব্দ খুঁজে পাওয়া। 



শিশু কালে মনেপড়ে শিশুদের সংগ্রহ করা চালে ডালে রান্না খাওয়াই হচ্ছে চড়ুইভাতি। 

পৌষের শীতে কিশোর-কিশোরীরা মিলে, বাড়ি থেকে চাল-ডাল হাঁড়িকড়াই নিয়ে,

খোলা জায়গায় অথবা গাছের নিচে ,

রান্না করে খাওয়া সকলে এক সাথে মিলে।


সেদিনের সেই চড়ুইভাতিতে খাবারের পাশাপাশি দিনভর খেলাধুলা আনন্দ -উৎসব হতো।

শীতের শুরুতেই চড়ুইভাতি জন্য সুন্দর জায়গা বাছা হতো।



আজ আমরা বনভোজ ভুলেই গেছি,

পিকনিক অর্থ শীতকালীন গেটটুগেদার বুঝি। 

ছেলেবেলার সেই চড়ুইভাতি, 

এখন কতোই না রকমফের রীতি।


পিকনিক সয়েছে অনেক বিবর্তন,

পিকনিক প্রথার শুরু বোধহয় 1692 সালে,

সেকালে কয়েকজন মিলে শীতকালে, 

খানাপিনা করতো সরাইখানায় গিয়ে। 


পরে এর সাথে যুক্ত হলো মনোরঞ্জক আড্ডা। 

সেদিনের সেই  পিকনিক ছিল শুধু রাজকীয় আয়োজনে। 

পরে সাধারণ মানুষও মাতে বিকল্প আয়োজনে।


আর সেই রাজা-বাদশার যুগে,

রাজার ছেলেরা সৈন্যসামন্ত নিয়ে,  ভোজনের আয়োজন করতেন বনে-জঙ্গলে গিয়ে।

আর এভাবেই বনভোজনের রেওয়াজ শুরু তখন থেকে।


সময়ের পরিবর্তনের অনেক গল্প হয়েছে পিকনিককে নিয়ে,

আজ বনভোজন হয় ডিজিটাল নিয়মে।

ঠাকুর চাকর রাঁধুনি ও গ্যাসের উনুন নিয়ে।

কেউ পিকনিক করে টুর প্যাকেজ নিয়ে।



আজ পাল্টে গেছে পিকনিকের  রূপ বৈচিত্র্য,

পিকনিকের নামে ভোজন,আনন্দ হৈ-হুল্লোরের চরিত্র।

এ সময় পিকনিক স্পট, ক্যাটারিং কোম্পানি, যাতায়াত ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয় অনেককেই।

===================

ফরাসী বিপ্লবে পিকনিকের কর্মকর্তা

ফরাসী রাজপুরুষরা,

ফ্রান্স ছেড়ে পালিয়ে অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া, আমেরিকায় জড়ো হয়। বেশিরভাগ পাড়ি দেয় ইংল্যান্ড। 

এভাবেই ফরাসী রাজপুরুষদের সাথে

পিকনিক ফ্রান্স জার্মানী সুইডেন ঘুরে  চলে আসে ইংল্যান্ডে।


(1763 সালে লেডি মেরি কোক বোনকে লেখা চিঠিতে পিকনিক পার্টির কথা উল্লেখ করেছেন) 


(উনিশ শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডে একত্রে বসে খাওয়ার ‘পিকনিক সোসাইটি’র উদ্ভব ঘটে।)

 ভিক্টোরিয়ান ব্রিটেনে পিকনিক ছিল সামন্ত প্রভুদের এস্টেটের আউটডোরে খাওয়া-দাওয়ার অলস অবসর।


পরে মধ্যবিত্তের জীবনে আসে পিকনিক অবকাশ। ইনডোরের বদলে আউটডোরে পিকনিক হয়ে ওঠে জনপ্রিয়।



চড়ুইভাতির সেকাল-একাল

চড়ুইভাতি বা বনভোজনের ইতিহাস আমাদের বেশ পুরনো। একটা সময় গ্রাম্য আবহে চোখে পড়ত দল বেঁধে রান্না-বান্না, খাওয়া-দাওয়া। তার আগে সংগ্রহ করা হতো চাল-ডাল, কেউ দিত মসলাপাতি। পাঠা, হাস  না মুরগি? এ দ্বন্দ্ব মেটাতেন মা-কাকিমারা। 

বাড়ির উঠোনেই চলতো রান্না, 

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেই লাগেজেতো

হুড়ো-হুড়ি।


তাতেই শিশুদের মন  আল্লাদে আটখানা ।

মাটিতে বসে কলাপাতায় সেই ভোজ খাওয়া,

সেএক আনন্দের শিহরণ জাগানো আদরে 

বিভোর হওয়া।

একদল রাঁধতো, অন্যরা  হৈ হুল্লোড়ে মেতে উঠত। 

কাছে নদীতে  বা পুকুরে ডুব সাঁতাররের রেষারেষি চলতো।

চলতো কানামাছি ভোঁ ভোঁ, হাডুডু,

দারিয়াবান্দা, খেলা


অনেকেই মনে করেন  ‘বনভোজনে’র সঙ্গে বাঙালিকে প্রথম পরিচিতি ঘটিয়েছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 1911 সালে,

তাঁর প্রকাশিত নাটক  ‘অচলায়তন,’ 

কবিগুরু নতুন শব্দ লেখেন "বনভোজন"। 


চোখের বালি উপন্যাসে আশালতা আর বিনোদিনীর সুন্দর পিকনিকের বেলা হৃদয়ে গেঁথে যায়। 


সত্যজিৎ রায়ের ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’র একটি দৃশ্যে পিকনিকে খেলতে বসে মেমোরি গেম দৃষ্টিনন্দন হয়ে আছে। 


মার্গারেট মিসেলের ‘গন উইথ দ্য উইন্ড’ নির্মিত হয়েছে একদল নগরবাসীর বনে গিয়ে পিকনিকে খাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে।


বনভোজন ও শিক্ষা সফর

বাঙালির জীবনে শীত মৌসুম এখন প্রীতি উৎসবে পরিণত হয়েছে। 

সঙ্গে যোগ হয়েছে বিচিত্র অনুষঙ্গ।


 দর্শনীয় স্থান পর্যটন এলাকা, কিংবা নিসর্গের কোন স্থানে দলবল নিয়ে ভ্রমণে গিয়ে একদিন বা কয়েক দিন অবস্থান পিকনিকের আমেজ পেয়েছে। 


কখনও সবাই মিলে পিকনিকের স্থান নির্ধারণ করা হয়। বনভোজনের আরও আধুনিক নাম হয়েছে শিক্ষা সফর। 


অর্থাৎ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর বিশেষ করে শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে বনভোজন বা শিক্ষা সফরের নামকরণে বনবোজন বা পিকনিক হচ্ছে।


হারিয়ে যাওয়া চড়ুইভাতি

‘একদিন দল বেঁধে ক’জনে মিলে যাই ছুটে খুশিতে হারিয়ে’… মান্না দের কণ্ঠের জাদুকরী গান মনে করিয়ে দেয়। ছেলেবেলার ‘রাঁধাবাড়া খেলা’ আজ কলেজ-ভার্সিটির জীবনে বাসে ‘বনভোজন’ ব্যানার টাঙ্গিয়ে দূরে কোথাও যাওয়া, বিচিত্রানুষ্ঠান কতই না মধুর। 


সুন্দর কণ্ঠের সঙ্গে হেড়ে গলার গানও চলে। 


আজকাল চড়ুইভাতি, বনভোজন বা পিকনিকের তকমা নিয়ে করপোরেট কালচারে রূপ নিয়েছে।

আর আমাদের গ্রামীণ পরিবেশের সেই ছোট্টবেলার চড়ুইভাতি আজ  বিলুপ্ত প্রায়।


আধুনিকতার ছোঁয়ায় চড়ুইভাতি হারিয়ে যাচ্ছে বনভোজন পিকনিক আরো কত নামের ভীরে।

মনেহয় নতুন প্রজন্মের কাছে চড়ুইভাতির  বিশেষত্বটা তুলে ধরা উচিত। এতে করে বাঙালির ঐতিহ্য ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে হাজার বছর ধরে।

=====================