Friday, March 20, 2026

19>ভারতের প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা::--

 19>ভারতের প্রথম পারমানবিক পরীক্ষা::--


ভারতের প্রথম সফল পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা (নিউক্লিয়ার টেস্ট) ১৮ মে ১৯৭৪ তারিখে সকাল 8টা 5 মিনিটে

রাজস্থানের পোখরানে পরিচালিত হয়েছিল, যার সাংকেতিক নাম ছিল 'স্মাইলিং বুদ্ধ' (Smiling Buddha) বা পোখরান-১। এটি ছিল ভারতের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা এবং এর মাধ্যমে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।


তারিখ: ১৮ মে, ১৯৭৪ সকাল 8:05 মি:.



স্থান: পোখরান টেস্ট রেঞ্জ, রাজস্থান ।

কোড নাম: স্মাইলিং বুদ্ধ (Smiling Buddha) ।

ধরণ: এটি একটি "শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক বিস্ফোরণ" হিসেবে দাবি করা হয়েছিল ।

নেতৃত্ব: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর

প্রস্তুতকারক: ভারত সরকার ।

নেতৃত্ব: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী । 

18>গাছের মিলিবাগ দূর করতে

 18>গাছের মিলিবাগ দূর করতে::

Actara--আধাগ্রাম (1/2gram) এক লিটার জলে + 

Rogor Plus --1 ml একলিটার জলে মিশিয়ে 


দুটি একসথে মিশিয়েও ব্যবহার করতে হবে।

বৎসরে দুই বার।

===================+++


Wednesday, November 26, 2025

17>|| अपने भीतर श्री राम // हनुमान ||

    17>||. अपने भीतर श्री राम // हनुमान ||


हमें अपने भीतर भगवान श्री राम/भगवान श्रीकृष्ण /पवनपुत्र हनुमान जी को गढ़ना है । 

ऐसे देवता के दिव्य गुणों से हम अपने हृदय में स्थित राक्षसों का नाश कर सकते हैं एवं शुभ शक्ति की प्रकाश की उपलब्धि करसकते है।

तभी अंदर में शुद्ध चेतना की जागृत होंगे और मनचाहे फल प्राप्त होंगे।

कुछ पानेके लिए कुछ कर्म करना होंगे।

यदि आप तालाब में स्नान करना चाहते हैं, तो आपको तालाब में उतरना होगा। 

ईश्वर से कुछ पानेके लिए ईश्वर को हृदय में गढ़ना/स्थापित किया जाना चाहिए।


अतः जबतक हृदयमे ईश्वर को स्थापना नहीं करसकते है, तब तक जीवन कठिन है । 

मनुष्य जबतक ईश्वर को हृदय में स्थान नहीं देते है तब तक जीवन मूल्य हीन।

अतः आपने को पहचानो, अपनेको जानो,

मनकों स्थिर करो और हृदय में देखो।

अपने आपको पूछो कि आप कौन है!


एक स्निग्ध स्पंदन अनुभ करो।

हर  साँस  में ध्यान दे " ॐ " की स्पंदन नाभि मूल से उत्पन्न होकर अनंत में मिलकर फिर वापस नाभि मूल में ही लय होते रहते है।

ए एक बृहत पक्रिया ।

उसमें ध्यान देना अभी जरूरी नहीं ।अभी सिर्फ मनकों एकाग्र करते हुएं मंत्र की जप करो।



Wednesday, May 21, 2025

16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---

 16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---


ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছিল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। গড়ের মাঠের জেলখানা সরিয়ে তৈরি হয় এই স্মৃতিসৌধ। একটু জোরে হাওয়া দিলেই বিভিন্ন দিকে ঘুরে যায় ভিক্টোরিয়া পরী। জর্জ অরওয়েলের ১৯৩৯ সালে লেখা ‘1984’ উপন্যাসের সেই বিখ্যাত ‘বিগ ব্রাদার ইস ওয়াচিং ইউ’ স্লোগানটার কথা মনে পড়ে? ওই উপন্যাস লেখারও অন্তত আঠারো বছর আগে প্রায় সেই রকমই একটা স্লোগান উঠেছিল গত শতকের বিশের দশকের গোড়ায় কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির পর। কিন্তু কেন? কারণ হল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভবনের মূল গম্বুজের উপরে বসানো সেই বিখ্যাত ‘পরী’!

বিশাল আকার সৌধের প্রধান হলের ঠিক মাথায় রয়েছে একটা গম্বুজ আর গম্বুজের বাইরের দিকে একটা পারা বা মার্কারি দিয়ে ভরা ব্রোঞ্জের গ্লোব। গ্লোবের উপর দাঁড়িয়ে আছে প্রায় সাড়ে ছয় টন ওজনের ব্রোঞ্জের তৈরি এক নারীমূর্তি, বাঁ হাতে একটি লম্বা শিঙা ফুঁকছে। ডান হাতে একগুচ্ছ ফুল, পেছনে দুটো পাখা। মূর্তির বৈশিষ্ট হল, একটু জোরে হাওয়া দিলেই সে ঘুরে যায় বিভিন্ন দিকে। আর তাই নিয়েই সে যুগে তৈরি হয়েছিল নানা গুজব। শোনা যায়, কেউ কেউ রটিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এঞ্জেল ইস ওয়াচিং ইউ’। অর্থাৎ ওই পরী নাকি ব্রিটিশদের চর। ২০০ ফুট উঁটু থেকে চারিদিক ঘুরে কলকাতাবাসীদের উপর নজর রাখছে।

১৯০১ সাধারণাব্দের জানুয়ারি মাসে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয়। লন্ডন থেকে মৃত্যু সংবাদের টেলিগ্রাম তৎকালীন ভারতের রাজধানী কলকাতার লাটভবনের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল। পরের দিন থেকেই দেশের অভিজাত সম্প্রদায় রানির মৃত্যুতে শোক পালনের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল। বাঙালিও অংশ নিল সেই শোক পালনের প্রতিযোগিতায়। পাথুরিয়াঘাটার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উদ্যোগে হিন্দু পারলৌকিক বিধি অনুসারে মৃত্যুর তারিখ থেকে বারো দিনের দিন সঙ্গীত সমাজের ব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মানুষ মাতৃবিয়োগের সমান শোকচিহ্ন অর্থাৎ সাদা ধুতি ও সাদা উত্তরীয় পরে খালিপায়ে গড়ের মাঠে কীর্তন অনুষ্ঠানে যোগদান করল। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে কর্নওয়ালিশ স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান বিধান সরণির উপর বিডন স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে মেছুয়াবাজার স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তার উপর ফুটপাথ ধরে চারটি সারিতে কাঙালি ভোজন বা দরিদ্রনারায়ণ সেবা করানো হল। মেনু ছিল— খিচুড়ি, কপির তরকারি, দই, বোঁদে এবং ভীমনাগের দেওয়া সন্দেশ। খিচুড়ি তৈরি করতে লেগেছিল, সাড়ে চার টাকা মণ দামের দেড় শো মণ বালাম চাল, সেই পরীমাণ ডাল, ১২ মণ ঘি, হলুদ, লঙ্কা প্রভৃতি মশলা। সেই সময়ে ভারতের গর্ভনর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তাঁর প্রস্তাব অনুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নানা শিল্পবস্তু দিয়ে সাজানো এক স্মৃতিসৌধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, নাম হবে ‘ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল’। ময়দানের দক্ষিণ অংশে ক্যাথিড্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর যেখানে আগে একটা জেলখানা ছিল, সেই জায়গা পছন্দ হল কার্জন সাহেবের। সৌধ তৈরির জন্য সেই জেলখানাকে সরিয়ে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হল আলিপুরে। সেটাই এখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল নামে পরীচিত, যা আবার এখন স্বদেশি মিউজিয়ামে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫৪ একর জমির উপর সেই সৌধ তৈরির কাজ শুরু হল। ১৯০৬-এর ৪ জানুয়ারি, রানির নাতি জর্জ প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স, বা পরবর্তীকালের রাজা পঞ্চম জর্জ, কলকাতায় এসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেলেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের। স্যর উইলিয়ম এমারসনের নকশায় বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে সাদা মার্বেলের এই সৌধ তৈরি হতে সময় লেগেছিল প্রায় পনেরো বছর। খরচ হয়েছিল এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা, যার সবটাই এসেছিল রাজা-মহারাজা ও সাধারণ মানুষের দেওয়া দান থেকে। মাটি থেকে ৮ ফুট উঁচু, ৩৯৬ ফুট লম্বা এবং ২২৮ ফুট চওড়া মূল সৌধের চারদিকে চারটে টাওয়ার। ভিতরের দুটো তলা মিলিয়ে অনেকগুলো ঘর সাজানো হল বিভিন্ন শিল্পবস্তু দিয়ে। ১৯২১ সাধারণাব্দের ২৮ ডিসেম্বর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দ্বার উদ্ঘাটন করেন প্রিন্স ওফ ওয়েলস এডোয়ার্ড অ্যালবার্ট। 


সংগৃহীত

Wednesday, May 14, 2025

15/5/25 Number of Zeros ::---

15/5/25 Number of Zeros ::---

Ten =------------------------=1 Zero

Hundred=--------------------=2 Zeros

Thousand---------------------=3 Zeros

Ten thousand=--------------=4 zeros

Lakh-----------------------------= 5 Zeros

Million= -------------------------=6 Zeros

Billion=--------------------------=9 Zeros

Trillion=------------------------=12 Zeros

Quadrillion =----------------=15 Zeros

Quintillion=-------------------=18 Zeros

Sextillion=--------------------= 21 Zeros

Septillion=-------------------=24 Zeros

Octillion=--------------------=27 Zeros

Nonillion=--------------------=30 Zeros

Decillion=--------------------=33 Zeros

Undecillion=----------------=36 Zeros

Duodecillion=---------------=39 Zeros

Tredecillion=-----------------=42 Zeros

Quatttuor-decillion=--------=45 Zeros

Quindecillion=-----------------=48 Zeros

Sexdecillion=--------------------=51 Zeros

Septen-decillion=--------------=54 Zeros

Octodecillion=-------------------=57 Zeros

Novemdecillion=---------------=60 Zeros

Vigintillion=-----------------------=63 Zeros 

Centillion=--------------------------=303 Zeros

===========================


14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

 14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

বাঁকুড়ার উপকণ্ঠে অবস্থিত এক্তেশ্বরের মন্দির।

এক্তেশ্বর বা একতেশ্বর হল পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সদর বাঁকুড়া শহরের উপকণ্ঠে দ্বারকেশ্বর নদের তীরে অবস্থিত একটি অঞ্চল। পূর্বে এটি ছিল একটি গ্রাম।


এক্তেশ্বর মন্দির নামে একটি শিব মন্দিরের নামানুসারে "এক্তেশ্বর " নামটির উৎপত্তি ঘটেছে। বিষ্ণুপুরের রাজা এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। ল্যাটেরাইটে নির্মিত এই মন্দিরটিতে পরবর্তীকালে বেলেপাথর ও ইঁটের কাজ যুক্ত হয়। প্রতি বছর চৈত্র মাসে চরক পূজা এই মন্দিরে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।


এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবের একটি একপদ মূর্তি পূজিত হয়। এই ধরনের শিবমূর্তি অন্য কোনও শিব মন্দিরে দেখা যায় না।


মন্দিরটিরও স্বকীয় একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটির কাঠামো অত্যন্ত দৃঢ়, যা বাংলার অন্যান্য মন্দিরে সাধারণত দেখা যায় না। মন্দিরটি বাংলার নিজস্ব শৈলীতেও নির্মিত হয়নি। চূড়াটি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাই এটিকে দেখলে অসম্পূর্ণ মনে হয়।


অনেকে মনে করেন, এক্তেশ্বর মন্দিরে পূজিত দেবতা হলেন একপদেশ্বর। তবে বর্তমান বিগ্রহটি একপদেশ্বরের নয়। পূর্বে একপদেশ্বরের মূর্তি ছিল কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, বিষ্ণুপুর ও সামন্তভূম রাজ্যের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তি করার জন্য স্বয়ং শিব ধ্যানে বসেছিলেন এবং এক্তেশ্বরের মূর্তিতে দুই রাজ্যের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দণ্ডায়মান হন।

======================


শাস্ত্রে বলে, ইন্দ্রিয়বৃত্তিই অসুর। এই অসুরই বন্ধনের কারণ। আর এই বন্ধন হতে মুক্তি অর্থাৎ, মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষাতেই একেশ্বরের আরাধনা।


একতার প্রতীক শৈবতীর্থ এক্তেশ্বর

‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। 


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি।




লোকশ্রুতি রয়েছে, ‘অন্ধ গ্রাম’ অর্থাৎ, আজকের ওন্দা, ভাদুল, বীরসিংহপুর, ভীমপুর, তপোবনের অধিবাসীরা হিন্দু জীবনশৈলি সমন্বিত অসুর সম্প্রদায়ের অথবা জনগোষ্ঠীর অংশ ছিলেন। প্রাচীন যুগে সমস্ত কোল গোষ্ঠীর মানুষ ‘অসুর’ অর্থাৎ শক্তি-সম্পন্ন নেতা নামে অভিহিত হতেন। তাঁরা নিজেদের সূর্যের সন্তান বলে প্রচার করতেন। এই আদিবাসীরা ছিলেন একেশ্বরবাদী।


হয়তো এই একেশ্বর বাদ থেকেই  এক্তেশ্বর শব্দের উৎপত্তি! 


বাঁকুড়া শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে দ্বারকেশ্বর নদের বাম তীরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন মন্দিরগুলির অন্যতম এই এক্তেশ্বর শিবমন্দির। 


এই প্রাচীন শৈবতীর্থে এক্তেশ্বর শিব স্বয়ম্ভু। বাঁকুড়ায় শতাধিক শিবমন্দির রয়েছে। মল্লেশ্বর, বহুলাড়াতে সিদ্ধেশ্বর, জয়পুরে গন্ধেশ্বর, ভুবনেশ্বর, পাত্রসায়রে কালঞ্জয় শিব বিখ্যাত। শৈবতীর্থ এক্তেশ্বরে প্রতিদিনই পুজো হয়। ফাল্গুন মাসে, শিব চতুর্দশী তিথিতে এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে কয়েক হাজার নরনারীর সমাগম হয়।


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন ও আগের দিন নখ কেটে নিরামিষ আহার করেন। রাতে মহাসমারোহে এক্তেশ্বরে ব্রতীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। রাত্রে ব্রতীরা মন্দিরের আটচালায় সারারাত জেগে কাটান। শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে মেলাও বসে। আগত দর্শকমণ্ডলীর সমাগমে একই সঙ্গে বাউল গান, রামায়ণ গান শোনা যায়।


আচার্য যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি 

বলেছেন ‘বেদে এক পাদেশ্বরের উল্লেখ আছে। যে নামটি অপভ্রংশ এক্তেশ্বরে এসে দাঁড়িয়েছে’।


মন্দিরের কুণ্ডের মধ্যে যে শিবলিঙ্গটি রয়েছে, সেটি নাকি দেখতে অনেকটা মানুষের পায়ের মতো। জনশ্রুতি রয়েছে, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজার সঙ্গে ছাতনার সামন্তভূমের রাজার রাজ্য সীমানা নিয়ে বিবাদ হলে, তার মীমাংসা করেন স্বয়ং শিব। দুই সীমানার সংযোগস্থলে একতার প্রতীক হিসেবে এই এক্তেশ্বর মন্দির স্থাপিত হয়। বিদ্যানিধি মহাশয়ের মতে, এক্তেশ্বর মন্দিরের শায়িত শিবলিঙ্গ বাঁকা ভাবে অবস্থিত হওয়ায় এই স্থানের নাম হয়ে থাকতে পারে বাঁকুড়া। বিদ্যানিধি মহাশয়েরই অন্য মতে ‘বাম কুণ্ড’ (বাম দিকের ঝর্না জলধারা) শব্দের অপভ্রংশ হয়ে এই ভূমের নাম ‘বাঁকুড়া’ হয়েছে। তবে বর্তমানে বাঁকুড়া মৌজায় এমন কোনও ঝর্না বা জলধারার বর্তমানে অস্তিত্বই নেই। কিন্তু ক্ষেত্রনুসন্ধান করে জানা যায়, প্রাচীন কালে জলধারার নিদর্শন ছিল।


এক্তেশ্বরে পাথরের শিব মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট। এটি পশ্চিমমুখী। ল্যাটেরাইট (মাকড়া) প্রস্তর দ্বারা সুন্দর ও সুগঠিত। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের রিপোর্টের অষ্টম খণ্ডে জে.ডি. বেগলার লিখেছেন, এক্তেশ্বরের মন্দিরটি অন্তত তিন বার সংস্কার হয়েছে। মন্দিরের শিখর এক সময় ভেঙে পড়েছিল। তার পুনর্নির্মাণের সময় উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মন্দিরটি একাধিক বার সংস্কারের ফলে সাবেক রেখদেউলটি বর্তমানে ‘পীঢ়া’ বা ভদ্রদেউলের আকার নিয়েছে। প্রাঙ্গণে ছোট ছোট উপমন্দিরের মধ্যে, এক ভগ্ন বাসুদেব মূর্তির নিম্নাংশ রয়েছে। চার ফুট উচ্চতা ও আড়াই ফুট প্রস্থের এক দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তি। সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা এবং পৌনে দু’ফুট প্রস্থের এক গণেশ মূর্তি ও একটি নন্দী-বৃষের মূর্তি আছে। উপমন্দির প্রাঙ্গণে একটি দু’ফুটের চণ্ডী নামে পূজিত মূর্তি দেখা যায়। সব কটি প্রাচীন মূর্তিই পাথরের এবং সুন্দর। অনুমান হয় আদিতে এ বিগ্রহগুলি সাবেক মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে (অধুনা শূন্য) কুলঙ্গিগুলিতে রক্ষিত ছিল।


এক্তেশ্বরে দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তিটি লৌকিক দেবী মনসা ও খাঁদা রানি নামে পূজা পাচ্ছেন। তাঁর ডান পায়ে সামান্য ফাটল লক্ষ্য করা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নীচে, অশ্বত্থ বৃক্ষমূলে মাটির বেদিতে মাটির হাতি-ঘোড়ার সঙ্গে দু’টি পাথরের পা ও প্রত্নবস্তুগুলি অবহেলায় পড়ে আছে। এই প্রত্নমূর্তিগুলি গৌরবের স্মারক। এগুলি যত্ন সহকারে রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।


শিবমন্দির চত্বরে পিছনের পূর্ব কোণে সামান্য দূরে সূর্য মন্দির (‌সোনাতপলের দেউলটি) অবস্থিত ছিল। বন্যার ফলে দ্বারকেশ্বর নদের গতি পরিবর্তন এক্তেশ্বর শিব মন্দির ও সোনাতপলের সূর্য মন্দিরকে আলাদা করেছে।

°==================





Tuesday, May 13, 2025

13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1 to 0)

 13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1  to  0)



1>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের---

    ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমার-এর বিখ্যাত উক্তিটি মনে পড়ে ৷


 “যদি শাস্ত্র বুঝিয়া থাকি, তবে তীর্থদর্শনে যেরূপ পরকালের কর্ম হয়, বাটী বসিয়াও সেরূপ হইতে পারে।”


 বৃদ্ধ কহিলেন, “তবে তুমি এলে কেন?”


 যুবা উত্তর করিলেন, “আমি ত আগেই বলিয়াছি যে, সমুদ্র দেখিব বড় সাধ ছিল, সেইজন্যই আসিয়াছি।” পরে অপেক্ষাকৃত মৃদু স্বরে কহিতে লাগিলেন, “আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না।


“দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী

তমালতালীবনরাজিনীলা।

আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশে-

র্দ্ধারানিবদ্ধেব কলঙ্করেখা॥”

===========================

          ( 2 )

"The mind is its own place, and in itself can make a heaven of hell, a hell of heaven.."

John Milton, Paradise Lost


মানুষের মন নিজেথেকেই  স্বর্গকে নরক ও নরক কে স্বর্গ বানিয়ে দিতে পারে।

======================

       ( 3 )

 चोर को खाँसी और संत को दासी

मुसीबत में डाल देती है सही।


अति प्यार देने से बेटा बिगड़े

भेद देने से नारी

लोभ देने से नोकर बिगड़े

धोखा देने से यारी।


गुण मिले तो गुरु बनाओ, 

चित्त मिले तो चेला,

मन मिले तो मित्र बनाओं, 

वर्ना रहो अकेला ।


হিন্দিতে একটি প্রবাদ

তার একটু অংশ বাংলায়--


চোরের যদি হয় কাশি, 

সাধুর যদি মিলে যায় দাসী,

উভয় কেই হতে হবে সংকটে দোষী।

অতি আদরে ছেলে নষ্ঠ,

লোভ দিলে চাকর নষ্ঠ,--------

,-----------

==========================