|| জীবন কী |【 লিখতে হবে 】
জীবন আসলে কী?
এ প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানেরও অজানা।
তবুও নানান জনের নানা মত
শেষে মিরাক্ল বলেই আছে কিছু মত।
এতো কিছু জানি
তবুও জীবনকে না জানি, না চিনি,
জীবন আছে তাই আমরা আছি!
নাকি আমরা আছি তাই জীবন আছে?
কোনটা সত্য কোনটা ভুল,
সেটাই রয়েছে অজানা।
জীবন চলছে, উড়ছে,খাচ্ছে, বংশ বিস্তারে মন আছে।
কিন্তু মরেগেলেই জড় হয়ে যাচ্ছে।
মিরাক্ল বা অলৌকিক ঘটনা,
অর্থাৎ,কোনও ব্যাখ্যা না থাকা ঘটনা।
এমন মিরাক্ল আমরা কিছু জানি
এই গ্রহ তারার ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি, আলোর জন্ম,
শুকনো মাটি, আর আকাশ সৃষ্টি।
আর এই পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি।
জীবন এক জটিল মিরাক্ল,ম্যাজিক,
তাইতো প্রাণী মাত্রেই বিস্ময়কর পৃথক।
প্রাণীর মধ্যে বস্তু গুলিকে যত কাছে থেকে দেখা যায়, ততই তা বিস্ময়কর মনে হয়।
জড় আর জীব প্রকৃত বস্তু দিয়ে গড়া।
বস্তু আবার অনু-পরমাণুতে ভরা,
তাইতো এক একটা জীবদেহ ,
সত্যই অণু-পরমাণুর পাহাড়।
প্রাণী মাত্রেই পাহাড় পরিমান জীবকোষে গড়া,
আবার জীবকোষ গুলি পরিবর্তনশীল অণু পরমাণু দিয়ে গড়া।
একটি অনু পরমাণু অর্থ একটি এটম বোমা,
অর্থাৎ জীব মাত্রেই এটম বোমের পাহাড়,
তাইতো জীবেরসংজ্ঞা দেওয়াই ভার।
জীবন অণু-পরমাণুতে গড়া কোয়ান্টামের খেলা,
পৃথিবীর চৌম্বকত্ব আর কোয়ান্টামের গুনে
পরিযায়ী পাখিরা ঘরে ফেরে হাজার হাজার মাইল পারিদিয়ে।
জীবন মিরাক্ল,অলৌকিক বিজ্ঞানের
কোয়ান্টামের খেলা।
তাইতো জীবনের ভিতরেই আছে জীবন
সেইতো "আত্মান--ব্রহ্মণ"
(আত্ম,সং, নিজে, স্বয়ং,---সৃষ্টিকর্তা,স্বয়ম্ভু, পরমাত্মা, ওঙ্কার,)
জীবন নিজেই মহান, সর্ব-শক্তিমান,
যে বোঝে সেইতো শক্তিমান।
বুঝে ছিলেন কৃষ্ণ
তাইতো বলতেন
"
তার ব্যাখ্যা