Wednesday, May 21, 2025

16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---

 16>ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল::---


ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছিল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। গড়ের মাঠের জেলখানা সরিয়ে তৈরি হয় এই স্মৃতিসৌধ। একটু জোরে হাওয়া দিলেই বিভিন্ন দিকে ঘুরে যায় ভিক্টোরিয়া পরী। জর্জ অরওয়েলের ১৯৩৯ সালে লেখা ‘1984’ উপন্যাসের সেই বিখ্যাত ‘বিগ ব্রাদার ইস ওয়াচিং ইউ’ স্লোগানটার কথা মনে পড়ে? ওই উপন্যাস লেখারও অন্তত আঠারো বছর আগে প্রায় সেই রকমই একটা স্লোগান উঠেছিল গত শতকের বিশের দশকের গোড়ায় কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির পর। কিন্তু কেন? কারণ হল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভবনের মূল গম্বুজের উপরে বসানো সেই বিখ্যাত ‘পরী’!

বিশাল আকার সৌধের প্রধান হলের ঠিক মাথায় রয়েছে একটা গম্বুজ আর গম্বুজের বাইরের দিকে একটা পারা বা মার্কারি দিয়ে ভরা ব্রোঞ্জের গ্লোব। গ্লোবের উপর দাঁড়িয়ে আছে প্রায় সাড়ে ছয় টন ওজনের ব্রোঞ্জের তৈরি এক নারীমূর্তি, বাঁ হাতে একটি লম্বা শিঙা ফুঁকছে। ডান হাতে একগুচ্ছ ফুল, পেছনে দুটো পাখা। মূর্তির বৈশিষ্ট হল, একটু জোরে হাওয়া দিলেই সে ঘুরে যায় বিভিন্ন দিকে। আর তাই নিয়েই সে যুগে তৈরি হয়েছিল নানা গুজব। শোনা যায়, কেউ কেউ রটিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এঞ্জেল ইস ওয়াচিং ইউ’। অর্থাৎ ওই পরী নাকি ব্রিটিশদের চর। ২০০ ফুট উঁটু থেকে চারিদিক ঘুরে কলকাতাবাসীদের উপর নজর রাখছে।

১৯০১ সাধারণাব্দের জানুয়ারি মাসে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয়। লন্ডন থেকে মৃত্যু সংবাদের টেলিগ্রাম তৎকালীন ভারতের রাজধানী কলকাতার লাটভবনের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল। পরের দিন থেকেই দেশের অভিজাত সম্প্রদায় রানির মৃত্যুতে শোক পালনের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল। বাঙালিও অংশ নিল সেই শোক পালনের প্রতিযোগিতায়। পাথুরিয়াঘাটার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উদ্যোগে হিন্দু পারলৌকিক বিধি অনুসারে মৃত্যুর তারিখ থেকে বারো দিনের দিন সঙ্গীত সমাজের ব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মানুষ মাতৃবিয়োগের সমান শোকচিহ্ন অর্থাৎ সাদা ধুতি ও সাদা উত্তরীয় পরে খালিপায়ে গড়ের মাঠে কীর্তন অনুষ্ঠানে যোগদান করল। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে কর্নওয়ালিশ স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান বিধান সরণির উপর বিডন স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে মেছুয়াবাজার স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তার উপর ফুটপাথ ধরে চারটি সারিতে কাঙালি ভোজন বা দরিদ্রনারায়ণ সেবা করানো হল। মেনু ছিল— খিচুড়ি, কপির তরকারি, দই, বোঁদে এবং ভীমনাগের দেওয়া সন্দেশ। খিচুড়ি তৈরি করতে লেগেছিল, সাড়ে চার টাকা মণ দামের দেড় শো মণ বালাম চাল, সেই পরীমাণ ডাল, ১২ মণ ঘি, হলুদ, লঙ্কা প্রভৃতি মশলা। সেই সময়ে ভারতের গর্ভনর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তাঁর প্রস্তাব অনুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নানা শিল্পবস্তু দিয়ে সাজানো এক স্মৃতিসৌধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, নাম হবে ‘ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল’। ময়দানের দক্ষিণ অংশে ক্যাথিড্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর যেখানে আগে একটা জেলখানা ছিল, সেই জায়গা পছন্দ হল কার্জন সাহেবের। সৌধ তৈরির জন্য সেই জেলখানাকে সরিয়ে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হল আলিপুরে। সেটাই এখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল নামে পরীচিত, যা আবার এখন স্বদেশি মিউজিয়ামে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫৪ একর জমির উপর সেই সৌধ তৈরির কাজ শুরু হল। ১৯০৬-এর ৪ জানুয়ারি, রানির নাতি জর্জ প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স, বা পরবর্তীকালের রাজা পঞ্চম জর্জ, কলকাতায় এসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেলেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের। স্যর উইলিয়ম এমারসনের নকশায় বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে সাদা মার্বেলের এই সৌধ তৈরি হতে সময় লেগেছিল প্রায় পনেরো বছর। খরচ হয়েছিল এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা, যার সবটাই এসেছিল রাজা-মহারাজা ও সাধারণ মানুষের দেওয়া দান থেকে। মাটি থেকে ৮ ফুট উঁচু, ৩৯৬ ফুট লম্বা এবং ২২৮ ফুট চওড়া মূল সৌধের চারদিকে চারটে টাওয়ার। ভিতরের দুটো তলা মিলিয়ে অনেকগুলো ঘর সাজানো হল বিভিন্ন শিল্পবস্তু দিয়ে। ১৯২১ সাধারণাব্দের ২৮ ডিসেম্বর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দ্বার উদ্ঘাটন করেন প্রিন্স ওফ ওয়েলস এডোয়ার্ড অ্যালবার্ট। 


সংগৃহীত

Wednesday, May 14, 2025

15/5/25 Number of Zeros ::---

15/5/25 Number of Zeros ::---

Ten =------------------------=1 Zero

Hundred=--------------------=2 Zeros

Thousand---------------------=3 Zeros

Ten thousand=--------------=4 zeros

Lakh-----------------------------= 5 Zeros

Million= -------------------------=6 Zeros

Billion=--------------------------=9 Zeros

Trillion=------------------------=12 Zeros

Quadrillion =----------------=15 Zeros

Quintillion=-------------------=18 Zeros

Sextillion=--------------------= 21 Zeros

Septillion=-------------------=24 Zeros

Octillion=--------------------=27 Zeros

Nonillion=--------------------=30 Zeros

Decillion=--------------------=33 Zeros

Undecillion=----------------=36 Zeros

Duodecillion=---------------=39 Zeros

Tredecillion=-----------------=42 Zeros

Quatttuor-decillion=--------=45 Zeros

Quindecillion=-----------------=48 Zeros

Sexdecillion=--------------------=51 Zeros

Septen-decillion=--------------=54 Zeros

Octodecillion=-------------------=57 Zeros

Novemdecillion=---------------=60 Zeros

Vigintillion=-----------------------=63 Zeros 

Centillion=--------------------------=303 Zeros

===========================


14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

 14/5/15বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দির::--

বাঁকুড়ার উপকণ্ঠে অবস্থিত এক্তেশ্বরের মন্দির।

এক্তেশ্বর বা একতেশ্বর হল পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সদর বাঁকুড়া শহরের উপকণ্ঠে দ্বারকেশ্বর নদের তীরে অবস্থিত একটি অঞ্চল। পূর্বে এটি ছিল একটি গ্রাম।


এক্তেশ্বর মন্দির নামে একটি শিব মন্দিরের নামানুসারে "এক্তেশ্বর " নামটির উৎপত্তি ঘটেছে। বিষ্ণুপুরের রাজা এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। ল্যাটেরাইটে নির্মিত এই মন্দিরটিতে পরবর্তীকালে বেলেপাথর ও ইঁটের কাজ যুক্ত হয়। প্রতি বছর চৈত্র মাসে চরক পূজা এই মন্দিরে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।


এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবের একটি একপদ মূর্তি পূজিত হয়। এই ধরনের শিবমূর্তি অন্য কোনও শিব মন্দিরে দেখা যায় না।


মন্দিরটিরও স্বকীয় একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটির কাঠামো অত্যন্ত দৃঢ়, যা বাংলার অন্যান্য মন্দিরে সাধারণত দেখা যায় না। মন্দিরটি বাংলার নিজস্ব শৈলীতেও নির্মিত হয়নি। চূড়াটি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাই এটিকে দেখলে অসম্পূর্ণ মনে হয়।


অনেকে মনে করেন, এক্তেশ্বর মন্দিরে পূজিত দেবতা হলেন একপদেশ্বর। তবে বর্তমান বিগ্রহটি একপদেশ্বরের নয়। পূর্বে একপদেশ্বরের মূর্তি ছিল কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, বিষ্ণুপুর ও সামন্তভূম রাজ্যের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তি করার জন্য স্বয়ং শিব ধ্যানে বসেছিলেন এবং এক্তেশ্বরের মূর্তিতে দুই রাজ্যের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দণ্ডায়মান হন।

======================


শাস্ত্রে বলে, ইন্দ্রিয়বৃত্তিই অসুর। এই অসুরই বন্ধনের কারণ। আর এই বন্ধন হতে মুক্তি অর্থাৎ, মোক্ষলাভের আকাঙ্ক্ষাতেই একেশ্বরের আরাধনা।


একতার প্রতীক শৈবতীর্থ এক্তেশ্বর

‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। 


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন। রাতে তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি।




লোকশ্রুতি রয়েছে, ‘অন্ধ গ্রাম’ অর্থাৎ, আজকের ওন্দা, ভাদুল, বীরসিংহপুর, ভীমপুর, তপোবনের অধিবাসীরা হিন্দু জীবনশৈলি সমন্বিত অসুর সম্প্রদায়ের অথবা জনগোষ্ঠীর অংশ ছিলেন। প্রাচীন যুগে সমস্ত কোল গোষ্ঠীর মানুষ ‘অসুর’ অর্থাৎ শক্তি-সম্পন্ন নেতা নামে অভিহিত হতেন। তাঁরা নিজেদের সূর্যের সন্তান বলে প্রচার করতেন। এই আদিবাসীরা ছিলেন একেশ্বরবাদী।


হয়তো এই একেশ্বর বাদ থেকেই  এক্তেশ্বর শব্দের উৎপত্তি! 


বাঁকুড়া শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে দ্বারকেশ্বর নদের বাম তীরে পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন মন্দিরগুলির অন্যতম এই এক্তেশ্বর শিবমন্দির। 


এই প্রাচীন শৈবতীর্থে এক্তেশ্বর শিব স্বয়ম্ভু। বাঁকুড়ায় শতাধিক শিবমন্দির রয়েছে। মল্লেশ্বর, বহুলাড়াতে সিদ্ধেশ্বর, জয়পুরে গন্ধেশ্বর, ভুবনেশ্বর, পাত্রসায়রে কালঞ্জয় শিব বিখ্যাত। শৈবতীর্থ এক্তেশ্বরে প্রতিদিনই পুজো হয়। ফাল্গুন মাসে, শিব চতুর্দশী তিথিতে এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে কয়েক হাজার নরনারীর সমাগম হয়।


‘শিবরাত্রি ব্রত’ রাঢ়বঙ্গের এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় লৌকিক উৎসব। শিবরাত্রিতে ব্রতীরা উপবাস করেন ও আগের দিন নখ কেটে নিরামিষ আহার করেন। রাতে মহাসমারোহে এক্তেশ্বরে ব্রতীদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এক্তেশ্বর নাগমণি মহাদেবের জয়ধ্বনি। রাত্রে ব্রতীরা মন্দিরের আটচালায় সারারাত জেগে কাটান। শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে মেলাও বসে। আগত দর্শকমণ্ডলীর সমাগমে একই সঙ্গে বাউল গান, রামায়ণ গান শোনা যায়।


আচার্য যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি 

বলেছেন ‘বেদে এক পাদেশ্বরের উল্লেখ আছে। যে নামটি অপভ্রংশ এক্তেশ্বরে এসে দাঁড়িয়েছে’।


মন্দিরের কুণ্ডের মধ্যে যে শিবলিঙ্গটি রয়েছে, সেটি নাকি দেখতে অনেকটা মানুষের পায়ের মতো। জনশ্রুতি রয়েছে, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজার সঙ্গে ছাতনার সামন্তভূমের রাজার রাজ্য সীমানা নিয়ে বিবাদ হলে, তার মীমাংসা করেন স্বয়ং শিব। দুই সীমানার সংযোগস্থলে একতার প্রতীক হিসেবে এই এক্তেশ্বর মন্দির স্থাপিত হয়। বিদ্যানিধি মহাশয়ের মতে, এক্তেশ্বর মন্দিরের শায়িত শিবলিঙ্গ বাঁকা ভাবে অবস্থিত হওয়ায় এই স্থানের নাম হয়ে থাকতে পারে বাঁকুড়া। বিদ্যানিধি মহাশয়েরই অন্য মতে ‘বাম কুণ্ড’ (বাম দিকের ঝর্না জলধারা) শব্দের অপভ্রংশ হয়ে এই ভূমের নাম ‘বাঁকুড়া’ হয়েছে। তবে বর্তমানে বাঁকুড়া মৌজায় এমন কোনও ঝর্না বা জলধারার বর্তমানে অস্তিত্বই নেই। কিন্তু ক্ষেত্রনুসন্ধান করে জানা যায়, প্রাচীন কালে জলধারার নিদর্শন ছিল।


এক্তেশ্বরে পাথরের শিব মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট। এটি পশ্চিমমুখী। ল্যাটেরাইট (মাকড়া) প্রস্তর দ্বারা সুন্দর ও সুগঠিত। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের রিপোর্টের অষ্টম খণ্ডে জে.ডি. বেগলার লিখেছেন, এক্তেশ্বরের মন্দিরটি অন্তত তিন বার সংস্কার হয়েছে। মন্দিরের শিখর এক সময় ভেঙে পড়েছিল। তার পুনর্নির্মাণের সময় উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে। অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, মন্দিরটি একাধিক বার সংস্কারের ফলে সাবেক রেখদেউলটি বর্তমানে ‘পীঢ়া’ বা ভদ্রদেউলের আকার নিয়েছে। প্রাঙ্গণে ছোট ছোট উপমন্দিরের মধ্যে, এক ভগ্ন বাসুদেব মূর্তির নিম্নাংশ রয়েছে। চার ফুট উচ্চতা ও আড়াই ফুট প্রস্থের এক দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তি। সাড়ে তিন ফুট উচ্চতা এবং পৌনে দু’ফুট প্রস্থের এক গণেশ মূর্তি ও একটি নন্দী-বৃষের মূর্তি আছে। উপমন্দির প্রাঙ্গণে একটি দু’ফুটের চণ্ডী নামে পূজিত মূর্তি দেখা যায়। সব কটি প্রাচীন মূর্তিই পাথরের এবং সুন্দর। অনুমান হয় আদিতে এ বিগ্রহগুলি সাবেক মন্দিরের বাইরের দেওয়ালে (অধুনা শূন্য) কুলঙ্গিগুলিতে রক্ষিত ছিল।


এক্তেশ্বরে দ্বাদশভূজ লোকেশ্বর বিষ্ণু মূর্তিটি লৌকিক দেবী মনসা ও খাঁদা রানি নামে পূজা পাচ্ছেন। তাঁর ডান পায়ে সামান্য ফাটল লক্ষ্য করা যায়। মন্দির প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নীচে, অশ্বত্থ বৃক্ষমূলে মাটির বেদিতে মাটির হাতি-ঘোড়ার সঙ্গে দু’টি পাথরের পা ও প্রত্নবস্তুগুলি অবহেলায় পড়ে আছে। এই প্রত্নমূর্তিগুলি গৌরবের স্মারক। এগুলি যত্ন সহকারে রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।


শিবমন্দির চত্বরে পিছনের পূর্ব কোণে সামান্য দূরে সূর্য মন্দির (‌সোনাতপলের দেউলটি) অবস্থিত ছিল। বন্যার ফলে দ্বারকেশ্বর নদের গতি পরিবর্তন এক্তেশ্বর শিব মন্দির ও সোনাতপলের সূর্য মন্দিরকে আলাদা করেছে।

°==================





Tuesday, May 13, 2025

13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1 to 0)

 13/5/25কিছু মনীষীর উক্তি:-||(1)aith-1(1  to  0)



1>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের---

    ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমার-এর বিখ্যাত উক্তিটি মনে পড়ে ৷


 “যদি শাস্ত্র বুঝিয়া থাকি, তবে তীর্থদর্শনে যেরূপ পরকালের কর্ম হয়, বাটী বসিয়াও সেরূপ হইতে পারে।”


 বৃদ্ধ কহিলেন, “তবে তুমি এলে কেন?”


 যুবা উত্তর করিলেন, “আমি ত আগেই বলিয়াছি যে, সমুদ্র দেখিব বড় সাধ ছিল, সেইজন্যই আসিয়াছি।” পরে অপেক্ষাকৃত মৃদু স্বরে কহিতে লাগিলেন, “আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না।


“দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী

তমালতালীবনরাজিনীলা।

আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশে-

র্দ্ধারানিবদ্ধেব কলঙ্করেখা॥”

===========================

          ( 2 )

"The mind is its own place, and in itself can make a heaven of hell, a hell of heaven.."

John Milton, Paradise Lost


মানুষের মন নিজেথেকেই  স্বর্গকে নরক ও নরক কে স্বর্গ বানিয়ে দিতে পারে।

======================

       ( 3 )

 चोर को खाँसी और संत को दासी

मुसीबत में डाल देती है सही।


अति प्यार देने से बेटा बिगड़े

भेद देने से नारी

लोभ देने से नोकर बिगड़े

धोखा देने से यारी।


गुण मिले तो गुरु बनाओ, 

चित्त मिले तो चेला,

मन मिले तो मित्र बनाओं, 

वर्ना रहो अकेला ।


হিন্দিতে একটি প্রবাদ

তার একটু অংশ বাংলায়--


চোরের যদি হয় কাশি, 

সাধুর যদি মিলে যায় দাসী,

উভয় কেই হতে হবে সংকটে দোষী।

অতি আদরে ছেলে নষ্ঠ,

লোভ দিলে চাকর নষ্ঠ,--------

,-----------

==========================


13/5/25Pearl for Sabita and jhuma.

 13/5/25Pearl for Sabita and jhuma.


Sunki র থেকে দুটো মুক্ত নিলাম 

সবিতা ও ঝুমার জন্য= ₹ 7000/-

On dt 16/12/2023.

Paid on dt 17/12/2023 


Gold Museum মানিকের থেকে 

দুটি আংটি বানালাম::--

  Bill of Gold Museum

  2p pearl settings

  And Ring 13.790 g total weight

 (-)2p Stone    3.410g  weight

----------------------------------------------

       Net gold--10.380 gm

  (-)old Gold----- 6.430 gm

----------------------------------------------

  Net New gold---3.950 GM

    Rs of gold   ₹ 24,614.42

  Making charge

  Of two Rings---₹ 8791.86

Total Amount ₹ 33,406.28

25/12/23 paid

  In cash ---------₹ 20,000.00

---------------------------------------------

Net due-----₹ 13,406.28 মানিকদা পাবে।

=========================

22/03/2024

আজ পোস্ট অফিস থেকে ₹ 10,000/- টাকা তুলে মানিকের দোকানে মানিককে

দিলাম দশ হাজার টাকা.।

আমার স্লিপ টি আনতে ভুলে গেছি।

মানিকদা বললো আর ₹3406/- টাকা পাবে। আমি বললাম হালখাতায় দিয়ে দেবো।


হালখাতার দিন::---

Paid in full

সম্পুর্ন টাকা পরিশোধ করে দিলাম।

==========================

13/5/25 বই ==শঙ্কু মহারাজ


13/5/25 বই ==শঙ্কু মহারাজ


শঙ্কু মহারাজ তথা জ্যোতির্ময় ঘোষদস্তিদার।

জন্ম ৭ মার্চ ১৯৩১ বরিশাল, বাংলাদেশ।

মৃত্যু ১৮ অক্টোবর ২০০৪ (বয়স ৭৩)

কলকাতা।

পেশা ভ্রমণ সাহিত্যিক।

পিতা- হরিপদ ঘোষদস্তিদার।


কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে 

স্নাতক । 

এরপর কলকাতার এক সওদাগিরি অফিসে চাকরি নেন। তারপরে ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সরকারি অফিসে কাজ করেন। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত জীবনে পর্বতারোহী ছিলেন।বহুবার হিমালয় অভিযানে গেছেন। ট্রেকিংএ বেরিয়ে পড়তেন। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ হতে ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ ভ্রমণ উন্নয়ন নিগমের মনোনীত সদস্য ছিলেন।


শঙ্কু মহারাজের প্রকাশিত 

গ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল 


1>'বিগলিত করুণা জাহ্নবী যমুনা'

2>'হিমালয়' (৫ টি খণ্ড) বা 

       হিমালয় (অমনিবাস ১-৫ )

★3>'শঙ্কু মহারাজের শ্রেষ্ঠ গল্প' কিনলাম।

4>'ত্রিপুরা-তীর্থে '

5>'ভ্রমণে ভারত' (উত্তর-পূর্ব পর্ব)

6>'দখিন-দেশে'

7>'দেশের মাটি'

8>'গজমোতি গোয়া'

9>'এক ফরাশী নগরে'

10>'মায়াময় মেঘালয় '(অখণ্ড)

11>'মধুবৃন্দাবনে'(অখণ্ড)

12>'বৈষ্ণোদেবীর দরবারে'

13>'বেলজিয়াম থেকে বাভেরিয়া'

14>'উর্বশী এথেন্স'

15>'যদি গ্রহণ না হ'ত'

16>'কুম্ভমেলায়'

17>'অমরতীর্থ অমরনাথ '

18>'হিমতীর্থ হিমাচল'

19>'রাজভূমি রাজস্থান'

20>'পুণ্যতীর্থ প্রভাস'

21>'বেলাভূমি লাহূল'

22>'গঙ্গাযমুনার দেশে'

23>'ভাঙা দেউলের দেবতা'

24>'দ্বারকা ও প্রভাসে'

★25>'অলকাপুরী আসাম' =কিনলাম 

         2024 ।

26>'অমরাবতী আসাম'

27>'চতুরঙ্গীর অঙ্গনে'

28>'ব্রহ্মলোকে'

29>'সংহতি : পথে পথে'

30>'চরণরেখা'

31>'গঙ্গাসাগর'

32>'নীল দুর্গম'

33>'তমসার তীরে তীরে'

34>'সোনা সুরা ও সাকী'

35>'পঞ্চপ্রয়াগ'

36>'যুদ্ধং শরণং গচ্ছামি'



========================


BOOK=বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী

প্রকাশক—দ্য কাফে টেবল

দে বুক স্টোর এবং কলেজ স্ট্রীটে পাওয়া যাচ্ছে।

========================


শঙ্কু মহারাজের'হিমালয়'(৫ টি খণ্ড) মূল্য কত?

=======================

লা-জবাব দেহলি অপরূপা আগ্রা 

     By নারায়ণ সান্যাল।

রহস্যের তাজমহল

      By প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত।

=========================

গজমুক্তা' =by   নারায়ণ সান্যাল

========================


দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের  কিছু বই।

যেগুলি পড়িনি:--

  গ্লানির্ভবতী ভারত, নরক সংকেত,

বাবু বারবিনিতা,দিওতিমা,

=================

অন্ধকরে আলোররেখা

লেখক:--সমরেশ বসু।

বিশ্ববানী প্রকাশনী,

79/1B, মহাত্মা গান্ধী রোড,

কলিকাতা ;-9,

=====================

ভবানী প্রসাদ মজুমদারের কবিতার বই

=========================

ভারত সেবা আশ্রম -ভ্রমন। ₹150/-

=========================

★প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত ও সৌম্যেন পাল: মহাবলীপুরম/ ইতিহাস ও ঐতিহ্য (সিগনেট প্রেস/ একটি আনন্দ প্রকাশনা, ৩০০.০০)। কিনলাম 2024 বই মেলায়।

========================


আঠেরো বছরে চার বার দেশের নানা প্রান্তে ভ্রমণের পর ★দুর্গাচরণ রক্ষিত তাঁর ভারত-প্রদক্ষিণ বইটি প্রকাশ করেন ১৩১০ বঙ্গাব্দে।


 শ্যামপদ মণ্ডলের সম্পাদনায় দুষ্প্রাপ্য বইটি নতুন করে প্রকাশ করল ‘বলাকা’ (৩০০.০০)। 

সফল ব্যাবসায়ী দুর্গাচরণের দেখার চোখটি খেয়াল করার মতো, যেখানেই বেড়াতে গেছেন প্রাচীন ইতিহাসের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, অনেক খুঁটিনাটি তথ্য সহজ ভাবে বর্ণনার অনুষঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। উনিশ শতকের শেষ পর্বের এই ভারত ভ্রমণবৃত্তান্ত আজও আমাদের আকৃষ্ট করে।

,==================


★1>শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ || Sri Sri Ramakrishna Upadesh

₹15.00

By Brahmanand.


★2>The Eternal Companion: Brahmananda: His Life and Teachings: A Guidebook for Spiritual Practice.


★★3>The Eternal Companion.

By Prabhavananda Mharaj


(The Eternal Companion:=(চির সঙ্গী)

    Eternal=  (চিরন্তন)

    Companion=  (সহচর)

চিরন্তন সহচর  বা চির সঙ্গী)      

       কিনলাম


=======================

সমরেশ বসু  তাঁর "শাম্ব" লেখার জন্য

পুরস্কার পেয়েছেন। 

===================

সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের পুরস্কার পেলেন "শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন" লেখার জন্য

=========================


 স্বামী গম্ভীরানন্দজীর বই::--

স্তব কুসুমাঞ্জলি'

'উপনিষদ গ্রন্থাবলী (৩ ভাগ)

'সিদ্ধান্তলেশ সংগ্রহ'

'শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তিমালিকা'

'কঃ পন্থা'

'এইট উপনিষদস্ : উইথ শঙ্করস্ কমেন্টরি'

'আপস্টলস্ অফ শ্রীরামকৃষ্ণ '

'হোলি মাদার শ্রীসারদা দেবী'

'হিস্ট্রি অফ দি রামকৃষ্ণ মঠ অ্যান্ড মিশন' ইত্যাদি ।

========================

হমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্তের

1>খাজুরাহ সুন্দরী

2>জলঙ্গীর তীরে

3>বিষ্ণু লোকে দ্বন্ধ্যা।

==============================


13/5/25SBI--ATM কার্ড হারালে-----

 


13/5/25SBI--ATM কার্ড হারালে-----


কার্ড হারিয়েছেন?

 

SBI দিচ্ছে সহজে মুক্তির উপায়। এক ফোনেই পাওয়া যাবে হারানো কার্ডের ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি।

    

ফোন করতে হবে ১৮০০১১২২১১/১৮০০৪২৫৩৮০০ এই দুই নম্বরে।

অথবা করতেহবে একটা SMS 567676

 নম্বরে।


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি State Bank of India বা SBI এর গ্রাহক? সম্প্রতি কি কার্ড হারিয়েছেন? আপনার জন্য সুখবর। কার্ড হারালে আর চিন্তা নয়, বরং দরকার একটা এসেমএস (SMS)। অথবা একটা ফোন কল। আর তাতেই সমস্যার সমাধান। এক ফোনেই এবার থেকে ব্লক হবে হারিয়ে যাওয়া ATM কার্ড। গ্রাহক সুরক্ষা এখন তাই হাতের মুঠোয়।

★★

SBI এর তরফ থেকে সম্প্রতি শুরু হয়েছে এই অভিনব উদ্যোগ। 

567676 এই নম্বরে নিজের রেজিস্টার মোবাইল নম্বর থেকে একটি মেসেজ পাঠালেই ATM কার্ড সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যার সমাধান হবে। এই নম্বরে নিজের ATM card এর শেষের চারটে নম্বর দিয়ে তার আগে ব্লক লিখলেই, ব্যাঙ্কের তরফ থেকে ওই কার্ড বন্ধ করে দেওয়া হবে। কার্ড বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন অনুমোদিত হলেই, ব্যাঙ্কের তরফ থেকে টিকিট নম্বর, তারিখ ও কার্ড বন্ধের সময়, রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।


SMS ছাড়াও কার্ড বন্ধের ক্ষেত্রে অন্য রাস্তাও রয়েছে। SBI এর কাস্টোমার কেয়ারে ( Customer Care) ফোন করে ATM কার্ড বন্ধের জন্য আবেদন করলেই SBI ওই কার্ড বন্ধ করে দেবে। এছাড়া, দুটি নয়া নম্বরও চালু করা হয়েছে৷ 

1800112211 অথবা 18004253800

 এই দুটি নম্বরের যে কোনও একটিতে ফোন করে 2 ডায়াল করতে হবে। তারপর কার্ডের শেষ পাঁচটি নম্বর লিখলেই কেল্লাফতে! হারানো কার্ড নিয়ে আর চিন্তায় থাকতে হবে না গ্রাহকদের।


তবে এই দুটি পদ্ধতি ছাড়াও কার্ড বন্ধের অন্য পদ্ধতিও রয়েছে।


১. SBI এর ওয়েবসাইট SbIcard.com এ গিয়ে, রিপ্লেস/রিইস্যু কার্ড ( Replace/Reissue) অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের কার্ড নম্বর দিয়ে রিকোয়েস্ট সাবমিট করলেই, নতুন কার্ডের জন্য আবেদন পদ্ধতি সম্পূর্ণ।


২. ফোন নম্বর দিয়ে Sbicard.in এ ঢুকে বাঁদিকের সার্ভিস রিকোয়েস্ট অপশনে ক্লিক করে Replace/Reissue কার্ড এ ক্লিক করে, কার্ড নম্বর দিলেই কাজ হাসিল।


৩. Sbicard.com/email এ অফিসিয়াল মেইল আইডি থেকে মেইল করলেই অন্য কার্ডের আবেদন করা যাবে।


৪. ১৮০০৪২৫৩৮০০ এই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলেও কার্ডের সমস্যা থেকে মিলবে মুক্তি।

=====================

Sabita= আগের কার্ডটি ব্লক করে 

নুতন কার্ডের জন্য এপ্লাই করে 

নুতন কার্ড পেলাম 13/03/2021 তারিখে

=========================

Adyanath= ATM এর এপ্লাই করে 

কার্ড পেলাম 18/02/2022

01/03/2022 কার্ডটা আজকের Active

 করলাম।

==========================


BODMAS – যে নিয়মটা প্রায়ই ভুলভাবে শেখানো হয় আমাদের

 BODMAS – যে নিয়মটা প্রায়ই ভুলভাবে শেখানো হয় আমাদের

-------------------------------------------------------


পাটীগণিত বা বীজগণিতের সরল অঙ্কে যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ এমন অপারেশনগুলো কোনটার পরে কোনটা করতে হবে (Order of Operation), সেটা প্রায়ই আমাদেরকে শেখানো হয় একটা ছোট্ট স্মরণসূত্র (mnemonic) দিয়ে: BODMAS। সাধারণত এটা শেখানো হয় এভাবে: B=Bracket, O=Of, D=Division, M=Multiply, A=Addition, S=Subtraction। এবং শেখানো হয় আগে ব্রাকেটের কাজ , তারপর ‘Of’,  তারপর Division, তারপর Multiplication, এরপর Addition এরপর Subtraction। এখানে বেশকিছু সমস্যা আছে। এক এক করে সমসাগুলো বলি।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ১: জেনে রাখুন আগে 'ভাগ', পরে 'গুণ' এমন কোনো নিয়ম আসলে নাই

------------------------------------------------------------------- 


এটা অনেকেরই বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে আমি জানি। সারা জীবনের শিক্ষা কি তবে ভুল হয়ে গেল? হ্যাঁ। BODMAS এর ভেতরে আগে D আছে, তাই Division বা ভাগের কাজ আগে হবে, এটাই সবাইকে শেখানো হয়, যেটা অপ্রয়োজনীয়। আসলে গুণ ও ভাগের অগ্রাধিকার একই। যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকারও একই। তবে গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার যোগ-বিয়োগের থেকে বেশি।


অগ্রাধিকারের ক্রমটা এই রকম:

1) বন্ধনী বা Bracket(B)

2) সূচক বা Order (O) [এটাকে Of শেখানো হয়, সেটা নিয়ে শেষে লিখেছি]

৩) গুণ-ভাগ, Division/Multiplication (D/M)

৪) যোগ-বিয়োগ, (Addition/Subtraction)


দেখুন, ৩ আর ৪ এ কায়দা করে আমি দুটো দুটো করে একসাথে লিখেছি। এই ব্যাপারটা আমিও জানতাম না অনেকদিন। এটা নিয়ে খটকা লাগল যখন দেখলাম আমেরিকাতে BODMAS এর মতো আরও একটা মনে রাখার কৌশল আছে: PEMDAS [Parenthesis, Exponent, Multiplication, Division, Addition, Subtraction ]। PEMDAS এর ভিতরে গুণ (M) আছে ভাগের (D) আগে। তাহলে তো দুই রকম নিয়ম হয়ে গেল। পরে যখন জানলাম গুণ আর ভাগের অগ্রাধিকার একই, তখন বুঝলাম দুটো নিয়ম আসলে একই কথা বলে।


তাহলে যদি এমন একটা অঙ্ক থাকে  2×8÷2÷2 কীভাবে করব? যারা জানেন যে ভাগ আগে করতে হয়, তারা এবারে একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে যাবেন কেননা এখানে দুইটা ভাগের অপারেশন আছে। আগে 8÷2 হিসেব করতে হবে, নাকি আগে 2÷2? করে দেখুন, দুইবার দুইরকম ফল পাবেন। তবে মূল নিয়মটা জানলে চিন্তার কিছু নেই। মূল নিয়মটা দুটো-


------------------------------------------------------------------- 

১. যে অপারেশনের অগ্রাধিকার বেশি, তাকে আগে হিসেব করতে হবে।

২. যদি একই অগ্রাধিকারের অনেকগুলো অপারেশন থাকে তাহলে ‘বাম থেকে ডানে’ হিসেব করতে হবে

------------------------------------------------------------------- 


যেমন এখানে আছে শুধু গুণ আর ভাগ, যাদের অগ্রাধিকার একই। ২ নম্বর নিয়মটা এখানে খাটবে। তাহলে বাম থেকে ডানে হিসেব করে যেতে হবে। 

2×8÷2÷2 

= 16÷2÷2 

= 8÷2 

= 4


এটা জানলে কোন ভাগটা আগে করব, তা নিয়ে সন্দেহ থাকবে না। এমনকি এখানে ভাগের আগে গুণ করা হয়েছে সেটাও খেয়াল রাখতে পারেন। আর উত্তর বিশ্বাস না হলে পৃথিবীর যেকোনো ক্যালকুলেটরে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। 


আরেকটু চিন্তাশীল মানুষদের জন্য বলতে পারি, গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার আলাদা হবার যে কারণ নেই সেটা আপনারা অনুভব করতে পারবেন ভাগ কী সেটা বুঝলে। আদতে field theory তে ভাগ বলে কিছু নাই, ভাগকে ভাবা যায় বিপরীতকের গুণ হিসাবে। 8÷2=8×½ । যত জায়গায় ÷2 আছে, সব জায়গায় ×½ বসিয়ে ভাবতে পারেন। আর সব যদি গুণ হয়ে যায়, তখন তো আর আগে-পরের ব্যাপার থাকবে না।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ২: যোগ আগে, বিয়োগ পরে এমন কোনো কথা নাই

------------------------------------------------------------------- 


গুণভাগের কথাটা যোগ আর বিয়োগের জন্যেও সত্যি। একটা অঙ্কের কথা ভাবুন। 

13-5+3-2+2 

এমন অঙ্ক দেখলে আমি ছোটবেলায় প্রায়ই দ্বিধান্বিত হয়ে যেতাম। যেহেতু আমি জানতাম যোগ আগে, তাই মাঝে 5 আর 3 কিংবা শেষের 2 আর 2 আগে যোগ করে ফেলতাম। পরে অবশ্য স্যারেরা শিখিয়েছিলেন আগে যোগগুলো একসাথে করে নিতে 

13-5+3-2+2 

= 13+3+2-5-2 

= 18-7 

= 11


এটাতে ঠিক উত্তর পাওয়া যায়, সন্দেহ নেই। কিন্তু কম্পিউটার যখন হিসেব করে সে কিন্তু এমন সাজিয়ে নেয় না। কারণ পদ্ধতিটা আরও সহজ। যেহেতু যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকার একই, আপনি স্রেফ বাম থেকে ডানে হিসেব করে যান।

13-5+3-2+2 

= 8+3-2+2 

= 11-2+2 

= 9+2 

= 11 


লক্ষ করুন, এখানে শুরুতেই আমি বিয়োগ করে ফেলেছি, তাতে উত্তর ভুল কিছুই আসেনি।

এখানেও চিন্তাশীল মানুষদের জন্য বলতে পারি, যোগ-বিয়োগের অগ্রাধিকার আলাদা হবার কারণ নেই। বিয়োগকে ভাবা যায় ঋণাত্মকের যোগ হিসাবে 13-5=13+(-5) । যত জায়গায় -2 আছে, সব জায়গায় +(-2) বসিয়ে ভাবতে পারেন। 13-5+3-2+2=13+(-5)+3+(-2)+2। সবাই এখন যোগ।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ৩: যোগ-বিয়োগ আর গুণ-ভাগ দুটোই থাকলে?  

------------------------------------------------------------------- 


চিন্তা কী? উপরের ১ নম্বর নিয়মটা ভাবুন। যার অগ্রাধিকার বেশ সে আগে। গুণ-ভাগের অগ্রাধিকার বেশি তাই গুণ-ভাগ আগে করবেন। তারপর যোগ-বিয়োগ। বাম থেকে ডানে যাওয়ার নিয়মটা শুধুমাত্র তাদের জন্য সত্যি যেখানে অগ্রাধিকার একই। একটা উদাহরণ দেখা যাক।

12÷2÷3×4-6+5×7 


এখানে গুণভাগ-ওয়ালা অংশগুলোকে যেমন (12÷2÷3×4) এবং (5×7) কে আগে আলাদা করে নিন। প্রয়োজনে ব্র্যাকেট দিয়ে নিতে পারেন। সেগুলোর ভিতরে যদি গুণভাগ দুই-ই থাকে তাহলে বাম থেকে ডানে যেতে পারেন। 

12÷2÷3×4-6+5×7 

= (12÷2÷3×4)-6+(5×7)

= (6÷3×4)-6+35  

= (2×4)-6+35 

= 8-6+35


খেয়াল করুন গুণ-ভাগের কাজ শেষ হলে, পড়ে থাকবে যোগ-বিয়োগ। যাদের অগ্রাধিকার একই। সুতরাং বাম থেকে ডানে যেতে পারেন।  

8-6+35 

= 2+35 

= 37


এটা জানলে আর খুব একটা দ্বিধায় পড়তে হবে না কাউকে।


------------------------------------------------------------------- 

কথা ৪: O তে Of নাকি Order 

------------------------------------------------------------------- 


সত্যি হলো Of বলে কোনো অপারেশন গণিতের কোনো তত্ত্বে নেই। এই উপমহাদেশীয় গণিতের বইগুলোতে ‘এর’ বলে একটা কথা আছে, যেটা আদতে ‘গুণ’ অপারেশন। যেমন (১২ এর ১/ ৩)=১২ x ১/৩ = ৪। এই ‘এর’ এর ইংরেজি ‘of’ । 


‘10 এর ½’ এটা মানে যে 10 × ½, এমন করে বাচ্চাদের শেখানোর চিন্তাটা আসলে খারাপ না। এর দিয়ে গুণ বোঝানো হয় এটা তারা জানল। একইভাবে ‘10 আর 6’ মানে হলো 10+6,  ‘10 থেকে বাদ 6’ এটার মানে হলো 10-6 । তাহলে ‘এর’, ‘আর’, ‘থেকে বাদ’ এগুলো হচ্ছে কথা বলার বা লেখার ভাষা, যেটাকে গণিতে আমরা গুণ, যোগ, বা বিয়োগ অপারেশনগুলো দিয়ে ভাবছি। 


আলাদা করে একটা ‘এর’ অপারেশন রাখা অর্থহীন। অনেকে যুক্তি দিতে পারেন ‘এর’ একটা গুণ যেটা সাধারণ গুণের থেকে বেশি ক্ষমতার অধিকারী (অগ্রাধিকার বেশি, আগে হিসেব করতে হবে)। সেটাও ধোপে টিকবে না কারণ আপনি 10 এর ½ না লিখে একটা ব্র্যাকেটসমেত (10× ½ ) লিখলেই সেটা হয়। 


আমাদের উপমহাদেশে O তে ‘Of’ যদিও প্রচলিত, বিশ্বের আর সব জায়গায় কিন্তু এমন না। অস্ট্রেলিয়া এবং পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতেও BODMAS প্রচলিত। সেখানে তারা O মানে জানে Order বা সূচক। ইংল্যান্ডে এটাকে বলে BIDMAS, সেখানে দ্বিতীয় অক্ষরটা অর্থাৎ ‘I’ এর মানে হলো Indices বা সূচক। কানাডা, নিউজিল্যান্ডে প্রচলিত হলো BEDMAS, যেখানে E এর মানে Exponent বা সূচক, যুক্ররাষ্ট্রে প্রচলিত হলো PEMDAS , সেখানেও E মানে Exponent বা সূচক। অর্থাৎ বাকি সবাই জানে ব্র্যাকেটের পর সূচকের কাজ, অর্থহীন ‘এর’কে কেউই রাখেনি। 


আমরা of জানায় সমস্যা যা হয়েছে- O দিয়ে Order-ও বোঝায় সেই ব্যাপারটা অনেকের জানা হয়নি। BODMAS এর এই Order বলছে যে গুণ/ভাগ কিংবা যোগ/বিয়োগের আগে সূচকের কাজ করতে হবে।


যেমন:

2³÷4+3 

= 8÷4+3 

= 2+3 

= 5


------------------------------------------------------------------- 

বাম থেকে ডানের ব্যতিক্রম

------------------------------------------------------------------- 


উপরে যেহেতু সূচকের ব্যপারটা এসেছে , তাই সে সংক্রান্ত একটা কথা বলে রাখি। আগে বলেছি যে যোগ-বিয়োগ বা গুণ-ভাগের বেলায় একই অগ্রাধিকার-ওয়ালা অপারেশনের ক্ষেত্রে ‘বাম থেকে ডান’ যেতে হবে। এই ব্যাপারটার একটা ছোট্ট ব্যতিক্রম আছে সূচকের ক্ষেত্রে। 


যখন পাওয়ারের উপর পাওয়ার থাকে তখন সবার উপরের পাওয়ারটা আগে হিসাব করতে হয়। আমরা যেহেতু পাওয়ারগুলোকে কোনো সংখ্যার উপরে ডানদিকে লিখি তাই এক্ষেত্রে ডান থেকে বাম আসতে হয়। যেমন 2^1^3^2  এটাকে ভাবুন ২ এর মাথায় পাওয়ার ১, সেই ১ এর মাথায় ৩, সেই ৩ এর মাথায় ২। এবারে আগে হিসেব করা হয় 3^2 কে। পুরো হিসেবটা হবে এমন: 2^1^3^2 = 2^1^9 = 2^1 = 2, এখানে বাম থেকে ডানে গেলে চৌষট্টি পেয়ে যাবেন, যেটা ঠিক না।  


------------------------------------------------------------------- 

 6÷2(1+2) = ?

------------------------------------------------------------------- 


শেষ করা যাক অনলাইন কাঁপানো একটা বিখ্যাত সমস্যা দিয়ে। 6÷2(1+2) = ?

BODMAS এর নিয়ম জানলে এটা করা খুবই সহজ।

6÷2(1+2)

= 6÷2×(1+2)

= 6÷2×3 [আগে ব্র্যাকেটের কাজ]

= 3 × 3 [গুণ-ভাগ একই অগ্রাধিকার, তাই বাম থেকে ডানে]

= 9


আমি প্রায়ই ইনবক্সে প্রশ্ন পাই- কেন Casio-র দুই মডেলের Scientific Calculator এ 6/2(1+2) এর মান দুই রকম দেখায়। 


প্রথমে বলে নিই, 2(1+2) এই 2 আর (1+2) এর মাঝে যে গুণটা আছে, সেটা যদি আমরা স্পষ্ট করে বসিয়ে দিই, তাহলে সব ক্যালকুলেটর একই মান দেয়। 6/2×(1+2) এটা লিখলে সবাই উত্তর দেবে 9। কারও তখন কোনো দ্বিধা থাকে না।


যখন 2 আর (1+2) এর ভিতরে গুণ চিহ্নটা স্পষ্ট করে দেয়া থাকে না, তখন Algorithm এ ঝামেলাটা হয়। এটাকে তখন বলে Implicit multiplication। এটার অগ্রাধিকার সাধারণ গুণ-ভাগ থেকে বেশি হবে, এমন একটা ধারণা প্রচলিত আছে। যেমন 1/2a লিখলে অধিকাংশ মানুষই বোঝে 2 আর a একসাথে আছে, এটা 1/ (2a)। এই প্রচলিত চিন্তাটা কিন্তু BODMAS এর নিয়ম মানে না। BODMAS মতে,  1/2a= (1/2) × a =  ½ a ।


Implicit multiplication কে অগ্রাধিকার দিলে উপরের অঙ্কের হিসেবটা দাঁড়ায় এমন: 6÷2(1+2)= 6÷2(3) = 6÷6 = 1। কিন্তু এমন Implicit multiplication এর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার আগে হবে, এমন কোনো নিয়ম কোথাও আসলে নেই। ফলে এটাকে সাধারণ গুণ হিসেবে বিবেচনা করে হিসেব করাই সঙ্গত। তাতে পাবেন, 6÷2(1+2)= 6÷2×3= 3×3=9। 


Google, WolframAlpha, Desmos ইত্যাদি নির্ভরযোগ্য সাইটগুলোতে 6/2(1+2)  এভাবে লিখে খোঁজ করুন, উত্তর সবসময় 9-ই পাবেন। আর যদি 6/2*(1+2) এমন গুণ-চিহ্ন সমেত লিখে খোঁজ করেন, তাহলে তো কথাই নেই। সব সাইট, সব ক্যালকুলেটর, MATLAB, Python সব Programming Language উত্তর দেবে 9। 


তাই 6/2(1+2) এর সঠিক উত্তর 9 , এটাই জেনে রাখুন। :)

============================

2÷2÷2÷2=?

   1÷1=1 Rong Ansar


Correct is

     2/2×2×2=1/4 ok


In multiple number division

 1st digit divider by multiple of other digits

(2÷2=1)/2×2= 1/4

========================



13/5/25 কিছু লেখা---

 13/5/25 কিছু লেখা---


জানিও  প্রণামের পরিণাম আশীর্বাদ।

আমরা অনেক শক্তি মান কিন্তু আসল সত্যকে যেন কখনই ভুলি না,

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অস্ত্র হোল করুণা,

করুণাস্ত্রের সমান কোন অস্ত্রই হয়না।

অনেকেই বলেন ভগবান মানেন না,

আসলে ভগবান কে ছেড়ে কেউ বাঁচতে পারে না। তারা ভগবান অর্থই জানেনা,

 ভগবান::---

★ভ::--অর্থ::--ভুমি--মাটি,

★গ::--অর্থ::--গগণ--আকাশ,

★বা::-অর্থ::--বায়ু--বাতাস,

★আ::--অর্থ::--আগুন--অগ্নি,

★ন::----অর্থ::--নীর--জল,

এই পঞ্চতত্ত্বেই আমাদের দেহ গড়া,

 মানুষ বাঁচেনা এইপঞ্চ তত্ত্ব ছাড়া।

দেহ/শরীর মানেই পঞ্চতত্ত্বে গড়া।

=========================


13/5/25 হাঁটু ব্যথা::---

   13/5/25 হাঁটু ব্যথা::---



ব্যাথা, হাটু ব্যথার জন্য বায়কেমিক

RHEUMALIN Forte ₹160/- Bio 

========================

রাম বান:-হাঠু ব্যথার ++ সর্দি, জ্বর, গাব্যথা



★1>শ্রেষ্ঠ ব্যথার ঔষধ::---(ইউনানী)

  সিরিষার তেল2tsp + জায়ফল 1tsp+ হলুদ গুঁড়ো 1tsp।

প্রথমে জায়ফলকে ভালো করে গুঁড়ো করে নিতে হবে (ব্লেন্ডারে)।

হাকলা আঁচে সিরিষার তেল গরম করতে হবে, তেল গরম হলে তাতে জায়ফল দিয়ে ভালোকরে হালকা আঁচে গরম করতে হবে। সম্পূর্ণটা ভালোকরে গরম হলে তাতে গলুদের গুঁড়ো মেশাতে হবে।

এবার আঁচ থেকে নাবিয়ে হালকা গরম গরম ব্যথার জায়গাতে হালকা হাতে বেশ কিছুক্ষণ মালিশ করতে হবে।

★{সম্পুর্ন প্রক্রিয়া হালকা আঁচে করতে হবে, বেশি আঁচ দিলে খারাব হবে}

=========================

★2> সর্দি, কাশি, জ্বর,গাব্যাথা, ম্যাজ ম্যাজ ভাব----রাম বান----


গোলমরিচ--15/20 টি

লবঙ্গ------15/20 টি

দারুচিনি--1.5" ইঞ্চি

এবার হাকলা আঁচে এগুলি গরম করে

একটু দানাদার গুঁড়ো করতে হবে।


এবার 2"কাঁচা আদা একটু হালকা গরম করে , গ্রেড করে রস বেরকরে নিতে হবে।

 1 চামচ আদর রসে + 1চামচ মধু+ এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো+এক চিমটি পিঙ্কসল্ট মিশিয়ে, গুঁড়ো করে রাখা মশলার সাথে মিশিয়ে নিলেই হয়ে যাবে রামাবান ঔষধ।


খেতে হবে 1 চামচ::---

সকালে খালিপেটে ব্রেকফাস্টের আধাঘন্টা আগে।

এবং রাত্রে শোবার আগে একচামচ খেয়ে একটু উষ্ণ গরম জল খেতে হবে।

==========================


আধা চামচ মেথি দানা এককাপ জলে রাত ভর ভিজিয়ে সকালে খালিপেটে খেতে হবে 

মেথি দানা চিবিয়ে খেয়ে ,ভেজান জল টুকুও খেয়ে নিতে হবে।


 হাঁটু ব্যাথা, কোমর ব্যথা এবং নানা রোভার6 মহৌষধ।

°=======================

13/5/25 शुभ शनिवार ++

       13/5/25  शुभ शनिवार ++


    शुभ शनिवार।।

 जय हनुमान।।    जय शनिदेव।।


आपकी सभी मनोरथ हनुमान जी पूर्ण करे।

एवं शनिदेव महाराज आपकी एवं आपके परिवार की सारे कष्टों को दूर करें।।

इसी मङ्गल कामना के साथ शनिवार शुबह की   आप सभी को हार्दिक शुभकामनाएं।।


  ।। हार्दिक शुभ मङ्गल कामनाएं।।

=====================


पोता= নাতি= grandson

जनेऊ=यज्ञोपवीत संस्कार की समारोह।


On the next April three will be

Sacred thread occasion of my grand son. 

At my own premises.

I am waiting for your arrival and I will be very happy in your  

presence.

So I desire your persence



यह समाचार आपकी जानकारी के लिए,

 अगले अप्रैल (April 2025) को  संभवतः,

मेरे पोते का यज्ञोपवीत संस्कार (जनेऊ) की समारोह होने की सम्भवना (तथा जनेऊ समारोह) होनेकी सम्भवना है मेरा अपने ही परिसर में।

मेरा इच्छा हैं कि आप जरूर उपस्थित होकर 

समारोह की शोभा बर्धन करे।

मैं आपके आगमन की प्रतीक्षा कर रहा हूँ एबं

आपकी उपस्थिति से बहुत प्रसन्न होंगे.

इसलिए मैं आपकी उपस्थिति चाहता हूं।

(समय एबं तारीख की जानकारी बादमे दिए जाएंगे )

================++++====



13/5/25 “আমি কে?”

     13/5/25  “আমি কে?”


প্রশ্ন কেবল একটাই -- 

জানতে চাই এই টুকু – “আমি কে?”

রাতদিন এই প্রশ্ন করি। 

নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করি।

তবুও ভাবি--কে --এই নিজে টা-- কে

কে  এই নিজে, কাকে প্রশ্ন করি????

এই ভাবনার পাইনা কুলকিনারা।


যে কাজ, যে চিন্তা, যে অনুভব – যার মধ্যে দিয়েই যাই, 

মন বলে সেই মুহূর্তকে ভেসে যেতে দিও না, নিজেও ভেসে যেও না। প্রশ্ন করো – “কে চিন্তা করছে?”

কে অনুভব করছে?”

কে দুশ্চিন্তা করছে?”

কে সংশয়ে ভুগছে?”

কে প্রশ্ন করছে?”


করো সর্বদা কিছু করো। চেষ্টা করো।

থেমে থাকছি না।

অবশ্য থেমে থাকা যায়না।

কর্ম না করে কেউ এক মুহূর্ত ও থাকতে পারে না।

মন বলছিলো, তাই মনের কথা 

শুনেছিলাম।


  দীক্ষা নিয়েছিলাম, গুরুও করেছিলাম 

অনেক বার । যাকে যখন ভালো লেগেছিলো তাকেই গুরু করেছিলাম।

জপ ধ্যান, মন্ত্র তন্ত্র অনেক শিখেছিলাম।

অনেক অভ্যাসও করেছিলাম।

অনেক মানুষের অনেক উপকার করতে চেষ্টা করেছিলাম। বেশ কিছু মানুষ উপকৃত হয়েছে। দুইএকজনের বেলায় অকৃতকার্য ও হয়েছি।

অকৃত কার্যতার কারণও বুঝতে পেরেছি।

যাদের মনে ছিল সামান্য তমও সংশয় তারাই রইলো অসহায়।

তাদের মনে ছিলনা বিশ্বাস তাই তারা আজও ভুগছে হতাশায়।

বহু বৎসর পরে শ্রেদ্ধেয় এক মহান গুরুর নির্দেশে  সকল কিছুই  বিসর্জন দিয়ে মুক্ত হয়ে ছিলাম।

আবার নুতন করে দীক্ষা নিলাম।

খানিক মন শান্ত হোল।

পার্থিব যা চাইলাম সবই পেলাম।

আনন্দ ফুর্তি সাংসারিক সকল কিছুই পেলাম।

কিন্তু মনের শান্তি কোথাও পেলাম না।

তাই আজ প্রশ্ন করছি ।

এই শরীর কে প্রশ্ন করছি , মনকে প্রশ্ন করছি। কে আমি? কে আমি?

এই জগতে কি কাজ আমার।

কেন আমি জন্মালাম।

জন্ম জখন  হয়েছে , উদ্যেশ্য নিশ্চিত কিছু আছে।

উদ্যেশ্য ছাড়া কিছুই উদ্ভব হয় না।

তবে আমি কে?

কি আমার উদ্যেশ্য?

কেন আমাকে আনা হয়েছে?

জন্ম থেকে আজ 74 বৎসর, কিছুইতো কিরিনি। শুধু নিজের চিন্তাই কিরেছি।

নিজের চাওয়াই চেয়েছি।

যখন চেয়ে ছিলাম, তখন পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। আজ বুঝতে পারছি সেদিনের সে চাওয়া আর পাওয়া সকলি বৃথা।

সকলি সামহিক সুখ। সেই সামহিক সুখই আজ দুঃখের কারণ।

অতএব বুঝিনা সুখ কি কেন , সুখের জন্য এতো পরিশ্রম ?

আসলে এখন বুঝতে পারছি, যে

"আমি"-- বলে কিছুই নাই এই ধরিত্রীর মাঝে।

"আমি"--শুধুই এক অহঙ্কার।

"আমি"--অহঙ্কারেই জীবনের ব্যর্থতা।

তাইতো ভাবনা এই আমি যদি অহঙ্কার হয় তবে এই আমি কে?

এই শরীর টা, কি মন টা, কি  বোধটা, কি চিন্তা টা,-- আমি কোনটা???

আজ আমি, আমাকে-- "আমি"-কে খুঁজতেই ব্যর্থ আমি।

ব্যর্থতাই বুঝি আষ্টে পিষ্টে ঘিরে আছে।

শরীর, মন, বুদ্ধি, সকল কে, জর্জরিত করছে দিবা-রাত্র।

ব্যর্থতা ছাড়া কিছুই পাইনি জীবনে।

যাকে একদিন সুখ বলে ভাবতাম 

সেও নিতান্ত ব্যর্থতা।

ব্যর্থতায় পূর্ন জীবনে,

সবকিছু হারিয়ে-- খুঁজে মরি নিজেকে,

আর--কিছু খুঁজলেই দেখি অন্ধকার,

অন্ধকারের পরেই আছে আলোর ঝলক।

কিন্তু এই অন্ধকার পার করতে পারলেই হয়তো আলোর দেখা পাবো, এমনিই সকলে বলে।

কে জানে আর কতদিন ঘুরবো আমি 'চোখ বাঁধা কলুর বলদের মতন।'

এখন তো দেখি চারিদিকে অন্ধকার,

জপ ধ্যান বাড়িয়ে ছিলাম,

তবে এখন আর করিনা---- কি হবে ওসব করে।

অন্ধকার পার হবে কি করে,

সে-ই ভাবনাতেই দিন কাটে।










13/5/25 || মুখরা ||

    13/5/25 ||  মুখরা  ||


মুখরা শব্দটির অর্থ হলো বাচাল /কটুভাষী/ অতিভাষী।


কিছু মানুষ, স্ত্রী পুরুষ উভয়ই আছেন

যারা অতিভাষী।

তারা নিজেকে  নিজে সত্যবাচক ভাবে,

আসলে তারা নিজেকে ভুল ভাবে চেনে।

তারা একটি কার্যে অতিশয় পটু,

সদাই অন্যকে অপমান করতে পটু।


যেই হোক না কেন,সম্মুখের মানুষটি,

কথার জালে অপমান করবে ঝটিতি।

ভাববেনা একবার কি বলছে ভাষা তার,

তিনি স্বগর্ভে বলবে কুকথা বার বার।


সম্মুখের মানুষটি হয়তো স্বজ্জন, 

তথাপি তিনি তার করেন অপমান।

আসলে তিন বুঝতে চাননা মান অপমান,

তাই অবহেলায় করেন অপমান।


দোষ তার নয়, দোষ স্বভাবের কারণ,

সে বুঝবে না নিজের আহঙ্কাকের কারণ




13/5/25|| ভুঁড়ি কমাতে::--

   13/5/25||  ভুঁড়ি কমাতে::--


এতদিনে ভুঁড়ি কমাবার উপায় বুঝলাম,

যে কোন উপায়ে খাওয়া কমাতে হবে।

বিশেষ করে ভাত খাওয়া কমাতে হবে।

একটু বেশি পিরিশ্রম করতে হবে।

হাটতে হবে, পাগলের মতন হাটতে হবে।

কারণ বুঝেছি::---

আমি যা খাচ্ছি সবটাই চর্বি হয়ে জমা হয়েছে, পরিশ্রম করছিনা তাই ক্যালোরি বার্ন হচ্ছে না। সেই কারণে পেটে চর্বি জমছে, ভুঁড়ি বাড়ছে।

একে কমাতেই হবে। যে কোন মূল্যে খাওয়া কমিয়ে বেশি করে হেঁটে চর্বি তথা ক্যালোরি বার্ন করতেই হবে।

13/5/25 MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।

 13/5/25 MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।


Dance=Miha=সুপ্রিয়া ম্যাম

সোম--মঙ্গল--শুক্র।


Sunday-- শ্রেয়া ম্যাম at 11.30 am যেতে হয়।  সাম্য বা অন্তরা নিয়ে যায়।


সুপ্রিয়া ম্যাম== সোম--মঙ্গল--শুক্র।

Monday,-যেতে হবে, Time----??

Tuesday--on line Time----??

Friday--যেতে হবে।Time----??


MIHA=DANCE=28D/2 অনুপমা।


অনুপমা  near HALDIRAM

ANUPAMA HOUSING COMPLEX

  28D/2

BHASKAR  DATTA  GUPTA

SUPRIYA  DTTAGUPTA


 UTTARAN  HOUSIMG SOCIETY Ltd


    5 pm

 Class start 6.45 pm to 7.55 pm

===================

অরিন্দম---

Shelli=WB 26S 1648

======================

◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆



13/5/25 বাংলা == English

 13/5/25 বাংলা == English 


    সংগৃহীত ==সঙ্কলিত= সংগ্রহ করা হইয়াছে এমন।


সংগ্রহ, সংগ্রহণ= একত্রীকরণ, আরহণ,

সংগৃহীত শব্দের সমার্থক শব্দ: আহৃত,


সঙ্কলন= সংগ্ৰহ (রচনা- সঙ্কলন), মিলন,

একত্রীকরণ, (কবিতাসংগ্রহ), চয়ন,সঞ্চয়,

আদায়,


সঙ্কলক, সঙ্কলয়িতা=সঙ্কলনকারী।


সঙ্কলিত= সঙ্কলন করা  হইয়াছে এমন

সংগ্রহ শব্দের অর্থ: আহরণ, সঙ্কলন, একত্রীকরণ, চয়ন, সঞ্চয়. 



দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang

Mosha=मोक्षा

-----ত্--------ম্---তন্----ন্---

কিছু লিখতে == অ্যা

চার Four

চল্লিশ Forty

rupees


Rs Eighty thousand only


Rs Forty thousand only


Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.


But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)

_________________________


Dh=ধ, ড ,ডঃ, ঢ,ঢে, ধ ধ,ধরে, ধ্বংস, ধ্,, দ্য, দ্রঃ, ধ


সুপ্রযুক্ত== বাংলা অর্থ


যথাযথভাবে বা সঠিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করা হয়েছে এমন।


সংগৃহীত /বিশেষণ পদ/ সংগ্রহ করা হয়েছে এমন, আহৃত, সঙ্কলিত।


প্রণিপাত= প্রনাম, সাষ্টাঙ্গ প্রণাম


 উদ্‌ঘাটন / উদ্ঘাটন


----------  দ্‌


 =------- ক্ ---

 "দুর্গা'= দয়ে রশুকার =বানান এটিই সঠিক বানান। এটিই সঠিক বানান।


পূজা::---ঠিক।


দূর্বা= দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দূর=দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দুর্গা=


দুর্গ -শব্দের স্ত্রীলিগে- দুর্গা,


দূর-গম্ +অ =দুর্গ,F


দূর-গম্ +অ+আ =দুর্গা।


গিরীশ  এবং গিরিশ::---


গিরিশ=গিরৌ শেতে যঃ সঃ= গিরিশঃ (শিবঃ)


গিরীশ=গিরীণাম্ ঈশঃ= সমগ্রপর্বতের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ তিনি গিরীশ অর্থাৎ হিমালয়


======================

পরা’ আর ‘পড়া’=


 কিন্তু ‘পরা’ আর ‘পড়া’ এক নয়।


কোনো কিছু পরিধান করা অর্থে ‘পরা’ এবং বাকি সব ক্ষেত্রে ‘পড়া’। 

■■■■■■■■■■■■■■■■■■

কলকাতা =লিখিত রূপ


কোলকাটা= উচ্চারণ রূপ।

===================


That---->ঐ, উহা।


Their---->তাদের


Theirs---->তাদেরই


Thence---->সেইথেকে, সেই সময় থেকে।


Thenceforth---->সেই সময় থেকে,


Thenceforward--->তার পর থেকে,


                                    অতঃ পর।


There---->সেখানে, ওখানে।


Thereafter---->তারপর, তদনুযায়ী।


Thereby---->তারফলে, তদ্দারা।


Therefore---->সেইজন্য,  অতএব।


Therefrom---->সেখানথেকে।সেই থেকে।


Therein---->তাতে, তার মধ্যে।


There upon---->তাতে, তদুপরি।


Us---->আমাদিগকে।


Usual---->সাধারণ, প্রথগত।


Utter---->উচ্চারণ করা, প্রকাশ করা।


Our---->আমাদের।


========================


বাংলা লেখার জন্য 


Play store ( google indic )


দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang


Mosha=मोक्षा


 ------ত্--------ম্---


কিছু লিখতে == অ্যা


চার Four


চল্লিশ Forty


rupees


Rs Eighty thousand only


Rs Forty thousand only


Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.


But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)


===================

পশুর অধম ; পশুর চেয়েও নীচ, বা অপকৃষ্ট ;   পশ্বাধম


অপকৃষ্ট   /বিশেষণ পদ/ নিকৃষ্ট, হীন, জঘণ্য, অবনতিপ্রাপ্ত। /অপ+কৃষ+ত/।


======================

কৃতজ্ঞতা Gratitude


কৃতজ্ঞতা


gratitude, thanks, thankfulness, gratefulness


কৃতজ্ঞতাবোধ


gratitude


ভগবদ্গীতায় উল্লিখিত মনের বিকার বা

ষড়রিপু গুলি::--

কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ-মৎসার্য


হিন্দু ধর্মতত্ত্বে, অরিষদবর্গা বা ষড্রিপু 

( সংস্কৃত : षड्रिपु ; অর্থ ছয় শত্রু) হল মনের ছয়টি শত্রু, যা হল: কাম (কামনা/লালসা),ক্রোধ (ক্রোধ), লোভ (লোভ), মদ (অহং), মোহ (সংযুক্তি), এবং মতসার্য (ঈর্ষা) অতিরিক্ত আলস্য (অলস)।


ষড়রিপু বা ষড়্ রিপু বা অরিশদবর্গ হল হিন্দুধর্ম মতে মানব মনের ছয়টি শত্রু। এগুলো হল - কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য। শব্দটি সংস্কৃত “ষট্”-এর সাথে ‘রিপু’ যুক্ত হয়ে গঠিত। ষড়রিপুর নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য মানুষকে মোক্ষ লাভে বাধা প্রদান করে। ষড় রিপু যিনি নিগ্ৰহ বা দমন করেন তিনি হলেন ষন্নিগ্রহী।


কাম=অর্থ (কামনা), 


ক্রোধ=অর্থ (রাগ), 


লোভা=অর্থ (লিপ্সা), 


মোহ=অর্থ (গভীর মানসিক সংযুক্তি, মূর্খতা), 


মদ=অর্থ (অহংকার, উন্মাদনা) 


এবং


মতসার্য=অর্থ (হিংসা) এবং 


=======================

বানান   ন  কার//  ণ  কার।


ঠিক--------ভুল


মুণ্ড ok-------মুন্ড ×-ভুল


দন্ত ok---- মুর্ধ্যন হবে না


পণ্ডিত ok---পন্ডিত× (ন ভুল)


চিন্তা ok------ন ok হবে  (ণ ভুল)


ট--ঠ--ড---ঢ----ণ এদের মাথায়(ণ ) হবে।

ত--থ---দ---ধ---ন এদের মাথায়(ন) হবে।


==========================

খোঁজা===সন্ধান করা, অন্বেষণ করা।


খোজা===নপুংসক, পুরুষত্বহীন।

==========================

বাংলা  == English


সুপ্রযুক্ত== বাংলা অর্থ

যথাযথভাবে বা সঠিকভাবে ব্যবহার বা প্রয়োগ করা হয়েছে এমন।


সংগৃহীত /বিশেষণ পদ/ সংগ্রহ করা হয়েছে এমন, আহৃত, সঙ্কলিত।


প্রণিপাত= প্রনাম, সাষ্টাঙ্গ প্রণাম


উদ্‌ঘাটন / উদ্ঘাটন

----------  দ্‌

=------- ক্ ---

মদ্যং মাংসং তথা মৎস্যং


ত্বং

হেতুঃ

"দুর্গা'= দয়ে রশুকার =বানান এটিই সঠিক বানান। এটিই সঠিক বানান।

পূজা::---ঠিক।

দূর্বা= দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।

দূর=দয়ে দীর্ঘুকার=বানান এটিই সঠিক বানান।


দুর্গা=

দুর্গ -শব্দের স্ত্রীলিগে- দুর্গা,

দূর-গম্ +অ =দুর্গ,

দূর-গম্ +অ+আ =দুর্গা।


গিরীশ  এবং গিরিশ::---

গিরিশ=গিরৌ শেতে যঃ সঃ= গিরিশঃ (শিবঃ)


গিরীশ=গিরীণাম্ ঈশঃ= সমগ্রপর্বতের মধ্যে যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ তিনি গিরীশ অর্থাৎ হিমালয়

======================


পরা’ আর ‘পড়া’=

কিন্তু ‘পরা’ আর ‘পড়া’ এক নয়।

কোনো কিছু পরিধান করা অর্থে ‘পরা’ এবং বাকি সব ক্ষেত্রে ‘পড়া’।


■■■■■■■■■■■■■■■■■■

কলকাতা =লিখিত রূপ

কোলকাটা= উচ্চারণ রূপ।

===================


That---->ঐ, উহা।

Their---->তাদের

Theirs---->তাদেরই

Thence---->সেইথেকে, সেই সময় থেকে।

Thenceforth---->সেই সময় থেকে,

Thenceforward--->তার পর থেকে,

                                    অতঃ পর।


There---->সেখানে, ওখানে।

Thereafter---->তারপর, তদনুযায়ী।

Thereby---->তারফলে, তদ্দারা।

Therefore---->সেইজন্য,  অতএব।

Therefrom---->সেখানথেকে। সেই

                            থেকে।

Therein---->তাতে, তার মধ্যে।

There upon---->তাতে, তদুপরি।


Us---->আমাদিগকে।

Usual---->সাধারণ, প্রথগত।

Utter---->উচ্চারণ করা, প্রকাশ করা।

Our---->আমাদের।

========================


বাংলা লেখার জন্য

Play store ( google indic )


দিব্যাঙ্গ=দিব্যাংগ, Divyang

Mosha=मोक्षा

------ত্--------ম্---

কিছু লিখতে == অ্যা


চার Four

চল্লিশ Forty

rupees

Rs Eighty thousand only

Rs Forty thousand only

Rs One Lakh only


( 'lakh' and 'lac'  Both are correct. This is a unit of Indian numbering system.

But The RBI uses 'lakh' in their correspondences)

===================

পশুর অধম ; পশুর চেয়েও নীচ, বা অপকৃষ্ট ;   পশ্বাধম


অপকৃষ্ট   /বিশেষণ পদ/ নিকৃষ্ট, হীন, জঘণ্য, অবনতিপ্রাপ্ত। /অপ+কৃষ+ত/।

======================


কৃতজ্ঞতা Gratitude


কৃতজ্ঞতা

gratitude, thanks, thankfulness, gratefulness

কৃতজ্ঞতাবোধ

gratitude

=======================


বানান   ন  কার//  ণ  কার।


ঠিক--------ভুল

মুণ্ড ok-------মুন্ড ×-ভুল

দন্ত ok---- মুর্ধ্যন হবে না

পণ্ডিত ok---পন্ডিত× (ন ভুল)

চিন্তা ok------ন ok হবে  (ণ ভুল)


ট--ঠ--ড---ঢ----ণ এদের মাথায়(ণ ) হবে।


ত--থ---দ---ধ---ন এদের মাথায়(ন) হবে।

==========================

খোঁজো===সন্ধান করা, অন্বেষণ করা।

খোজা===নপুংসক, পুরুষত্বহীন।

=========================

◆◆◆◆◆●●●●●●●●●●●●●●

पोता= নাতি= grandson

जनेऊ=यज्ञोपवीत संस्कार की समारोह।


পান্তা ভাত:-->Fermented rice

চিড়া---------->Flattened rice

খৈ---------:-->Popped rice

ভাত---------->Boiled rice

মুড়ি----------->Puffed rice.

11/5/25 jhum+sabita

 11/5/25 jhum+sabita


Jhum= 11/5/25=200×28=5600pk to an org. For ◆◆


【সবিতা 5 X 83==200×16】

13/5/25সৎ পুদিনা+সৎ আজোয়াইন+ সৎ কপ্পুর

 সৎ পুদিনা+সৎ আজোয়াইন+ সৎ কপ্পুর

    13/05/2025


অমৃতধারা তৈরি করতে ভোজ্য কর্পূর (দেশি কর্পূর), মেন্থল স্ফটিক (পুদিনা ফুলের এক রূপ) এবং থাইমল স্ফটিক (জোয়ান ফুলের এক রূপ) ব্যবহার করা হয়। এই উপাদানগুলি সমান পরিমাণে নিয়ে একটি ছোট কাঁচের  বোতলে মিশিয়ে রাখতে হয়। মিশ্রণটি তৈরি করার পরে, বোতলটি দ্রুত বন্ধ করে দিতে হবে, নাহলে বাষ্পীভূত হয়ে যেতে পারে। 

অমৃতধারার ব্যবহার:

সর্দি ও কাশির জন্য: একটি পরিষ্কার রুমাল বা কাপড়ে ২-৩ ফোঁটা অমৃতধারা ঢেলে নিন। 

মাথাব্যথার জন্য: অমৃতধারা ব্যবহার করে মাথাব্যথা উপশম করা যায়।