Monday, June 1, 2026

20>বিশেষ বিশেষ মন্দির গুলি::--

 20>বিশেষ বিশেষ মন্দির গুলি::--


★1>কেবল মাত্র দীপাবলিতে খোলে ;;--


হাসানাম্বা মন্দির,কর্ণাটক,দীপাবলি:-


হাসানাম্বা অর্থাৎ "হাস্যোজ্জ্বল মাতা”

হাসানাম্বা মন্দির হলো কর্ণাটকের হাসান শহরে অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দির, যা দেবী শক্তি বা অম্বার প্রতি উৎসর্গীকৃত। মন্দিরটি দ্বাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল এবং পর্যটকদের শুধুমাত্র বছরে একবার অক্টোবর মাসে হিন্দু উৎসব দীপাবলির সময় মন্দিরটি পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় ।


ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয় যে এটি হোয়সালাদের পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত হয়েছিল এবং এতে সূক্ষ্ম কারুকার্যের নিদর্শন রয়েছে। এটি দেবী শক্তির প্রতি উৎসর্গীকৃত, যিনি স্থানীয়ভাবে হাসানাম্বা বা “হাস্যোজ্জ্বল মাতা” নামে পূজিত হন । হাসান শহরের নামকরণ হয়েছে এই অধিষ্ঠাত্রী দেবীর নাম থেকে, যা তাঁর গভীর প্রভাবের পরিচায়ক।


ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের হাসান শহরের ঐতিহাসিক হাসানাম্বা মন্দিরে বেশ কিছু অলৌকিক ঘটনা ও পৌরাণিক বিশ্বাস জড়িয়ে আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রধান


 অলৌকিক ঘটনাগুলো হলো:দীপাবলির সময় দরজা খোলা: এই মন্দিরটি বছরের মাত্র কয়েকদিনের জন্য (সাধারণত দীপাবলির সময়) খোলা হয় এবং বাকি সময় বন্ধ থাকে। আশ্চর্যজনকভাবে, দরজা বন্ধ থাকার পর যখন এক বছর পর খোলা হয়, তখন আগের বছর নিবেদন করা ফুল ও প্রদীপ অবিকল তাজা ও প্রজ্বলিত অবস্থায় থাকে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।


পাথরে রূপান্তর: একটি জনপ্রিয় বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবী হাসনাম্বা তার এক ভক্তের ওপর অত্যাচার করার জন্য সেই ভক্তের শাশুড়িকে অভিশাপ দিয়ে পাথরে পরিণত করেছিলেন।

কলিযুগের সমাপ্তি: কথিত আছে, সেই পাথরে পরিণত হওয়া পুত্রবধূর মূর্তিটি প্রতি বছর ধানের দানার সমান পরিমাণে দেবীর মূর্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মূর্তিটি যখন দেবীর পায়ের কাছে পৌঁছাবে, তখন পৃথিবীতে কলিযুগের অবসান ঘটবে বলে বিশ্বাস করা হয়।


দেবী হাসানাম্বা বা ‘হাস্যোজ্জ্বল মাতা’র মন্দিরটি দ্বাদশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়।

হাসনাম্বা যা দেবী শক্তিকে উৎসর্গ করে, যাকে অম্বা বা অম্বেও বলা হয় যার অর্থ মা।

===================


★2>ভুতের তৈরি মন্দির কোনটি?


 জনশ্রুতি অনুসারে, মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলায় অবস্থিত কাকনমঠ (Kakanmath) মন্দিরটি ভূতের তৈরি। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, একাদশ শতাব্দীতে ভূতেরা মাত্র এক রাতের মধ্যে এই শিবমন্দিরটি নির্মাণ করেছিল, তবে ভোর হয়ে যাওয়ায় এর চূড়াটি অসম্পূর্ণ রেখেই তারা পালিয়ে যায় ।


এই মন্দির সম্পর্কে কিছু উল্লেখযোগ্য তথ্য:অবস্থান: মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলার সিহোনিয়া (Sihonia) গ্রামে ।


নির্মাণশৈলী: কোনও রকম সিমেন্ট বা চুন ছাড়া কেবল পাথর দিয়ে এটি তৈরি । ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগেও এর মূল কাঠামো অক্ষত আছে ।


ঐতিহাসিক তথ্য: বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজা কীর্তিরাজ তাঁর রানি কাঁকনবতীর ইচ্ছা পূরণে মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন ।তাছাড়া, উত্তর প্রদেশের মেরঠের ভূতোনওয়ালা মন্দির (Bhootanwala Mandir) সম্পর্কেও একই রকম ভূতের তৈরি হওয়ার লোককথা প্রচলিত আছে ।


মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলার সিহোনিয়ার কাছে অবস্থিত কাঁকনমঠ। মন্দিরটি নির্মিত হয় আনুমানিক একাদশ শতাব্দীতে। তত্ত্বাবধান জনিত অবহেলার কারণে বর্তমানে তার ভগ্নপ্রায় অবস্থা।


 বিশ্বের সপ্তমাশ্চর্যের মধ্যে না পড়লেও, মধ্যপ্রদেশের এই অদ্ভুদ মন্দিরের আকর্ষণ কোনও অংশে কম নয়। কাকনমঠ নামে পরিচিত এই মন্দিরের আরেক নাম “ভূতের মন্দির”। 

==================



★3>কোন মন্দিরটি 17 বার ধ্বংস হয়েছিল?

 ১৭ বার ধ্বংস ও লুণ্ঠনের পর পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে গুজরাটের বিখ্যাত সোমনাথ মন্দির। 

আরব সাগরের তীরে অবস্থিত এই মন্দিরটি ভগবান শিবের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম। বারবার বিদেশি আক্রমণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়লেও ভারতীয় সংস্কৃতির এই পবিত্র প্রতীকটি বারবার তার হৃত গৌরব ফিরে পেয়েছে।

এই ঐতিহাসিক মন্দিরটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইতিহাস:--- শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বহিরাগত আক্রমণকারী ও লুটেরাদের দ্বারা এই মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১০২৬ সালে সুলতান মাহমুদ গজনভির আক্রমণ ছিল সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক।

পুনর্নির্মাণ: প্রতিবার ধ্বংস হওয়ার পরেই হিন্দু রাজারা সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণ করেছেন।


বর্তমান রূপ: ভারতের স্বাধীনতার পর, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের উদ্যোগে ১৯৫১ সালে মন্দিরটির বর্তমান রূপটি তৈরি করা হয়।সোমনাথ মন্দিরের বিস্তারিত ইতিহাস ও ভ্রমণ তথ্যের জন্য আপনি গুজরাটের পর্যটন ওয়েবসাইট ঘুরে দেখতে পারেন।এক আধবার নয়, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সোমনাথ মন্দির ১৭ বার ধ্বংস করা হয়।


=====================

★4>কোন মন্দিরটি 12 বছরে একবার খোলা হয়।

১২ বছরে একবারই পুজো হয় কলকাতার এই মন্দিরে।

লেক অ্যাভিনিউয়ে মুদিয়ালির কাছে আয়াপ্পার মন্দির।


লেক অ্যাভিনিউয়ে মুদিয়ালির কাছে একটি সংস্থা ১২ বছরে কুম্ভাভিশেখম নামে একটি বিশেষ পুজোর আয়োজন করে। যা শুরু হতে চলেছে আগামী ২৫ জুন থেকে। চলবে ২৯ জুন পর্যন্ত। প্রধান আরাধ্য দেবতা আয়াপ্পার রহস্যময় শক্তিকে সক্রিয় এবং একত্রিত করার জন্য় এই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয় বলেই জানানো হয়েছে।


প্রায় সাত দশক আগে তৈরি হয়েছিল এই মন্দির। এটিই কলকাতার একমাত্র মন্দির যেখানে ভগবান আয়াপ্পার উপাসনা করা হয়। কেরলের শবরীমালার মূল আরাধ্য দেবতা আয়াপ্পা।


মন্দির কর্তৃপক্ষের ভাইস প্রেসিডেন্ট এম বিশ্বনাথন জানিয়েছেন, পুজোর মূল অনুষ্ঠান হবে আগামী ২৯ জুন। শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে চলবে ১১টা পর্যন্ত।


কুম্ভাভিশেখমের পাশাপাশি এবছর মন্দিরের একটি নতুন দ্বার তথা রাজা গোপুরাম উদ্বোধন করতে চলেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও সংস্কার করা হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গনও। ভক্তদের সুযোগ সুবিধার কথা মাথায় রেখে চওড়া করা হয়েছে মন্দির চত্বর।


সকল দর্শনাথীদের পুজোপাঠে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বনাথন। টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এস বিশ্বনাথন জানান, 'মন্দির সংস্কারের কাজটি সম্পূর্ণভাবে করা হয়েছে অনুদানের টাকা দিয়ে। তামিলনাড়ুর কুদ্দালোরের চিদাম্বরম থেকে কারিগরদের আনা হয়েছিল মন্দির সংস্কারের কাজে। প্রায় ৪০ বছর পর এত বড় সংস্কার হল মন্দিরের।' তাঁর আশা কুম্ভাভিশেখমের সময় প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচশো দর্শনাথী মন্দিরে আসবেন। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, বিশেষ পুজোর সময় প্রতি শনিবার প্রায় একশো থেকে দেড়শো দর্শনাথীদের সমাগম হয় মন্দিরে।


ভক্ত এবং শুভাকাঙ্খীদের সমর্থনে এক বৃহৎ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চলেছে সাস্থা সামুহাম ( Saastha Samooham) গোষ্ঠীর এই মন্দির। এই প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে হাজারেরও বেশি। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজও করে এই সংস্থা।

=======================



★5>শবরীমালা মন্দির -কেরল::---


প্রসঙ্গত, প্রতিবছর মকর সংক্রান্তিতে পূন্যার্থীদের ঢল নামে কেরলের শবরীমালা মন্দিরে। সঙ্গে হয় আকাশছোঁয়া আয়ও। শবরীমালা মন্দিরের আয়ের একটি বড় অংশ খরচ হয় ত্রিবাঙ্কুর এলাকার ছোট মন্দিরগুলিতে। টিডিপি কর্মীদের সেই টাকা থেকেই বেতন দেওয়া হয়। অর্থের বিনিময়ে পুজোর বিশেষ বুকিং করা হয় শবরীমালা মন্দিরে। নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিয়ে প্রসাদও কিনতে পারেন ভক্তরা।

========================

Friday, March 20, 2026

19>ভারতের প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা::--

 19>ভারতের প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা::--


ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা (নিউক্লিয়ার টেস্ট) ১৮ মে ১৯৭৪ তারিখে সকাল 8টা 5 মিনিটে

রাজস্থানের পোখরানে পরিচালিত হয়েছিল, যার সাংকেতিক নাম ছিল 'স্মাইলিং বুদ্ধ' (Smiling Buddha) বা পোখরান-১। এটি ছিল ভারতের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা এবং এর মাধ্যমে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।


তারিখ: ১৮ মে, ১৯৭৪ সকাল 8:05 মি:.



স্থান: পোখরান টেস্ট রেঞ্জ, রাজস্থান ।

কোড নাম: স্মাইলিং বুদ্ধ (Smiling Buddha) ।

ধরণ: এটি একটি "শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক বিস্ফোরণ" হিসেবে দাবি করা হয়েছিল ।

নেতৃত্ব: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর

প্রস্তুতকারক: ভারত সরকার ।

নেতৃত্ব: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী । 

18>গাছের মিলিবাগ দূর করতে

 18>গাছের মিলিবাগ দূর করতে::

Actara--আধাগ্রাম (1/2gram) এক লিটার জলে + 

Rogor Plus --1 ml একলিটার জলে মিশিয়ে 


দুটি একসথে মিশিয়েও ব্যবহার করতে হবে।

বৎসরে দুই বার।

===================+++