Saturday, July 6, 2019

13>শুভ জন্মদিন---( 1--5)


  • শুভ জন্মদিন

1>ফেসবুক জানিয়ে দিল ------
আজ তোমার শুভ জন্মদিন।
এক আনন্দের দিন।
আজ প্রকৃতির অপূর্ব আভাষ,
স্নিগ্ধ স্নেহ পরশের সুভাষ।

প্রকৃতি নিজেকে রাঙিয়েছে
নানান ফুলের সৌরভে,
প্রকৃতি আজ আনন্দে উদ্ভাসিত
জানি তোমার হৃদয় আনন্দে প্লাবিত।

আজ তোমার শুভ জন্মদিনে,
হৃদয়ের শুভেচ্ছার ডালি লয়ে,
আদর মাখা ভালোবাসা দিয়ে,
আমরা জানাই শুভেচ্ছা প্রাণ মন দিয়ে।

জীবন ক্ষণিকের কিন্তু ক্ষুদ্র সে নয়,
হৃদয়ের অলিন্দে সর্বশক্তিমান রয়।
চেতন আত্মা সদা জাগ্রত রয়,
মঙ্গলময় ঈশ্বর সেথা জাগ্রত রয়।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা নেবে,
ভালো থাকবে সুন্দর  মনে।
অফুরন্ত আনন্দ থাকুক  হৃদয়ে,
প্রতিদিন উন্নতি হোক ধনে, জ্ঞানে।

আনন্দ মুখরিত সুন্দর এই ভুবনে,
প্রভাতে বাতাস বলেগেল কানে কানে।
তোমার জন্ম দিনের শুভ ক্ষণ,
হরষিত পুলকিত বিশ্ব ভুবন।

আজকের এই শুভ ক্ষণে
আমরা জানাই সাদরে,স্বজ্ঞানে।
ভুল ভ্রান্তি অন্যায় আচরন,
তোমার প্রতি করেথাকি যদি কখন।
করেদিও ক্ষমা তোমার নিজ গুণে,
আমার মতন এই অধমেরে।
                  ইতি
         আদ্যনাথ রায় চৌধুরী
          Dt :06/12/2019::_
            সকাল 00:00 am
===========================



    2> आज आपके जन्मदिन-
प्रोकिती भी आज हर्ष मुखरित भर दिन।
शीतल बाताबरण में उष्ण आवरण का आभाष,
आपका स्नेह परस के शुभाष।
आपके जन्मदिन पर मेरा हार्दिक शुभ कामना।
ए खनिकजीबन मिला शुभ कर्म और ईश्वर चेतना
के लिए।
सदाके लिए  मंगल मय हो आपके जीबन।

 ---------------इति.
||--©➽ए एन राय चौधुरी---||
           ||-:कलकत्ता::25/06/2019 ||

3>आपका जीबन शोइली मेरे तथा परबर्ती प्रोजन्म के
पाथेय।
इसलिए हर बक्त आपको इआद आते हैं।

4>.||-GOD IS GOOD-
HE is good for ever and always
HE is always ready to take care
of all yours Needs

HE touch your life
with joy and Contentment
HE is ready to bless your heart
with Love and Faith
HE Comfort your Soul
with Gladness and inner Peace.

HE Grant you good health lasting Comfort
And relief from the burdens of life.
So the day is a beautiful day to you.
------------

5>||"ईश्वर मंगलमय" //

ईश्वर सदा सर्बदा आपके मंगल करते हैं।
करते रहेंगे।
ईश्वर तबतक आपके साथ रहेंगे,
जबतक आप दुषरे के लिए
सोचते और कुछ भी करते रहेंगे।
ईश्वर सदा सर्बदा आपके हर जरूरत
पूरा करनेके लिए
आपके पाश ही खरे हैं।
ईश्वर सर्बदा आपके हृदय
एबं मन को आनंद, फुर्ती और
तन्दुरुरती प्रोदान करनेके लिए त्तपर हैं।

ईश्वरके चाहत हैं, आपका हृदय ,
मन,सदा सर्बदा प्रेम,प्रीति,एबं आनंदसे परी पूर्ण रहे।
ईश्वरके चाहत हैं, आपके आत्मा सर्बदा शांति मय रहे।
ईश्वर आपके हर बोंझ हल्का
आराम दायक करनेके लिए तईयार हैं।.
जिससे आपका प्रोत्येक दिन
शुसोभोंन,शुन्दर,मंगलमय हों।
ईश्वर एक हैं, सबके मंगल करते हैं।
ईश्वर चाहते हैं सर्फ़ आपका बिश्वास,
 प्रेम,भकक्ति।
और काम करते चलिए, दुसरेके लिए,।
मनुष्य जीबन ही दुषरे के लिए ।
पशु जीते हैं आपनेके लजिये।
पशु के भाती मत जिये।
जिये तो मनुष्य के भाती जिये।
दूसरे के लिए जीना ही जीना।
है दोस्त एहि हैं मेरे निर्देश,
मेरा प्रार्थना,आपके लिए।
              इति.
||--©➽ए एन राय चौधुरी---||
           ||-:कलकत्ता::२५/०६/२०१९||
||=============================||

Friday, March 8, 2019

।।-একদিনের গল্প -।।--01/03/2019::-02:12:18am

।।-একদিনের গল্প -।।--২৭/১১/২০২০::-02:12:18am
                 <--©➽--আদ্যনাথ-->
খাবার লোভ টা চিরদিনই আমার একটু বেশি। খাবারের লোভে ছুতে যাই নানান স্থানে। সেদিন ১৯৬৮সাল মনে আছে ,আর চিরদিন মনে থাকবে,কিন্তু দিনতারিখ মনেনাই , যেটুকু মনেআছে সেইটুকুই লিখতে বসেছি। সেদিন  ৪-৫দিন ধরে বেশ ভালো বৃষ্টি হচ্ছিলো  তাই ইলিশ মাছ খেতে ইচ্ছা করছিল ,আর সাথে সাথে টাকির রহমানের কথা মনে পড়লো।বসিরহাটে আমাদের পরিচিত এক  ঘরামী সম্ভূকাকুর  
মারফত এই রহমানের সাথে আলাপ।  রহমানের বাড়ি ইছামতি নদীর কাছে। ওদের   নিজের নৌক আছে, আমি বেশ কয়েকবার ওর বাড়িতে গিয়ে রহমানের বাবার সাথে  ইছামতি নদীতে নৌকায় ঘুরেবেরিয়েছি। তাই সেদিন ও ওই ইলিশ মাছ খাবার লোভে পৌঁছে গিয়েছিলাম টাকিতে। প্রত্যের বার বসিরহাটে গিয়ে সম্ভূকাকুর ছেলে শঙ্কর আর আমি দুজনে পৌঁছে যেতাম রহমানদের বাড়িতে। আবার বিকেলের দিকে  বাসে করে ফিরে  আসতাম। কোন কারনে  দেরি হয়ে গেলে রাত্রে শঙ্করদেড় বাড়িতে থেকে সকালে  ফিরে আসতাম।   
ইছামতি নদীতে নৌকার দিনভর মাছ ধরা আর  ঘুরে বেড়ানোর সেকি আনন্দ , সেকথা ভাষায় প্রকাশ করা বাড়ি কঠিন। 
ইছামতী এক আন্তঃদেশীয় নদী যা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা হিসাবে কাজ করে।
ইছামতি নদী দুইবাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস ও সাহিত্যে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছে। মোগল শাসনকালে বিখ্যাত ‘বারো ভূঁইয়াদের’ (১২ জন স্থানীয় রাজা)একজন রাজা প্রতাপাদিত্যের সাম্রাজ্য এই নদীর পাশে অবস্থিত ছিল। 

বিখ্যাত সাহিত্যিক  বিভূতিভুষন বন্দ্যোপাধ্যায় এর বাড়ি বনগাঁতে ইছামতি নদীর তীরে ছিল। 
তিনি  তাঁর  সাহিত্যে ইছামতি নদীটিকে অমর করে গেছেন । ইছামতী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম প্রিয় নদী ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , মাঝে মধ্যেই এই নদীপথে তাঁর জমিদারি তত্ত্বাবধানের কাজে শিলাইদহ যেতেন এবং এই যাত্রাগুলির সময় তিনি অসংখ্য চিঠি, কবিতা এবং গান রচনা করেছিলেন। 
এইসকল কারণেই বলছিলাম যে ইছামতি তে নৌকা ভ্রমণের বর্ননা করা আমার কর্ম নয়। 
ইছামতির এক পারে ভারত আর অপর পারে পূর্ব বাংলা ( তখন বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি )। 





Wednesday, February 27, 2019

11> ||--দাদু ভাই--||

||--দাদু ভাই--||
            <--©➽--আদ্যনাথ-->

দাদু ভাই, দাদুভাই দুবার ডাক শুনেই আমরা ছুটে যেতাম উঠোনে, মা ও আসতেন আমাদের সাথে।
প্রত্যমেই আমরা জানতে চাইতাম কোথা থেকে আসলো বাজার, দোকান, কোথায় কি হোল,মা জানতে চায় অনিমারা (আমাদের মাসি) কেমন আছে এবং একটু গল্প শুনতে চাইতাম আমরা ওনার কাছে।
হিন্দিমিশ্রিত বাংলায় কথা বলতো। কত গল্পই না জানতো। কি সুন্দর করে বলতো।

হ্যা এই দাদুভাই আর কেউনয় একজন মহিলা ভিখারিনী রূপেই সকলের  কাছে পরিচিত। তবুও আমরা কোনদিন
ভিখারি বলে ভাবতাম না, আমরা ভাবতাম উনি আমাদের মা এর কোন জানাশোনা বা আত্মীয়।


সম্ভবত তিনি বাঙালি ছিলেন না।
এখন বুঝতে পারি যতদূর মনেপরে ওনার কথা বলার টানে তিনি বিহার বিশেষত ছাপড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এমনিতে মনেহবে তিনি ভিক্ষা কোরতেই আসতেন।
এই ভিক্ষা বৃত্তির আড়ালে তিনি এপার সেপাড়া ঘুরতেন ও আশেপাশে মা,মাসি দের ও ছেলে মেয়েদের খবরাখবর দিতেন।বেলঘড়িয়া থেকে আগরপাড়া, সোদপুর, আড়িয়াদহ,দক্ষিণেশ্বর এই বিস্তীর্ণ এলাকায় উনি ঘুরে বেড়াতেন, এবং এই সকল এলাকায় কার কোন আত্মীয় কোথায় থাকেন সে গুলি তার নখ দর্পণে ছিল।ফলে সকলের খবর সকলকে আদান প্রদান করতেন।এমনটা তার বিচিত্র স্বভাব।
সে সময়ে তো আর মোবাইল বা টেলিফোন ছিলোনা,
ফলে মা মাসিরা ভীষণ খুশি হতেন এই দাদু ভাই আসলে। আমরাও খুশি হোতাম রোজ নুতন নুতন গল্প শুনতে পাওয়ার কারণে । ওনার গল্প মানে রোজ যা খবর উনি জোগাড় করতেন সেগুলিকে ই সুন্দর করে বলতে পারতেন। এটা তার এক বিশেষ গুন। অতি সাধারন কথা গুলো এমন সুন্দর করে বলতে পারতেন যা শুনে সকলেই আনন্দ পেতাম। ওনার এই বলার ক্ষমতা ,তখন তো ছোট ছিলাম তাই খেয়াল করিনি। আজ যখন মনে পড়ে সেই কথা এখন বুঝতে পারি  উনি কি অসম্ভব ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। যেমন হয়তো মা জিজ্ঞাসা করলেন কিগো দাদু ভাই সরলা ( মানে আমার মাসি যিনি আগের পাড়ার দেশপ্রিয় নগরে থাকতেন) কেমন আছে।
উনি বলতেই পারতেন যে সরলা ভালো আছে। না উনি তেমন ভাবে বলতেন না উনি খুব ভালো করে নানান কথা জুড়ে এমন গল্প করে এই সামান্য সংবাদ টুকু দিতেন যা আজ ভাবলে অবাক হয়ে যাই।
এই সামান্য একজন বিহারী দরিদ্র মহিলা যে সমস্ত দিন ঘুরে বেড়াতেন বাড়ি বাড়ি। উনি একবার আমার মায়ের কাছে আবদার করলেন চারটি জামা প্যান্টের। মা আদর করে আমাদের ভাল ভাল জামাপ্যান্ট গুলি দিয়ে দিলেন। আমরা প্রতিবাদ করতে পারলাম না, কারন দাদু ভাইকে দিচ্ছে, যিনি আমাদের ওভালো লাগার একজন। আমার মনে একটু খটকা লাগলো, তাই জিজ্ঞাসা করলাম, তুমি এই জামাপ্যান্ট নিয়ে কি করবে। তিনি বলেছিলেন তোমাদের মতন আমার ঘরেও তিনটি দাদুভাই আছে। কিকরি বোলো নুতন জামাপ্যান্ট কোথায় পাবো , তাই তোমাদের গুলোই ওদের দেবো। আমি বললাম না না এগুলি পুরোনো জামা নয়। একদম নুতন , একদিনও আমি পড়িনি।

সে যাইহোক উনি সেগুলি আদর করে গুছিয়ে নিজের পোটলাতে রাখলেন।
ওনার পোটলাতে আরও জামা প্যান্ট ছিলো , যেগুলো দেখে আমার মনে একটু খটকা লেগেছিলো।
সেদিনের পরে বহু দিন ওনার দেখা পাইনি। একদিন মা কে জিজ্ঞাসা করলাম দাদুভাই কেন আসে না।
মায়ের সোজা উত্তর ,হয়তো আজকাল অন্যকোন দিগে যাচ্ছে । তাই এইদিগে আসার সময় পায়না।  
আমিও ভাবলাম মা হয়তো ঠিকই বলছে ,সেই কারনে আর কোন কথা বলিনি। 
এর বেশ কিছুদিন বাদে  মনে হয় কয়েক মাস বাদে আমি সোদপুরের নাটাগড়ে এক আয়ুর্বেদিক ডাক্তারের কাছে গিয়ে ছিলাম। 
আমার দিদিমার জন্য একটি ঔষধ আনতে। 
নাটা গড়ে গিয়ে জানলাম দিদিমার পরিচিত সেই বিশেষ ডাক্তার ( ধন্বন্তরী ) অনেক দিন আগেই দেহ  রেখেছেন, তাই ঔষধ আর নেওয়া হল না। 
আমি কি আর করি অগত্যা বাড়ি ফিরতে হবে , নাটাগড় থেকে হাঁটাপথে সোদপুর স্টেশনের দিকে আসছিলাম ,হঠাৎ দূরে দেখি সেই দাদুভাই একটা গলিতে ঢুকলো। আমি ভাবলাম উনি এখানে এই সন্ধে বেলায় কার বাড়িতে যাচ্ছেন। মনে একটু কৌতূহল নিয়ে তাড়াতাড়ি হেটে ওনার কাছে যাবার জন্য এগিয়ে চললাম। আমি তখন বেশ কিছুটা দূরে , দূরথেকেই দেখতে পেলাম উনি এগিয়ে যাচ্ছিলো ,হঠাৎ একটি ছেলে, আমার বয়সী হবে, ছেলেটি এসে দাদুভাইয়ের কাঁধ থেকে ঝোলাটা নিজের কাঁধে নিয়ে দাদু ভাইয়ের সাথে হেটে চলতে লাগলো। এমন ঘটনাটা আমার কৌতূহল আরও বেড়ে গেল ,এবং আমি ওদের পিছনে পিছনে চললাম। বেশ খানিকটা যাবার পরে  দেখি  ওরা  একটা ঘড়ে ঢুকলো। 
ঘরটা বেড়ার ,চালটা খড়ের। ঠিক আমাদের বাড়ির মতন ,তবে আমাদের বাড়ির মতন অত বড় ঘড় না.
আমি চুপচাপ ওদের পিছনে ওদের বাড়িতে ঢুকলাম। 
কি অদ্ভুত দাদু ভাই ঠিক আমাকে চিনতে পেরেছে। এবং চিনতে পেরে ভীষণ অস্থির হয়ে উঠল, তাড়াতাড়ি  আমাকে এখানে আসার কারন জিজ্ঞাসা করেই বললো আমি বাড়িতে বলেএসেছি কিনা !
তারপরে এমন অস্থির হয়ে উঠলো যেন আমি ওদের কত আপন , কি করে কি খাওয়াবে কোথায় বসবে এইসকল নিয়ে দাদুভাই অস্থির হয়ে উঠল। এরই মধ্যে দেখি আরও দুটি ছেলে এসে হাজির, দুজনেই খুব ছোট। আমি অনেক করে ওনাকে বুঝিয়ে বললাম আমার আসার কারন। 
তারপরে আমি জিজ্ঞাসা করলাম ওই ছেলে তিনটির ব্যাপারে। 
দাদুভাই কোন রকম দ্বিধা নাকরে বললো এড়াইতো আমার ছেলে। এইযে অরুন মানে  বড়ো  ছেলে ক্লাস এইটে পড়ে , বরুন মানে মেজটা ক্লাস ফাইভে পড়ে। আর এই ছোটকা ক্লাস থ্রি। তারপরে দাদুভাই বললো যে উনি ওদের জন্যই জামা প্যান্ট জোগাড় করে। 
এর পরের কাহিনী শুনে আমি দাদুভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধায় চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। 
এবারে পুরো ঘটনা বলছি -----
এই মহিলা অর্থাৎ আমাদের দাদুভাই এই সকল ছেলেদের কোথাওনা কোথাও কুড়িয়ে পেয়েছেন । 
তারপরে নিজে কোলে পিঠে করে অনেক যত্নে এদের  মানুষ করছেন। আর শুধু এরাই নয় এর আগেও আরোও দুটি ছেলেকে এমনি ভাবেই বড় করেছেন। তাদের একজন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে পড়ে। আর একজন এখন চাকুরী করছে কলকাতা ট্রাম কোম্পানিতে। 
যে ছেলেটি চাকুরী করে সে প্রতি মাসে দেখা করতে আসে। সে এই বৎসর  পুরো ঘড় রিপেয়ার করে দিয়েছে। 
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি একলা  কিকরে এতকিছু করো ?
দাদুভাই আমার কথায় খানিকটা উদাস চোখে দূরের  দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো এবং বললেন যে ওনার বাড়ি বিহারের সরন তথা  ছাপড়া জেলার কোন এক  গ্রামের পাড়াগাঁয়ে, সেই পাড়াগাঁয়ের নাম    উনি বলেছিলেন কিন্তু আমি আর মনে করতে পারছি  না।   ছোটবেলাতেই মা বাবা দুজনকেই হারায়।  
উনি বলছিলেন ওনার বাবা কোন এক দোকানে কাজ করেন। বাবা যে দোকানে কাজ করেন তারা গ্রামের মেলায় দোকান বসায়। বাবা সেই দোকানে মিষ্টি, গজা, নিমকি,জিলিপি ইত্যাদি বানান।
'সেদিন  মেলায় বাবার সাথে আমিও গিয়ে ছিলাম।তখন বোধহয় আমার বয়স পাঁচ কি ছয় বছর হবে। তিন দিন চলেছিল মেলা। মেলার শেষে সেদিন রাত্রে বাড়ি ফেরার সময় পথে হঠাৎ ভীষণ ঝড় উঠলো সাথে ভীষণ বৃষ্টি। বাবা আমাকে কাঁধে নিয়ে চলছিলেন। গ্রামের অন্ধকার পথে জল ঝড়ে  মাটির রাস্তা ,ধানক্ষেতের আল ধরে হাত পথ। হঠাৎ হঠাৎ ভীষণ ভাবে বাজ পড়ছিলো ও বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল  আমাদের সব জামাকাপড় ব্যাগ বাবার ছোট ব্যাগে রাখা টাকা পয়সা সব ভিজে একাকার। হঠাৎ কি করে কি হোল বাবার  পাপিছলে পরেগিয়ে অজ্ঞান হয়ে হয়ে গেলেন।
অন্ধকার রাত, বেশ জোরে বৃষ্টি হচ্ছিল।
তার উপরে  ভীষণ ভাবে বিদ্যুতের চমক সাথে ভীষণ মেঘের গর্জন, আমি ভয়ে বাবাকে জড়িয়ে কাঁদছিলাম। জলে কাঁদায় মাখা মাখি হয়ে কতক্ষন কেঁদেছিলাম জানিনা।
অন্ধকারে ভয় পেয়ে কখন যে জ্ঞান হারিয়ে ছিলাম সেটাও  জানিনা। আমার যখন জ্ঞান ফিরেলো  তখন আমি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে। 
আমি এখানে কি করে এসেছি কারাইবা আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে কিছুই জানতে পারিনি। 
জ্ঞান ফিরতেই বাবার খোঁজ করছিলাম , কিন্তু হাসপাতালের কেউই কিছু বলতে পালনা। 
আমি বাবার জন্য খুব কাদঁতাম। কিন্তু বাবার কোন খোঁজ পাইনি। কয়েক দিন পরে আমাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিয়েছিলো ,তবে বাঁপায়ে প্লাস্টার ছিল। 
জেনেছিলাম আমার বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গিয়ে ছিল। সম্ভবত বাবা যখন পরে গিয়ে ছিলেন  তখন আমি বাবার কাঁধ থেকে বেকায়দাতে পড়েযাওয়ার ফলে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গিয়েছিলো। 
কিন্তু আমি আজও জানতে পারিনি কে বা কারা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করেছিল ,এবং আমার বাবার কি হয়েছিল বা বাবা কোথায় গেলেন ,এইসকল কোন খবরই আমি আজ অবধি পাইনি। 
তবে হ্যাঁ ওই হাসপাতালের এক মালি আমাকে নিয়ে ওনার ঘরে রেখে ছিলেন। 
ওই মালির আপন বলতে কেউ ছিলোনা ,তাই উনি আমাকে নিজের মেয়ের মতন খুব আদর যত্নে রেখেছিলেন। 
পায়ের প্লাস্টার কাটার পরে ধীরে ধীরে আমি ওনার বাড়ির সব কাজ কর্ম করতাম। 
আমি একটু বরো হতে একদিন কাউকে কিছু না বলে বাসে চড়ে নিজের বাড়ির উদ্দ্যেশে রওনা দিয়ে ছিলাম। কিন্তু বাস ভাড়া দিতে না পাড়ার জন্য আমাকে মাঝ রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে ছিল।" 

সে নাহয় বুঝলাম কিন্তু তুমি সেই ছাপড়া থেকে এই সোদপুরে কিকরে আসলে?
দাদুভাই আবার কিছুক্ষন চুপ থেকে বললো
" সে অনেক কথা দিল্লি হয়ে বর্ধমান হয়ে এসে পৌঁছেছি এই সোদপুরের নাটাগরে।'
আমিও জিদ ধরে বসলাম যে আজ পুরো ঘটনা শুনে তবেই বাড়ি ফিরবো। তা না হলে বাড়ি ফিরবোই না।
আমার এমন কথা শুনে দাদুভাই অনেক অনুরোধ
করলেন আমাকে বাড়ি ফিরে যাবার।
আমিও জানি যে উনি যেকোন ছেলে মেয়েকে ভীষণ ভালো বসেন।
আমি বাড়ি ফিরবোনা এমন কথা বলতেই উনি ভীষণ চিন্তিত হয়ে বার বার আমাকে অনুরোধ করলেন তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যাবার জন্য।
আমি যখন কোন ভাবেই বাড়ি ফিরবোনা এমন কথা শোনার পর উনি বাধ্য হয়ে বললেন।
" তবে শোন আমার সেই মর্মান্তিক ঘটনার কথা।
মানুষ যে কতটা অসৎ নীচ ও লোভী হতে পারে সে কথা তোমরা ভাবতেও পারবে না।
সেদিন ছাপড়া শহরের বাস থেকে পথের মাঝে আমাকে নামিয়ে দিলে আমি ভীষণ বিপদে পড়েছিলাম।
মাঝ রাস্থায় প্রচন্ড রোদের বেলায়, ভীষণ গরম ও প্রচন্ড রোদের তেজ। হাত মুখ জ্বলে যাচ্ছিল।
ভীষণ জল তেষ্টা ও খিদে পেয়েছে বুঝলাম। কিন্তু কি করি কোথায় যাই , কে বলেদেবে আমার বাড়ি কোথায় কতদূর!
আমি দিশে হারা হয়ে পথের মাঝে বসে ভাবছিলাম কোথায় যাবো, কিকিরে যাবো।
এমনি ভাবতে ভাবতে অনেক্ষন পর হয়ে গেল।
হঠাৎ কোথা থেকে একজন মোটর সাইকেল আল আমাকে দেখে  বললেন ' এই খুকি ইহা বৈঠকের কেয়া কর রাহি হায়।'  আমি আমার দুঃখের কথা তাকে শুনিয়ে গ্রামের বাড়ি পৌঁছে দেবার জন্য অনুনয় বিনয় কিরতে লাগলাম। মোটর সাইকেল আলা আমাকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন যে উনি আমাকে আমার বাড়িতে পৌঁছে দেবন ও আমার বাবাকে খুঁজে দেবেন।
আমিও ওনাকে বিশ্বাস করে ওনার গাড়িতে চড়ে ছিলাম।
উনি অনেক রাস্থা ঘুরিয়ে শেষে সন্ধের পরে একটি বাড়িতে নিয়ে গেল আমাকে। সেখানে এক বুড়ি মেয়ে ছেলে আমাকে বেশ আদর করে খাবার দিলো।
সেখানে আমার মতন আরো একজন ও আমার থেকে ছোটো আরো দুইজন ছিলো।
সেদিন রাত্রে খাবার পরে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
হঠাৎ জখম ঘুম ভাঙলো তখন বুঝতে পারলাম আম ও আরও পাঁচটি মেয়ে ট্রাকে ঘুমোছিলাম।
কিন্তু কোন উপায় নাই কারন আমাদের সকলের হাত পা বাঁধা। আর লরিটাও খুব জোরে চলছিলো ।
লরির ভিতরে আমি ছাড়া কারুরই ঘুম ভাঙেনি। 
ঘুম ভাঙলেও সমস্ত শরীরে ব্যাথা। ঝিমুনি ভাব,একটুও নরা চড়া করতে পারছি না।
কতক্ষন ট্রাকে ছিলাম, বা কোথায় যাচ্ছি জানিনা ।
যখন ট্রাক টা থামলো তখন রাত্রি হয়ে গেছে।
ভীষণ খিদে পেয়েছিলো, সারাদিন একটুও জলও দেয়নি। 
এবার আমাদের সকল কে নামলো ।









Monday, January 14, 2019

10>To P.S.Belgharia,==(28/05/2018)

To
The Inspector In Charge
P.S.Belgharia.
24 parganas( North)
Pin--700056

Sub:--Sudden attack on the head of my   
   Son.
Sir,
    Most respectfully I beg to say that
I still Adyanath Roy Choudhuri S/o
Lt Bidhu Bhusan Roy Choudhuri at 229A , Prafullanagar,P.S. Belgharia 24 Pgs ( N ),on 27.05.2018 at about 10PM, my Son Sri Arup Roy Chowdhury passing under the C.C.R. Bridge under P.S.Belgharia, Lowland my home, in the mean time one man came and suddenly beated my Son and blow on head with heavy steel Bala and my son sustained head injured and snatched his neck chain.
And he shouted and local people resqued him and send to Sagar Dutta medical Hospital. Kamarharti, 24 Pgs( N ) for necessary treatment and stretch on head ,and also matter being informed to P.S.Belgharia, P.S.Belgharia attended and enquiry the fact .
Later we came to know the acqused person's name is  Tapas Dad ( neak name Dodo) .
I needed examplery punishment to acqused person as soon as possible.
PL treat this application on priority.
               Thanking you

Dared:-28/05/2018.     Yuors faithfully,
Place:- 229A, Prafullanagar.   A.N.R.C
    P.S.Belgharia,24 Pgs(N)

ছেলেটির নাম গোপাল ( ডো ডো )